০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকাকে হারানোর শঙ্কা, থানা হেফাজতেই কিশোরের আত্মহত্যার চেষ্টা

  • Update Time : ০৩:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

{"msource":{"from":"blank"},"tools_used":{"crop":0,"free_crop":0,"shape_crop":0,"selection":0,"clone":0,"motion":0,"stretch":0,"curves":0,"adjust":0,"enhance":0,"resize":0,"flip_rotate":0},"total_effects_time":0,"total_editor_time":73115,"total_drawing_time":550,"total_effects_actions":0,"effects_applied":0,"total_editor_actions":{"frame":0,"mask":0,"sticker":0,"clipart":0,"lensflare":0,"callout":0,"border":0,"text":1,"shape_mask":0},"draw":{"layers_used":2,"total_draw_actions":9},"photos_added":0}

ডেস্ক রিপোর্ট :: সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন। কিন্তু অপরিণত বয়সে জড়িয়ে পড়েন গভীর প্রেমের সম্পর্কে। শুধু তাই নয়, প্রেমের পাঠ চুকিয়ে গেল বুধবার সমবয়সী চাচাতো বোনকে নিয়ে পালিয়ে যায় ১৭ বছর বয়সী ওই তরুণ। গত বৃহস্পতিবার এফিডেভিড করে তারা বিয়ের কাজও সম্পন্ন করে। তারপর বউ নিয়ে বাড়ি ফিরে ওই তরুণ। এদিকে মেয়ের বাবা ২৮ মে পঞ্চগড় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে তার সূত্র ধরেই রবিবার দুপুরে ছেলের বাড়ি থেকে ছেলে-মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের পৃথক দুই কক্ষে রাখা হয় দুজনকে। বিকেলে প্রেমিকাকে হারানোর শঙ্কায় ওই কিশোর ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে কক্ষটির জানালার পর্দা খুলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি দেখামাত্রই পুলিশ দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে সে এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার নায়কের বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভার তুলারডাঙ্গা এলাকায় আর তার প্রেমিকার বাড়ি একই উপজেলার সাড়ে ৯ মাইল এলাকায়। তাদের বাবারা সম্পর্কে মামাতো-ফুপাতো ভাই। ছেলের বাবা জানায়, মেয়ের বাবা সম্পর্কে ভাই হলেও তারা তাদের তুলনায় সম্পদশালী হওয়ায় বিয়েটি তারা মেনে নিতে পারছিল না। এদিকে ছেলে-মেয়ে একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচবে না। তাদের ধারণা ছিল মেয়েকে বুঝিয়ে বাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু থানায় জিডি করায় ছেলে মেয়েকে থানায় ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই তার ছেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, ছেলে ও মেয়ে দুজনেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক। মেয়ের বাবা সাধারণ ডায়েরি করায় আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি এবং ছেলেকেও আটক করে থানায় নিয়ে আসি। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সমঝোতা করে নিজ নিজ সন্তানকে নিজ দায়িত্বে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজি হয়। সমঝোতার বিষয়টি লেখালেখির সময়েই ওই তরুণ আত্মহত্যার চেষ্টা করে তবে আমাদের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গেই দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা হয়। এখন ছেলে ও মেয়েকে তাদের বাবার জিম্মায় দেওয়া হবে। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রেজওয়ানুল্লাহ বলেন, আমরা ওই কিশোর বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। সে হয়তো মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। তার গলায় তেমন আঘাতের চিহ্ন ছিল না। আমরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রেমিকাকে হারানোর শঙ্কা, থানা হেফাজতেই কিশোরের আত্মহত্যার চেষ্টা

Update Time : ০৩:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন। কিন্তু অপরিণত বয়সে জড়িয়ে পড়েন গভীর প্রেমের সম্পর্কে। শুধু তাই নয়, প্রেমের পাঠ চুকিয়ে গেল বুধবার সমবয়সী চাচাতো বোনকে নিয়ে পালিয়ে যায় ১৭ বছর বয়সী ওই তরুণ। গত বৃহস্পতিবার এফিডেভিড করে তারা বিয়ের কাজও সম্পন্ন করে। তারপর বউ নিয়ে বাড়ি ফিরে ওই তরুণ। এদিকে মেয়ের বাবা ২৮ মে পঞ্চগড় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে তার সূত্র ধরেই রবিবার দুপুরে ছেলের বাড়ি থেকে ছেলে-মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের পৃথক দুই কক্ষে রাখা হয় দুজনকে। বিকেলে প্রেমিকাকে হারানোর শঙ্কায় ওই কিশোর ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে কক্ষটির জানালার পর্দা খুলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি দেখামাত্রই পুলিশ দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে সে এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার নায়কের বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভার তুলারডাঙ্গা এলাকায় আর তার প্রেমিকার বাড়ি একই উপজেলার সাড়ে ৯ মাইল এলাকায়। তাদের বাবারা সম্পর্কে মামাতো-ফুপাতো ভাই। ছেলের বাবা জানায়, মেয়ের বাবা সম্পর্কে ভাই হলেও তারা তাদের তুলনায় সম্পদশালী হওয়ায় বিয়েটি তারা মেনে নিতে পারছিল না। এদিকে ছেলে-মেয়ে একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচবে না। তাদের ধারণা ছিল মেয়েকে বুঝিয়ে বাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু থানায় জিডি করায় ছেলে মেয়েকে থানায় ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই তার ছেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, ছেলে ও মেয়ে দুজনেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক। মেয়ের বাবা সাধারণ ডায়েরি করায় আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি এবং ছেলেকেও আটক করে থানায় নিয়ে আসি। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সমঝোতা করে নিজ নিজ সন্তানকে নিজ দায়িত্বে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজি হয়। সমঝোতার বিষয়টি লেখালেখির সময়েই ওই তরুণ আত্মহত্যার চেষ্টা করে তবে আমাদের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গেই দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা হয়। এখন ছেলে ও মেয়েকে তাদের বাবার জিম্মায় দেওয়া হবে। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রেজওয়ানুল্লাহ বলেন, আমরা ওই কিশোর বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। সে হয়তো মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। তার গলায় তেমন আঘাতের চিহ্ন ছিল না। আমরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ