প্রসঙ্গঃ ঈমানী চেতনায় নবী প্রেম- মোঃ মিজানুর রহমান মিজান
- Update Time : ০৫:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০১৯
- / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মহান আল্লাহতায়ালা সৃষ্টিজগতের সূচনালগ্ন থেকে আমাদেরকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করতে অসংখ্য নবী- রাসুল প্রেরণ করেছেন। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সৃষ্টির প্রথম এবং শেষ। আমাদের প্রিয় নবী ছাড়াও আল্লাহর প্রেরিত সকল নবীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা সকল মুমিন মুসলমানের জন্য ফরজ। এমন কোনো কথা বলা বা কাজ না করা, যা দ্বারা কোনো নবীর প্রতি অসম্মান, তাচ্ছিল্য ভাব ফুটে উঠে, যদিও তাতে অসম্মানের নিয়ত থাকে না। চর্ম রোগকে আমরা অনেকেই দাউদ রোগ বলে থাকি, যা দ্বারা নবী হযরত দাউদ (আ.) কে অসম্মান করা হয়। বাচ্চাকে প্রস্রাব করানোর সময় অনেকেই শিস কর বলে থাকেন। তাছাড়া বয়স্কদের অনেকেই কৌতূহলবশত প্রস্রাব করাকে শিস করা বলে থাকেন, যা দ্বারা হযরত শিস (আ.) কে অসম্মান করা হয়। চর্ম রোগকে ‘দাউদ’বলা, প্রস্রাব করানো বা করাকে ‘শিস’ বলার সূচনাটা সম্ভবত কোনো অমুসলিমের দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল মুমিন মুসলমানের ঈমানী চেতনাকে বিনষ্ট করার হীন উদ্দেশ্যে, আর আমরা সরলতায় বিধর্মীদের কুটচাল না বুঝে ঈমানী চেতনাকে বিসর্জন দিয়ে ওই শব্দগুলো অহরহ ব্যবহার করছি, যা দেখে হয়ত বিধর্মীরা আনন্দ উল্লাস করছে। তাই নবী প্রেমে উদ্ভাসিত হয়ে ঐ সমস্ত শব্দ ব্যবহার করা থেকে আমাদের সকলকে বিরত থাকা একান্ত জরুরি। মহান আল্লাহ যেন আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করেন, আমীন। লেখকঃ শিক্ষক ও কলামিষ্ট।

























