১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের ব্যাপারে সাধারণ মানুষ সন্দিহান: আরিফ

  • Update Time : ০২:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা চলছে। যদিও সরকার জোর গলায় ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচনের কথা ঘোষণা করছেন বা বারবার বলছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ এ ব্যাপারে সন্দিাহন। তারা তফসিল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এসব কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না। রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আরিফ বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, কানাঘুঁষা আর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নানা দাবি-দাওয়া। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দিহান। আমরা চাই সরকারের ঘোষণা মতই নির্বাচন ফেব্রুয়ার ১২ তারিখেই হোক। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ ওই তারিখে বা ফেব্রুয়ারিতেই যে নির্বাচন হবে- তা বিশ্বাস করতে পারছেন না। কেবলমাত্র তফসিল ঘোষণার পরই তারা তা বিশ্বাস করবেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেখুন অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পর এ সরকার এলেও এখনো ২০১৮ সালের নির্বাচনে যারা প্রিসাইডিং অফিসার বা অন্যান্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা বহাল আছেন। তারাই আগামী নির্বাচনে কাজ করবেন। তাহলে এদের রেখে কিভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে- প্রশ্ন রাখেন সিলেট সিটি কর্র্পোরেশনের সাবেক এ মেয়র। নিজের প্রার্থীতা প্রসঙ্গে তিনি অবশ্য তেমন কিছু বলেন নি। দলের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ১৫ বছর কাজ করেছি। এমনকি কারাগারেও আমাকে থাকতে হয়েছে। আজও মিথ্যা মামলার ঘানি টানছি। আরিফ বলেন, সিলেটের মানুষের আশা আকাংখা প্রত্যাশা সম্পর্কে আমি জানি। যখন নির্বাচনে আমি ঠিকমতো এজেন্টও দিতে পারেনি, মাত্র দুই বা আড়ই ঘন্টা ফেয়ার ইলেকশন হয়েছে, তখন এই নগরীর মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। আমি আমার দলীয় নির্বাচন বোর্ডে বিষয়গুলো তুলে ধরে সিলেট-১ আসনে জন্য মনোনয়ন চাইতে পারি। তখন দল যে সিদ্ধান্ত দিবে আমি তা মেনে নিবো। তবে তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করেও বলেছেন, এবারের প্রার্থী মনোনয়নে দলকে জনগনের পাল্স বুঝতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের আশা-প্রত্যাশানুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন করতে না পারলে কিন্তু নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়াও তিনি সিলেট-১ আসনে বা সিলেটের কোনো একটা আসনে আবারও বিএনপির ভারপ্রপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেই প্রার্থী হিসাবে চেয়েছেন। বলেছেন, আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বলতে গেলে নেই। তাই আমরা কাংখিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। তিনি সিলেটের কোনো একটা আসন থেকে নির্বাচন করলে আমরা সবাই মিলে কাজ করে তাকে জয়যুক্ত করবো। তিনি এখান থেকে নির্বাচিত হলে সিলেটের সবগুলো আসনেরই উন্নয়ন হবে বলে আমি মনে করি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের ব্যাপারে সাধারণ মানুষ সন্দিহান: আরিফ

Update Time : ০২:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা চলছে। যদিও সরকার জোর গলায় ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচনের কথা ঘোষণা করছেন বা বারবার বলছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ এ ব্যাপারে সন্দিাহন। তারা তফসিল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এসব কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না। রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আরিফ বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, কানাঘুঁষা আর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নানা দাবি-দাওয়া। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দিহান। আমরা চাই সরকারের ঘোষণা মতই নির্বাচন ফেব্রুয়ার ১২ তারিখেই হোক। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ ওই তারিখে বা ফেব্রুয়ারিতেই যে নির্বাচন হবে- তা বিশ্বাস করতে পারছেন না। কেবলমাত্র তফসিল ঘোষণার পরই তারা তা বিশ্বাস করবেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেখুন অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পর এ সরকার এলেও এখনো ২০১৮ সালের নির্বাচনে যারা প্রিসাইডিং অফিসার বা অন্যান্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা বহাল আছেন। তারাই আগামী নির্বাচনে কাজ করবেন। তাহলে এদের রেখে কিভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে- প্রশ্ন রাখেন সিলেট সিটি কর্র্পোরেশনের সাবেক এ মেয়র। নিজের প্রার্থীতা প্রসঙ্গে তিনি অবশ্য তেমন কিছু বলেন নি। দলের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ১৫ বছর কাজ করেছি। এমনকি কারাগারেও আমাকে থাকতে হয়েছে। আজও মিথ্যা মামলার ঘানি টানছি। আরিফ বলেন, সিলেটের মানুষের আশা আকাংখা প্রত্যাশা সম্পর্কে আমি জানি। যখন নির্বাচনে আমি ঠিকমতো এজেন্টও দিতে পারেনি, মাত্র দুই বা আড়ই ঘন্টা ফেয়ার ইলেকশন হয়েছে, তখন এই নগরীর মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। আমি আমার দলীয় নির্বাচন বোর্ডে বিষয়গুলো তুলে ধরে সিলেট-১ আসনে জন্য মনোনয়ন চাইতে পারি। তখন দল যে সিদ্ধান্ত দিবে আমি তা মেনে নিবো। তবে তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করেও বলেছেন, এবারের প্রার্থী মনোনয়নে দলকে জনগনের পাল্স বুঝতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের আশা-প্রত্যাশানুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন করতে না পারলে কিন্তু নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়াও তিনি সিলেট-১ আসনে বা সিলেটের কোনো একটা আসনে আবারও বিএনপির ভারপ্রপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেই প্রার্থী হিসাবে চেয়েছেন। বলেছেন, আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বলতে গেলে নেই। তাই আমরা কাংখিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। তিনি সিলেটের কোনো একটা আসন থেকে নির্বাচন করলে আমরা সবাই মিলে কাজ করে তাকে জয়যুক্ত করবো। তিনি এখান থেকে নির্বাচিত হলে সিলেটের সবগুলো আসনেরই উন্নয়ন হবে বলে আমি মনে করি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ