বন্যায় কিছুটা খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী
- Update Time : ০৭:৫০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ আগস্ট ২০১৭
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্যের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে, তবে এটা সাময়িক। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আমরা প্রস্তুত আছি। দেশে খাদ্যের সংকট যাতে না হয়, সেজন্য চাল আমদানি করা হচ্ছে। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক ও প্রাণ-আরএফএল-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ও প্রাণ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্যার কারণে দেশে যে বিপত্তি হচ্ছে, তা খুবই সাময়িক। চালের দাম বেড়ে গেছে। এ জন্য সামনে অনেক চাল আমদানি করা হচ্ছে। এতে অনেক ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। তবে দেশের মানুষের জন্য সরকার উচ্চ ব্যয়েই চাল আমদানি করবে। মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্রে ১০-১২ বছর ধরে প্রবৃদ্ধি হলে ওই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। আমরা ৮ বছর ধরে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। আগামী দুই বছর ক্ষমতায় থাকব এবং প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে।
সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন সময়ের অনিয়ম ও খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার ঘটনায় কষ্ট পান বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উন্নতজাতের গাভী পালন ও দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে প্রাণ ডেইরির চুক্তিবদ্ধ খামারিদের সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ দেবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক।
সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফিন্যান্স) উজমা চৌধুরী এবং সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম। একজন খামারিকে জামানতবিহীন ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ দেয়া হবে। এছাড়া জামানতের বিপরীতে তিন লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হবে। এ ঋণ পরিশোধের সময়সীমা হবে তিন থেকে ৫ বছর।
অনুষ্ঠানে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী বলেন, প্রাণ-এর চুক্তিবদ্ধ খামারিদের গাভী ক্রয়, শেড স্থাপন, মিল্কিং মেশিন, চপার মেশিন, দুধবহনের অ্যালুমিনিয়াম ক্যানসহ খামার ব্যবস্থাপনার আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্যে এ ঋণ দেয়া হবে। তিনি বলেন, প্রাণ-এর ৫টি ডেইরি ‘হাব’-এর অধীনে ১১ হাজারের বেশি রেজিস্টার্ড দুগ্ধ খামারি রয়েছেন। এসব খামারির কাছে প্রায় ৫৫ হাজার গবাদি পশু রয়েছে।



















