১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঁধ দুর্নীতিতে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

  • Update Time : ১২:২৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিক :: পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘বাঁধ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা তদন্ত করছি, কোথায় কখন কি হয়েছে, আমাদের কাছে সম্পূর্ণ তথ্যগুলো আছে। এই তথ্যগুলো নিয়ে আমরা বসব। ইতোমধ্যে দুর্নীতির ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এব্যাপারে কঠোর। তিনিও চান কোন কাজে যেন দুর্নীতি না হয়। দুর্নীতির সঙ্গে যারাই যুক্ত থাকুক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।’
এই দুর্নীতি সাধারণ নয়, এখানে তিন লাখের বেশী কৃষক পরিবার কষ্টের মাঝে আছে। এটা কোনভাবে মেনে নেয়া যায় না।
কথা হচ্ছে গাফিলতি ও দুর্নীতির কারণে যে জিনিসটা হয়েছে এটার ক্ষতিটা কিন্তু অন্যান্য দুর্নীতির ক্ষতির মত সীমিত ক্ষতি নয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যা করার দরকার তাই করব। এখন কিভাবে ভবিষ্যতে এমনটা না হয় সেই চেষ্টা করতে হবে।’
শুক্রবার সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচা হাওর, তাহিরপুর উপজেলার শনির হাওর ও বাঁধ পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘আমি দেখেছি এখানে সাংঘাতিকভাবে ফসলহানি হয়েছে। সব চেয়ে বড়কথা হলো, মানুষের যে দুর্ভোগ সেটা আমরা দেখেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৩০ তারিখ আসছেন। তিনি আগেও বলেছেন উনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় থাকলে কোন মানুষকে না খেয়ে থাকবে না। চালের পাশাপাশি অন্যান্য যেসব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দরকার তার জন্য নগদ কিছু টাকা দেয়া হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত আগামী বোরো ফসল উঠবে না, ততদিনই কৃষকদের সহায়তা করা হবে। তিনি ৩০ তারিখ আসছেন বিস্তারিত বলবেন।’
তিনি আরো বলেন,‘আমাদের চেষ্টা করতে হবে এবং মৎস্য চাষের উপর জোর দিতে হবে। মাছ চাষ করে যাতে কিছু দুঃখ কষ্ট দূর করতে পারে মানুষ সেজন্য আগে থেকেই মাছের পোনা ছেড়ে মাছ বাড়াতে হবে।’
তিনি বলেন,‘আমরা মিথ্যার আশ্রয় নেব না, দুর্নীতি শতভাগ কমানো না গেলেও এটার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার চেষ্টা করবো। প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে সুনামগঞ্জের রক্তি নদী, বৌলাই নদী, যাদুকাটা নদী ও মরা সুরমা নদী খনন করতে হবে। ইতোমধ্যে টেন্ডার করা হয়েছে। এই নদীগুলো খনন দ্রুত করতে হবে। কারণ আগামীতে আগাম বন্যা হতে পারে, আরো বেশীও বন্যা হতে পারে। কিভাবে পানি দ্রুত নেমে যেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। কোন ধান লাগালে আগে পাকে আমরা মানুষকে বলব। আমরা দেখছি বৃষ্টি আগে নেমেছে। আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে দুর্ভোগ কমাতে পারি। ’
তিনি আরো বলেন,‘পিআইসির কাজ ছিল ২০ কোটি টাকার উপরে। ঠিকাদারের যত কাজ হয়েছে, আমরা তার চেয়ে অনেক কম বিল দিয়েছি। গত বার কেউ অভিযোগ করেন নি বা বলেননি পত্রপত্রিকায় লেখা হয়নি, আমি যখন শুনেছি তখনই অর্ধেক টাকা দেইনি। আমরা যদি কোথাও দেখতে পাই, কাজ কম হয়েছে, টাকা বেশী নিয়েছে, তাহলে টাকা উদ্ধার ও শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আমার কাছে অনেক অভিযোগ করা হয়েছে, সবকিছুর তদন্ত হচ্ছে। আমি সহজেই অনেক কথা বলতে পারি, কিন্তু তদন্ত না শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা ঠিক হবে না।’
তিনি বলেন আমি সুনামগঞ্জে এসে শুনেছি,‘ হাওরে যখন জলাবদ্ধতা হয়েছিল তখন একটি বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছে। পানি বাড়ার পর আর কেউ বাঁধ কাটেনি। অনেক এলাকায় কৃষকরা বাঁধের জন্য মাটি দেয়নি। পিআইসি অপেক্ষা করেছে, নদীর পানি কমার পর মাটি তোলার জন্য। বাঁধ কাটার কথা আমি বা সিনিয়র সচিব বলেনি। যিনি ইন্টারভিউ নিয়েছেন, তিনি কথাটা ঘুড়িয়ে অন্যভাবে প্রচার করেছেন। সচিব গত বারের বাঁধ কাটার কথা বলেছেন। আমি কখনও বলিনি এই বছর শনির হাওরের বাঁধ কাটা হয়েছে। আমি বলেছি গত বছর কেটেছে। আমি হিসাবও দিয়ে বলেছি, কৃষকরা তাদের প্রয়োজনে যাতায়াতের জন্য গত বছর ৫১০ টি বাঁধ কেটেছে, ২৭০টি স্থানে স্বাভাবিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেঙেছে। ৪০টি জায়গায় খাল রয়েছে, সেগুলি রক্ষা করা। এবার বাঁধ কাটার কথা কোন দিন বলিনি। আমি সুনামগঞ্জে এসে শুনেছি ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেছেন ‘হাওরের পানি বের করার জন্য একটি জায়গায় বাঁধ কেটেছিল। আমি কোথাও বলিনি এবার বাঁধ কাটা হয়েছে।’
বাঁধের কাজে সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার বিষয়ে একজন সংসদ সদস্যের দাবির কথা জানালে, তিনি বলেন ‘এ বিষয়ে আমরা বিবেচনা করব। যেভাবে করলে কাজটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, সেভাবেই আমরা আগামীতে করব। এর জন্য কোন ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন দরকার হয় আগামী নভেম্বরে আমি সুনামগঞ্জে আসব। এসে কাজ দেখব। আমাদের দেশে যে ধান উৎপাদন হয়, তার ছয়ভাগের একভাগ ধান কিন্তু এই হাওর থেকে হয়। সুতরাং হাওর বাঁচাতে হবে। তার জীববৈচিত্র, প্রতিবেশ, পরিবেশ, হাওরের মানুষ সববিষয়েই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে হাওরের মানুষ যেন এই বিপদে আর না পড়েন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘১৪৫০ কিলোমিটার বাঁধে পিআইসির কাজে ১১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ঠিকাদারের কাজে ৯ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছি। এর বাইরে কোন পয়সা দেওয়া হয়নি।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বীরপ্রতীক, সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমদ খাঁন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বাঁধ দুর্নীতিতে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

Update Time : ১২:২৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিক :: পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘বাঁধ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা তদন্ত করছি, কোথায় কখন কি হয়েছে, আমাদের কাছে সম্পূর্ণ তথ্যগুলো আছে। এই তথ্যগুলো নিয়ে আমরা বসব। ইতোমধ্যে দুর্নীতির ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এব্যাপারে কঠোর। তিনিও চান কোন কাজে যেন দুর্নীতি না হয়। দুর্নীতির সঙ্গে যারাই যুক্ত থাকুক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।’
এই দুর্নীতি সাধারণ নয়, এখানে তিন লাখের বেশী কৃষক পরিবার কষ্টের মাঝে আছে। এটা কোনভাবে মেনে নেয়া যায় না।
কথা হচ্ছে গাফিলতি ও দুর্নীতির কারণে যে জিনিসটা হয়েছে এটার ক্ষতিটা কিন্তু অন্যান্য দুর্নীতির ক্ষতির মত সীমিত ক্ষতি নয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যা করার দরকার তাই করব। এখন কিভাবে ভবিষ্যতে এমনটা না হয় সেই চেষ্টা করতে হবে।’
শুক্রবার সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচা হাওর, তাহিরপুর উপজেলার শনির হাওর ও বাঁধ পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘আমি দেখেছি এখানে সাংঘাতিকভাবে ফসলহানি হয়েছে। সব চেয়ে বড়কথা হলো, মানুষের যে দুর্ভোগ সেটা আমরা দেখেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৩০ তারিখ আসছেন। তিনি আগেও বলেছেন উনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় থাকলে কোন মানুষকে না খেয়ে থাকবে না। চালের পাশাপাশি অন্যান্য যেসব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দরকার তার জন্য নগদ কিছু টাকা দেয়া হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত আগামী বোরো ফসল উঠবে না, ততদিনই কৃষকদের সহায়তা করা হবে। তিনি ৩০ তারিখ আসছেন বিস্তারিত বলবেন।’
তিনি আরো বলেন,‘আমাদের চেষ্টা করতে হবে এবং মৎস্য চাষের উপর জোর দিতে হবে। মাছ চাষ করে যাতে কিছু দুঃখ কষ্ট দূর করতে পারে মানুষ সেজন্য আগে থেকেই মাছের পোনা ছেড়ে মাছ বাড়াতে হবে।’
তিনি বলেন,‘আমরা মিথ্যার আশ্রয় নেব না, দুর্নীতি শতভাগ কমানো না গেলেও এটার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার চেষ্টা করবো। প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে সুনামগঞ্জের রক্তি নদী, বৌলাই নদী, যাদুকাটা নদী ও মরা সুরমা নদী খনন করতে হবে। ইতোমধ্যে টেন্ডার করা হয়েছে। এই নদীগুলো খনন দ্রুত করতে হবে। কারণ আগামীতে আগাম বন্যা হতে পারে, আরো বেশীও বন্যা হতে পারে। কিভাবে পানি দ্রুত নেমে যেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। কোন ধান লাগালে আগে পাকে আমরা মানুষকে বলব। আমরা দেখছি বৃষ্টি আগে নেমেছে। আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে দুর্ভোগ কমাতে পারি। ’
তিনি আরো বলেন,‘পিআইসির কাজ ছিল ২০ কোটি টাকার উপরে। ঠিকাদারের যত কাজ হয়েছে, আমরা তার চেয়ে অনেক কম বিল দিয়েছি। গত বার কেউ অভিযোগ করেন নি বা বলেননি পত্রপত্রিকায় লেখা হয়নি, আমি যখন শুনেছি তখনই অর্ধেক টাকা দেইনি। আমরা যদি কোথাও দেখতে পাই, কাজ কম হয়েছে, টাকা বেশী নিয়েছে, তাহলে টাকা উদ্ধার ও শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আমার কাছে অনেক অভিযোগ করা হয়েছে, সবকিছুর তদন্ত হচ্ছে। আমি সহজেই অনেক কথা বলতে পারি, কিন্তু তদন্ত না শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা ঠিক হবে না।’
তিনি বলেন আমি সুনামগঞ্জে এসে শুনেছি,‘ হাওরে যখন জলাবদ্ধতা হয়েছিল তখন একটি বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছে। পানি বাড়ার পর আর কেউ বাঁধ কাটেনি। অনেক এলাকায় কৃষকরা বাঁধের জন্য মাটি দেয়নি। পিআইসি অপেক্ষা করেছে, নদীর পানি কমার পর মাটি তোলার জন্য। বাঁধ কাটার কথা আমি বা সিনিয়র সচিব বলেনি। যিনি ইন্টারভিউ নিয়েছেন, তিনি কথাটা ঘুড়িয়ে অন্যভাবে প্রচার করেছেন। সচিব গত বারের বাঁধ কাটার কথা বলেছেন। আমি কখনও বলিনি এই বছর শনির হাওরের বাঁধ কাটা হয়েছে। আমি বলেছি গত বছর কেটেছে। আমি হিসাবও দিয়ে বলেছি, কৃষকরা তাদের প্রয়োজনে যাতায়াতের জন্য গত বছর ৫১০ টি বাঁধ কেটেছে, ২৭০টি স্থানে স্বাভাবিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেঙেছে। ৪০টি জায়গায় খাল রয়েছে, সেগুলি রক্ষা করা। এবার বাঁধ কাটার কথা কোন দিন বলিনি। আমি সুনামগঞ্জে এসে শুনেছি ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেছেন ‘হাওরের পানি বের করার জন্য একটি জায়গায় বাঁধ কেটেছিল। আমি কোথাও বলিনি এবার বাঁধ কাটা হয়েছে।’
বাঁধের কাজে সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার বিষয়ে একজন সংসদ সদস্যের দাবির কথা জানালে, তিনি বলেন ‘এ বিষয়ে আমরা বিবেচনা করব। যেভাবে করলে কাজটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, সেভাবেই আমরা আগামীতে করব। এর জন্য কোন ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন দরকার হয় আগামী নভেম্বরে আমি সুনামগঞ্জে আসব। এসে কাজ দেখব। আমাদের দেশে যে ধান উৎপাদন হয়, তার ছয়ভাগের একভাগ ধান কিন্তু এই হাওর থেকে হয়। সুতরাং হাওর বাঁচাতে হবে। তার জীববৈচিত্র, প্রতিবেশ, পরিবেশ, হাওরের মানুষ সববিষয়েই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে হাওরের মানুষ যেন এই বিপদে আর না পড়েন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘১৪৫০ কিলোমিটার বাঁধে পিআইসির কাজে ১১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ঠিকাদারের কাজে ৯ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছি। এর বাইরে কোন পয়সা দেওয়া হয়নি।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বীরপ্রতীক, সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমদ খাঁন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ