০১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় ছেলে

  • Update Time : ০৭:২৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাবার চেয়ে ছেলের বয়স ৫ বছর বেশি। নাটোরের গুরুদাসপুরের বৃদ্ধ আবদুল কুদ্দুসের ভোটার আইডি কার্ড থেকে এমন তথ্যই জানা গেছে। তবে এ নিয়ে বেশ বিপদে পড়েছেন ওই বৃদ্ধ। আবদুল কুদ্দুসের বাবার নাম উমেদ আলী আর মায়ের নাম জরিনা বেগম। উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-চাপিলা গ্রামে তার জন্ম। আইডি কার্ডে তার জন্ম তারিখ ১৯ এপ্রিল ১৯৭৪ দেখানো হয়েছে। আর তার ছেলে আবু সাঈদের জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৬৯ সালে।

 

 

বৃহস্পতিবার সকালে আবদুল কুদ্দুস বলেন, দেশ স্বাধীনের সময় তার বড় ছেলে আবু সাঈদের বয়স ছিল ৩ বছর। অর্থাৎ তার জন্ম ১৯৬৯ সালে। বর্তমানে তার বয়স ৫১ বছর। অথচ আইডি কার্ড অনুযায়ী আমার বয়স ৪৬ বছর। এ কারণে আমার বয়স্কভাতা বাতিল হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

 

আবদুল কুদ্দুসের অভিযোগ, ভোটার আইডি কার্ডের এই ভুল নিয়ে তিনি সমাজসেবা দফতর ও নির্বাচন অফিসে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু কোনো সমাধান পাচ্ছেন না।

 

এদিকে আবদুল কুদ্দুসের জন্মসনদে দেখা যায়, তার জন্ম তারিখ ১ জুন ১৯৪৭। জন্মসনদ অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৭৩ বছর। অথচ ভোটার আইডি কার্ডে বয়স এসেছে ৪৬ বছর।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আইডি কার্ড অনুসারে তার বয়স ৪৬ বছর। ৬৫ বছরের নিচে হলে তার বয়স্ক ভাতা কার্ড বাতিল হবে। শারীরিক অবস্থা দেখে বোঝা যায় তার বয়স অন্তত ৭০-এর ঊর্ধ্বে। তারপরও কিছুই করার নেই।

 

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইসহাক আলী সরকার বলেন, ওই কার্ডের লেখা বয়স পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জটিলতা আছে। তার স্ত্রীসহ সব সন্তানের আইডি কার্ড, বিবাহ কাবিননামা, এফিডেভিডসহ অনলাইনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে। এর পরও তার বয়স পরিবর্তন যে হবেই তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বাবার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় ছেলে

Update Time : ০৭:২৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাবার চেয়ে ছেলের বয়স ৫ বছর বেশি। নাটোরের গুরুদাসপুরের বৃদ্ধ আবদুল কুদ্দুসের ভোটার আইডি কার্ড থেকে এমন তথ্যই জানা গেছে। তবে এ নিয়ে বেশ বিপদে পড়েছেন ওই বৃদ্ধ। আবদুল কুদ্দুসের বাবার নাম উমেদ আলী আর মায়ের নাম জরিনা বেগম। উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-চাপিলা গ্রামে তার জন্ম। আইডি কার্ডে তার জন্ম তারিখ ১৯ এপ্রিল ১৯৭৪ দেখানো হয়েছে। আর তার ছেলে আবু সাঈদের জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৬৯ সালে।

 

 

বৃহস্পতিবার সকালে আবদুল কুদ্দুস বলেন, দেশ স্বাধীনের সময় তার বড় ছেলে আবু সাঈদের বয়স ছিল ৩ বছর। অর্থাৎ তার জন্ম ১৯৬৯ সালে। বর্তমানে তার বয়স ৫১ বছর। অথচ আইডি কার্ড অনুযায়ী আমার বয়স ৪৬ বছর। এ কারণে আমার বয়স্কভাতা বাতিল হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

 

আবদুল কুদ্দুসের অভিযোগ, ভোটার আইডি কার্ডের এই ভুল নিয়ে তিনি সমাজসেবা দফতর ও নির্বাচন অফিসে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু কোনো সমাধান পাচ্ছেন না।

 

এদিকে আবদুল কুদ্দুসের জন্মসনদে দেখা যায়, তার জন্ম তারিখ ১ জুন ১৯৪৭। জন্মসনদ অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৭৩ বছর। অথচ ভোটার আইডি কার্ডে বয়স এসেছে ৪৬ বছর।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আইডি কার্ড অনুসারে তার বয়স ৪৬ বছর। ৬৫ বছরের নিচে হলে তার বয়স্ক ভাতা কার্ড বাতিল হবে। শারীরিক অবস্থা দেখে বোঝা যায় তার বয়স অন্তত ৭০-এর ঊর্ধ্বে। তারপরও কিছুই করার নেই।

 

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইসহাক আলী সরকার বলেন, ওই কার্ডের লেখা বয়স পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জটিলতা আছে। তার স্ত্রীসহ সব সন্তানের আইডি কার্ড, বিবাহ কাবিননামা, এফিডেভিডসহ অনলাইনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে। এর পরও তার বয়স পরিবর্তন যে হবেই তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ