বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে সবকিছু করছে সরকার: মির্জা ফখরুল
- Update Time : ০৪:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৭
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হবে। বাংলাদেশের মানুষ আর কখনও ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হতে দেবে না। আমরা সেই নির্বাচন চাই, যা দলীয় সরকারের অধীনে হবে না। শুধু বিএনপি বা ২০ দল নয়, সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। কিন্তু বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য যা কিছু দরকার তাই করছে সরকার।
তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নির্জলা মিথ্যাচার, অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে কি অর্জন করতে চান? আবার কি ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন করতে চান? বিএনপিকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চান? আপনারা আবারও একা একা নির্বাচন করতে চান? বিএনপি নির্বাচনে আসলে নাকি খবর হয়ে যাবে। কিন্তু দেশের মানুষ আর আগের মতো নির্বাচন হতে দেবে না। আপনাদের কোন মতলবে কাজ হবে না।
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সভাপতি অধ্যাপিকা রেহেনা প্রধান, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তুজা, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, যে সংসদে ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয় সেই সংসদ বাংলাদেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না। সেই সংসদে যে আইন তৈরি করা হয়, সংবিধান যেভাবে পরিবর্তন করা হয় সেটা জনগণের জন্য আইন কিংবা সংবিধান নয়। আর এটাই বাস্তবতা।
তিনি বলেন, প্রত্যাশা করি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হউক, কথায় কথায় আন্ডারইস্টিমেট করবেন না। দেশের মানুষ সব কিছু মেনে নেবে তা ভাববেন না। এরাই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাকহানাদারদের বিদায় করতে লড়াই করেছে।



















