বাংলা নববর্ষ ১৪২৪। প্রতি বছর ইংরেজি সালের ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করা হয়। বলা হয়ে থাকে এটা বাঙালির প্রাণের উৎসব। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের বাঙালিরা ঘটা করে এ উৎসব পালন করে থাকে। ভারতশাসিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা এবং আসাম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড ও উড়িষ্যার বাংলা ভাষাভাষীরা পয়লা বৈশাখ পালন করে থাকে ১৫ এপ্রিল। আমাদের বঙ্গাব্দ ওদের বঙ্গাব্দে ব্যবধান এত দিনের। বাদশাহ আকবরের অন্যতম সভাসদ পণ্ডিত আমির ফতেহ উল্লাহ সিরাজি হিজরি ৯৯২ ইংরেজি ১৫৮৫ সালে বহুগবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হিজরি সনের চান্দ্র হিসাবের স্থলে সৌর হিসাবকে ভিত্তি করে নতুন তারিখ ই ইলাহি বা ফসলি সনের উদ্ভাবন করেন যা বর্তমানে বাংলা সন হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণ বর্ষকে স্মরণযোগ্য করার জন্য হিজরি ৯৬৩ এবং ইংরেজি ১৫৫৬ সাল থেকে এর গণনা শুরু। রাজকর আদায় সহজতর করা; বিভিন্ন ধরনের সনের প্রচলিত মাস গণনাকে একীভূত করে রাজকার্য পরিচালনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যেই বাদশাহ আকবরের নির্দেশে প্রবর্তিত হয় এ বাংলা সনের।
মঙ্গল শোভাযাত্রার জন্মদাতা হচ্ছে যশোরের ‘চারুপাঠ’ সংগঠন। তারা ২১ ফেব্রুয়ারির আদলে ১৯৮৬ সালে যশোরে এটা চালু করে। শোভাযাত্রার জন্য তারা সারা শহরে আল্পনা আঁকে। তারা অশরীরী আত্মা, বিভিন্ন ধরনের পাখি এবং বাঘের মুখোশ পরা শুরু করে। এই বৈশাখী শোভাযাত্রাই ঢাকার চারুকলায় এসে রূপলাভ করে মঙ্গল শোভাযাত্রায়। শুরুতে তাদের বক্তব্য ছিল এটা শুধু মুসলমান হিন্দু খ্রিষ্টান বা বৌদ্ধদের জন্য নয়, সমাজের সর্বস্তরের জনগণের জন্য। চারুপাঠের সার্বজনীন এ উদ্দেশ্য হাইজ্যাক হয়ে যায় তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিকদের সাংস্কৃতিক সংগঠন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের হাতে। এর উদযাপন হয়ে থাকে রাজনৈতিক সেøাগানের মাধ্যমেÑ পেঁচা, বাদুড়, বাঘ, বানর, হনুমান, গণেশ ও রাক্ষস-খোক্কশসহ বিভিন্ন জন্তুর মুখোশ পরে। বাংলাদেশ অঞ্চলের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, অষ্টম শতক থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত পাল রাজারা এ অঞ্চলে রাজত্ব করেছিলেন। তারা প্রত্যেকেই ছিলেন জন্মগতভাবে এ অঞ্চলেরই সন্তান। ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের হাতেই হয়েছিল সমাজজীবনে বিনয়ের প্রতিষ্ঠা। পাল শাসনামলে তাদের কোনো অনুষ্ঠানের সূচনায় শঙ্খ বা কাঁসার ঘণ্টা বাজানো কিংবা মঙ্গল প্রদীপ জ্বালানোর প্রমাণ মেলে না। অষ্টম নবম শতকে সর্বপ্রথম যে বাংলাদেশী কবির আমরা পরিচয় পাই, তিনি হচ্ছেন সরহপা। তিনি তার দোহাকোষ গীতির ‘ষষ্ঠদর্শন খণ্ডনে’ এই কাঁসার ঘণ্টা, হোম, জাগযজ্ঞ, শঙ্খ ঘণ্টা এসবের বিরুদ্ধে তার বক্তব্য রেখেছেন। অতএব দেখা যায় যে পাল রাজত্ব কালে এসব আচরণকে বিলুপ্ত করা হয়। এ দেশে পালরা প্রায় ৪০০ বছর রাজত্ব করেছে। সরহপার রচনার মধ্যে এবং চর্যাগীতিকায়ই ৪০০ বছরের সমাজজীবনের ইতিহাস বিবৃত হয়েছে। এগুলোর কোনোটিতেই মঙ্গল প্রদীপ, শঙ্খবাদন এবং কাঁসার ঘণ্টার সমর্থন পাওয়া যায় না। সুতরাং এ অঞ্চলের মানুষের জীবনধারার সাথে এগুলো কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
পাল রাজত্বের অবসানের পর দ্বাদশ শতকে বহিরাগত সেনরা এ দেশ তাদের অধিকারে এনেছিল। কর্ণাটকের অধিবাসী সেনরা ছিল কট্টোর ব্রাহ্মণ। এ দেশে এসে এ তস্কররা বৌদ্ধদের নির্বিচারে হত্যা করে এবং বৌদ্ধমন্দিরে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তারা সংস্কৃতকে রাজভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে এবং নতুন করে জাতিভেদ প্রথা চালু করে। এরা সংস্কৃতিকে হিন্দুমন্দিরের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় এবং দেবদেবীর পূজা উপলক্ষে মঙ্গল প্রদীপের প্রবর্তন করে। মন্দিরের মধ্যে হোম ও আরতি হতে থাকে এবং কাঁসার ঘণ্টা প্রবর্তিত হয়। নিঃসন্দেহে বলা চলে, কাঁসার ঘণ্টা ও মঙ্গল প্রদীপ হচ্ছে একটি সাম্প্রদায়িক এবং পূজার সাথে অঙ্গাঙ্গী যুক্ত একটি বিজাতীয় অনুষ্ঠান।
ড. মুহম্মদ এনামুল হক (মুসলিম বাঙলা সাহিত্য) ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরু থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত এ দেশের মুসলিম প্রশাসনকে গ্রহণযোগ্য তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন : ১. তুর্কি আমল : ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রি:, ২. স্বাধীন মুসলিম বাংলা : ১৩৫০ থেকে ১৫৭৫ খ্রি ও ৩. মুঘল আমল : ১৫৭৬ থেকে ১৭৫৭ খ্রি।
সারা মধ্যযুগ ধরে এ দেশে একচ্ছত্র রাজত্ব করেছে ইসলাম। তুর্কি শাসন প্রতিষ্ঠার সাথে সাথেই ব্রাহ্মণ্য শাসনব্যবস্থা লোপ পেল। দেশ থেকে ব্রাহ্মণ্য প্রভাব অপসারিত হতে লাগল। এ ব্রাহ্মণ্য প্রভাবের স্থলাধিকারী হলো ইসলাম। “অস্ত্র বলে নয়, মানবিকতা দিয়েই ইসলাম হয়ে উঠল এ দেশের এক অদম্য ও অপ্রতিরোধ্য শক্তি। ৬০০ বছরের অধিক কাল ধরে এ দেশের প্রশাসনের ভাষা ছিল ফারসি। ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ফারসি রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বহাল থাকায় চিরকাল বাংলা ভাষার ওপরে আরবি ফারসি ভাষার প্রভাব মুদ্রিত হয়ে গেল ব্রাহ্মণগণ প্রথমত ভাষাগ্রন্থ প্রচারের বিরোধী ছিলেন। কৃত্তিবাস ও কালীদাসকে ইহারা ‘সর্বনেশে’ উপাধি প্রদান করিয়াছিলেন এবং অষ্টাদশ পুরাণ অনুবাদকগণের জন্য ইহারা ‘রৌরব’ নামক নরকে স্থান নির্ধারণ করিয়াছিলেন… আমাদের বিশ্বাস, মুসলমান কর্তৃক বঙ্গ বিজয়ই বঙ্গভাষার এই সৌভাগ্যের কারণ হইয়া দাঁড়াইয়া ছিল। মুসলমানগণ ইরান, তুরান প্রভৃতি যে স্থান হইতেই আসুন না কেন, এ দেশে আসিয়া সম্পূর্ণ বাঙালী হইয়া পড়িলেন।’’ (দীনেশচন্দ্র সেন : বঙ্গভাষা ও সাহিত্য) অস্বীকার করার জো নেই, ওই ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে বিংশ শতাব্দীর সর্বশেষ দশক পর্যন্ত ৮০০ বছর ধরে বাঙালি মুসলমানদের সংস্কৃতি তৈরি হয়ে উঠেছে।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন উপলক্ষে মঙ্গল প্রদীপের প্রবর্তন করা হয়েছে এবং দেব-দেবীর পূজার বিধি অনুসারে কাঁসার ঘণ্টারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে, বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এসবের প্রচলন শুরু হয়ে গেছে। প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসানের ভাষায়, ‘‘আমাদের দেশের কিছুসংখ্যক মেরুদণ্ডহীন, পরজীবী এবং ধর্মচেতনাশূন্য এবং ইতিহাস বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞ কিছু মূর্খ লোক এ দেশের কোনো কোনো সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপের আয়োজন করে থাকে এবং কাঁসার ঘণ্টা বাজিয়ে থাকে। আমি সুস্পষ্টভাবে ইতিহাসের ধারা অনুসরণ করে জানাতে চাই যে, মঙ্গল প্রদীপ এবং কাঁসার ঘণ্টা সম্পূর্ণরূপে পৌত্তলিক এবং সাম্প্রদায়িক। তাছাড়া এগুলো কোনোক্রমেই এ অঞ্চলের মানুষের জীবনধারার সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। যারা জান্তব মুখোশ পরে কোনো আনন্দ উৎসব করতে চান, তা তারা করুন। তাদেরকে আমি বাধা দিতে চাচ্ছি না। তবে ইতিহাস অনুসরণ করে যে সত্যটুকু পাওয়া যায় তা হচ্ছে, এ সমস্ত অনুষ্ঠান নি¤œশ্রেণীর হিন্দুদের গাজনের এবং হরি উৎসবের সঙ্গে যুক্ত। গাজনের মেলায় ডোম, মেথর এবং চণ্ডাল শ্রেণীর লোকেরা নানাবিধ বহুরূপী সঙ সেজে তাদের উৎসব করতো। আমাদের মধ্যে কেউ যদি ডোম, মেথর এবং চাড়ালের সংস্কৃতিকে গ্রহণ করতে চান তা তারা নির্বিঘেœ করতে পারেন, আমরা কৃপামিশ্রিত ঘৃণার সঙ্গে তা অবলোকন করবো।’’
(সূত্র : সাপ্তাহিক বিক্রম, বর্ষ ৬, সংখ্যা-১৯, ১৯-২৫ এপ্রিল ’৯৩)
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় প্রথম এ দেশে আসে তুর্কি মুসলমান। ১৩৪২ সালে সুলতান সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ এ অঞ্চলে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিলেন এবং ২৩৪ বছর এ সালতানাত স্বাধীন সার্বভৌম ছিল। দিল্লিকে কোনো ধরনের নজরানা না দিয়েই তিনি দেশ শাসন করতেন। সর্বশেষ স্বাধীন সুলতান ছিলেন সুলতান দাউদ শাহ, ১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই মুঘলদের সাথে লড়াই করে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। এ হচ্ছে স্বাধীন বাংলার ইতিহাস। তার পরের ইতিহাস দখলদারিত্ব আর আধিপত্যের ইতিহাস। নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁ, আলীবর্দী খাঁ, সিরাজউদদৌলার আমলে জগৎশেঠরা ছিল আমাদের খাজাঞ্চি। সিরাজউদদৌলার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে খণ্ডবিখণ্ড ভারত নামে অভিব্যক্তি মিলিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ব্রিটিশ ভারতে রূপান্তরিত হয়। এর আগে ভারত নামে কোনো রাজ্য ছিল না। দীর্ঘ ১৯০ বছরের ব্রিটিশ গোলামির পর আমরা পেয়েছিলাম পাকিস্তান নামক একটি স্বাধীনরাষ্ট্র। ২৩ বছরের মাথায় লাখো মা-বোনের ইজ্জত আর লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা ছিনিয়ে আনলাম স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। বাংলাদেশÑ ভূমিপুত্রদের শাসনে এখন। জাতি হিসেবে আমরা বাঙালি না বাংলাদেশী এ বিতর্ক এখন অহেতুক বাহাস! বাঙালি মুসলমানরাই এখন দেশের শাসন ক্ষমতায়। এখানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। জনগোষ্ঠীর ৯২ ভাগ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। ইসলাম যেহেতু শান্তির ধর্মÑ এখানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা নিরাপদ। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী অথবা নৈরাজ্য সৃষ্টিতে উসকানি দাতারা আস্তিক অথবা নাস্তিক যেই হোক না কেনÑ এরা স্রেফ ক্রিমিনাল! মৌলবাদী-যৌগবাদী এসব শব্দ উসকানিমূলক।
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মমতাবলম্বীদের জীবনাচার, ধর্মীয় মূল্যবোধ, পোশাক-আসাক, খাদ্যাভ্যাস, আচার-আচরণ, সামাজিকতা, ব্যক্তিগত-সামাজিক-অনুষ্ঠানাদি, বচন-বাচন তথা ব্যক্তিগত সামাজিক কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে রাষ্ট্রের ওপর প্রভাব ফেলে। রাষ্ট্র ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর আশা-আকাক্সাকে ধারণ করে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির সোপান রচনা করে। বাঙালি মুসলমানরাই এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। অন্য ধর্মাবলম্বীরা হবে দেশ বিনির্মাণে সহযোদ্ধা।
একুশে ফেব্রুয়ারি ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর পালনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থাকে, জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানাদির সাথে সাথে ‘চেতনা’র বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলন, বিজয় দিবসে এসব কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এসব অনুষ্ঠানাদির সাথে রাজনৈতিক অহেতুক বিতর্ক চলে আসলেও অনুষ্ঠানগুলো জাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ। বাঙালির গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামের শৌর্যবীর্যের এক অকল্পনীয় কাহিনী গাথা।
বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন কি চেতনাহীন? লক্ষ্য উদ্দেশ্যহীনভাবে সপরিবারে রাস্তায় রাস্তায় ঘুড়ে বেড়ানো? পান্তা-ইলিশ খাওয়া, সঙ্গীতের নামে কতগুলো ষাঁড়ের চিৎকার শোনা, শোভাযাত্রার নামে ‘মঙ্গলের’ আরতি? অহেতুক যুবক-যুবতীদের সেজেগুঁজে রাস্তায় রাস্তায় নর্তন-কুর্দন?
পয়লা বৈশাখ তথা নববর্ষের সাথে আমাদের বাঙালি জাতির নাড়ির সম্পর্ক রয়েছে। নির্দোষ উৎসবে কারো অভিযোগ থাকার কথা নয়। তবে, যেহেতু বাঙালিদের ৯২ ভাগ বাঙালি মুসলমান এবং আমাদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতি, তাহজীব-তমদ্দুন, সুদীর্ঘ গৌরবোজ্জ্বল অতীতে আমরা কেন বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটতে দেবো আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুষ্ঠানমালায়। বাঙালি মুসলমানরা তাদের শেকড়ের সন্ধানে নববর্ষ উদযাপনে সবাই শরিক হোক স্বতঃস্ফূর্তভাবেÑ এটাই হওয়া উচিত আমাদের জাতীয় আকাক্সা।
১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা নববর্ষ এবং বাঙালি মুসলমান
- Update Time : ০১:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে





























