১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ পুলিশসহ আহত ৩০, গুলিবিদ্ধ ৮

  • Update Time : ০৯:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ আগস্ট ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে নরসিংদীর মনোহরদীতে। এ সময় প্রায় শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে ১০ পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। চোখে গুলিবিদ্ধ বিএনপির ২ সমর্থককে গুরুত্বর আহতাবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্যদের কিশোরগঞ্জের ভাগলপুর শিবপুরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলার মনোহরদী হাফিজপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল অভিযোগ করেন, বিএনপির মিছিলে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামালা চালায়। এতে তাদের ২৭ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ ৩৮ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে পুলিশের দাবি, বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। একপর্যায়ে তার পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করা হয়।

জানা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিসহ ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম ও জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমের মৃত্যুর প্রতিবাদে মনোহরদী হেতেমদী ইটাখলা মাঠে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। মনোহরদী বেলাবো আসনের সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি কিছুদূর এগোলে পুলিশের বাধার মুখে পরেন। ওই সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের নিবৃত করতে রাবার বুলেট ও শটগানের গুলি ছোড়ে। এতে ১০ পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৮ জন গুলিবিদ্ধ হন। মনোহরদী বেলাবো আসনের সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, আমরা মিছিল নিয়ে বের হওয়ার পরই পুলিশ অতর্কিত আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ২৭ জন গুলিবিদ্ধসহ ৩৮ জন আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান জানান, মানুষের জানমাল রক্ষায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা ও দাসহ মিছিল বের করেন। তাদের বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করা হয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় পুলিশের ১০ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ পুলিশসহ আহত ৩০, গুলিবিদ্ধ ৮

Update Time : ০৯:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ আগস্ট ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে নরসিংদীর মনোহরদীতে। এ সময় প্রায় শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে ১০ পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। চোখে গুলিবিদ্ধ বিএনপির ২ সমর্থককে গুরুত্বর আহতাবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্যদের কিশোরগঞ্জের ভাগলপুর শিবপুরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলার মনোহরদী হাফিজপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল অভিযোগ করেন, বিএনপির মিছিলে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামালা চালায়। এতে তাদের ২৭ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ ৩৮ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে পুলিশের দাবি, বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। একপর্যায়ে তার পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করা হয়।

জানা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিসহ ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম ও জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলমের মৃত্যুর প্রতিবাদে মনোহরদী হেতেমদী ইটাখলা মাঠে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। মনোহরদী বেলাবো আসনের সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি কিছুদূর এগোলে পুলিশের বাধার মুখে পরেন। ওই সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের নিবৃত করতে রাবার বুলেট ও শটগানের গুলি ছোড়ে। এতে ১০ পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৮ জন গুলিবিদ্ধ হন। মনোহরদী বেলাবো আসনের সাবেক এমপি সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, আমরা মিছিল নিয়ে বের হওয়ার পরই পুলিশ অতর্কিত আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ২৭ জন গুলিবিদ্ধসহ ৩৮ জন আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান জানান, মানুষের জানমাল রক্ষায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা ও দাসহ মিছিল বের করেন। তাদের বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করা হয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় পুলিশের ১০ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ