বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি
- Update Time : ০১:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় বিএনপির সহযোগী দুটি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ‘যুবলীগ’নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনায় এই সংঘর্ষ হয়। তারা একে অপরের পৃথক দুটি ব্যক্তিগত কার্যালয় ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাত ১২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলার মধ্যনগর বাজার ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায় বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আবদুস শহীদ (৩৭) ও মধ্যনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মিয়ার (৪৭) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। মধ্যনগর থানার পুলিশ জানায়, উপজেলার আটাইশা মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান (৩২) মধ্যনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি। গত বছরের ২৭ নভেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা একটি মামলায় শুক্রবার বিকেলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ওই আসামিকে বিএনপির কর্মী দাবি করে থানা থেকে ছাড়াতে আসেন যুবদল নেতা আবদুস শহীদ। আসামিকে না ছাড়ায় ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁর নেতৃত্বে লোকজন নিয়ে মধ্যনগর বাজারে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মধ্যনগর বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, সন্ধ্যা সাতটার দিকে সুজন মিয়ার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ূমের ব্যক্তিগত কার্যালয় ও আসবাব ভাঙচুর করেন আবদুস শহীদের সমর্থকেরা। রাত ৯টার দিকে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আবদুস শহীদের ব্যক্তিগত কার্যালয়ের আসবাব ভাঙচুর করেন সুজন মিয়ার সমর্থকেরা। রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সুজন মিয়া বলেন, ‘যাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তিনি একজন যুবলীগ নেতা। আমি তাঁকে গ্রেফতার করতে সহায়তা করিনি।’ আবদুস শহীদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ধরেননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক সমর্থক বলেন, ‘যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি বিএনপির সক্রিয় কর্মী। সুজন মিয়া তাঁকে গ্রেফতার করতে পুলিশকে উৎসাহিত করেছে।’ মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সজীব রহমান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে।’




























