প্রিয় অনুভূতির নাম ডন সামাদ
- Update Time : ০১:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মনজুর আজাদ পাভেল :
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ ভাইয়ের বক্তব্যের কথা কি মনে আছে? হৃদয়ে ঝড় তোলা সেই বক্তব্যের কিছু অংশ তুলে ধরলাম “ আমাদের রক্ত খাঁটি। আমাদের রক্ত পরিক্ষিত। এই আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ কে একটা দল ভাবি না। আওয়ামী লীগ কে ভাবি একটা অনুভূতি। একটা অনুভূতির নাম হলো আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর রক্ত, জাতীয় চার নেতার রক্ত, হাজার হাজার আওয়ামী লীগার এর মৃত্যুতে, আন্দোলন-সংগ্রামে যে অনুভুতির জন্ম হয়েছে তার নাম আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বাংলাদেশ একদিন সোনার বাংলা হবে। পৃথিবীর কোন শক্তি নেই ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ কে স্তব্ধ করতে পারে। আওয়ামী লীগের ঘরে আমার জন্ম। আওয়ামী লীগ যখন ব্যাথা পায় আমারও কিন্তু হৃদয়ে ব্যাথা লাগে। আওয়ামী লীগের একটা কর্মিও যদি ব্যাথা পায় আমিও সে ব্যাথা ভোগ করি। কিভাবে? আপনারা যারা এখানে এসেছেন আপনার রক্ত, আমার রক্ত-আমি সেই একই রক্ত। কোন দ্বিধা নাই, কোন বিভক্তি নাই। যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমান আওয়ামী লীগ অনেক বেশী শক্তিশালী। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যে আত্নত্যাগ স্বীকার করেছে,পৃথিবীতে অন্য কোন রাজনৈতীক দল এ রকম আত্নত্যাগ স্বীকার করে নাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ কে রুখতে পাড়ে এ রকম শক্তি পৃথিবীর কোথাও নাই। আমাদের সবার স্পন্দন এক। আর সেই স্পন্দন হলো “বঙ্গবন্ধু”।”
সৈয়দ আশরাফ ভাই, আপনার মতো আজিজুস সামাদ আজাদ ডন প্রয়াত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ আজাদের রক্তের উত্তরাধিকার। এ রক্ত বেঈমানী করতে পারে না, এ রক্ত খাঁটি। এ রক্ত পরিক্ষিত। এই রক্ত থেকে যে স্পন্দন শুনতে পাই তা হলো “বঙ্গবন্ধু”। এ রক্ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার কথা বলে, জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে রোদ, বৃষ্টি, ঝড় মাথায় নিয়ে ছুটে চলে অবিরাম। ক্লান্তিহীন আদর্শের ফেরিওয়ালা সব বয়সের মানুষকে নিয়ে গড়তে চায় শান্তির পৃথিবী, ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত, শিক্ষিত সমাজ।
জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বার্তা নিয়ে আদর্শের ফেরিওয়ালা এই মানুষটি যখন হাজির হন সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে তখন আর্শ্চয্য রকম ভালোলাগা দেখতে পাই সর্বসাধারণের মধ্যে। পরম মমতায় কেউ নাকে নাক ঘষে আদর করছেন, কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে দোয়া করছেন, কেউ পরম যতেœ বুক পাঁজরে জড়িয়ে ধরছেন, কেউ হনহন করে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে প্রবল বেগে হেঁটে চলছেন। শিশুরা ঘিরে ধরে খেলা শুরু করছে, হৈ হুল্লোড়ে মাতিয়ে রাখছে পুরো মাঠ, অবুঝ বাচ্চারা আশ্রয় নিচ্ছে মমতামাখা কোলে, এ যেন নির্ভরতার শ্রেষ্ঠতম জায়গা। যখন, যেখানে হাজির হচ্ছেন , যে সময় হাজির হচ্ছেন অমনি জনতার ঢল নামে, কখনো কখনো রুপ নেয় জনস্রােতে। এ যে ভালোবাসার, আবেগের নাম। আন্দোলন-সংগ্রামে, হাজার নেতাকর্মীর আত্নত্যাগে যে অনুভূতির জন্ম হয়েছে, যে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে সেই আওয়ামী লীগের সত্যিকারের ধারক এবং বাহক যে আজিজুস সামাদ ডন। তাঁর মায়ার বাঁধনে সবাই বন্দী। নিত্য নতুন মায়ার জালে আবদ্ধ করে চলেছেন জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জের সর্বসাধারণকে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশে নৌকা মার্কার এ কান্ডারী ধীরে ধীরে পরিনত হচ্ছেন জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জের মানুষের অনুভূতিতে। তাদের কন্ঠে এখন বারবার উচ্চারিত হয় – বঙ্গবন্ধুর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা, স্বাধীনতার নৌকা, বাংলাদেশের নৌকা, সামাদ আজাদের নৌকা, ডন সামাদের নৌকা।
অবহেলিত হাওর অঞ্চলের প্রিয় নাম -ডন সামাদ।
ভালোবাসার নাম -ডন সামাদ।
প্রিয় অনুভূতির নাম – ডন সামাদ।
লেখক: সাবকে ছাত্রনতো, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজলো।



















