১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই!

  • Update Time : ০৪:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকৃত ওই ১৭টি স্বর্ণের বারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন ভদ্রা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ জানায়, স্বর্ণের বারগুলি রাজশাহীর সাহেব বাজার স্বর্ণ পট্টির লায়লা জুয়েলার্সের মালিক মানিকের কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার (আরএমপি) আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি কিছুটা রহস্যজনক। প্রকৃত অর্থে কি ঘটেছে সেটা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশেপাশের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।

 

পুলিশ ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, জিতেন ধর ও তার ভাই ধীরেন ধর এসব সোনার বার চট্টগ্রাম থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি কোচে ফেনীতে উঠে রাজশাহীর পুঠিয়ায় আসেন সোমবার সকালে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জিতেন ধর জানান, রোববার রাতে ফেনী থেকে ১৭টি স্বর্ণের বার নিয়ে তিনি প্রথমে রাজশাহীর পুঠিয়ায় গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে তিনি ও তার ভাই ধীরেন ধরকে সঙ্গে নিয়ে পুঠিয়া থেকে রজনীগন্ধা নামের একটি লোকাল যাত্রীবাসে চড়ে রাজশাহী নগরীর ভদ্রা মোড়ে নামেন। সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বাস থেকে নেমে দুই ভাই সোনার বারগুলি নিয়ে জুয়েলার্স মালিক মানিক মিয়ার বালিয়াপুকুরের বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় শুভ পেট্রল পাম্পের কাছে মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন যুবক পুলিশ পরিচয়ে ধীরেন ধরকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার কাছে থাকা ১৭টি বার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এক একটি বারের ওজন ১০ ভরি করে সর্বমোট ১৭০ ভরি সোনা ছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, ছিনতাই হওয়া সোনার বারগুলির বর্তমান বাজারমূল্য এক কোটি ১৯ লাখ টাকা।

 

এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনার কিছু সময় পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিতেন ধরকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনা সকালের তবে তারা অভিযোগ পেয়েছেন সাড়ে ৩টার দিকে। পুলিশ খুবই গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটি অনুসন্ধান করছে।

 

তিনি বলেন, যেখানে সোনার বার ছিনতাইয়ের কথা বলা হচ্ছে সেখানকার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। কম বয়সী কয়েকটি ছেলে মোটরসাইকেলে এসে ব্যাগ কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে-এমনটা দেখা যাচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। তবে দ্রুতই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই!

Update Time : ০৪:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকৃত ওই ১৭টি স্বর্ণের বারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন ভদ্রা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ জানায়, স্বর্ণের বারগুলি রাজশাহীর সাহেব বাজার স্বর্ণ পট্টির লায়লা জুয়েলার্সের মালিক মানিকের কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার (আরএমপি) আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি কিছুটা রহস্যজনক। প্রকৃত অর্থে কি ঘটেছে সেটা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশেপাশের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।

 

পুলিশ ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, জিতেন ধর ও তার ভাই ধীরেন ধর এসব সোনার বার চট্টগ্রাম থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি কোচে ফেনীতে উঠে রাজশাহীর পুঠিয়ায় আসেন সোমবার সকালে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জিতেন ধর জানান, রোববার রাতে ফেনী থেকে ১৭টি স্বর্ণের বার নিয়ে তিনি প্রথমে রাজশাহীর পুঠিয়ায় গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে তিনি ও তার ভাই ধীরেন ধরকে সঙ্গে নিয়ে পুঠিয়া থেকে রজনীগন্ধা নামের একটি লোকাল যাত্রীবাসে চড়ে রাজশাহী নগরীর ভদ্রা মোড়ে নামেন। সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বাস থেকে নেমে দুই ভাই সোনার বারগুলি নিয়ে জুয়েলার্স মালিক মানিক মিয়ার বালিয়াপুকুরের বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় শুভ পেট্রল পাম্পের কাছে মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন যুবক পুলিশ পরিচয়ে ধীরেন ধরকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার কাছে থাকা ১৭টি বার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এক একটি বারের ওজন ১০ ভরি করে সর্বমোট ১৭০ ভরি সোনা ছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, ছিনতাই হওয়া সোনার বারগুলির বর্তমান বাজারমূল্য এক কোটি ১৯ লাখ টাকা।

 

এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনার কিছু সময় পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিতেন ধরকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনা সকালের তবে তারা অভিযোগ পেয়েছেন সাড়ে ৩টার দিকে। পুলিশ খুবই গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটি অনুসন্ধান করছে।

 

তিনি বলেন, যেখানে সোনার বার ছিনতাইয়ের কথা বলা হচ্ছে সেখানকার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। কম বয়সী কয়েকটি ছেলে মোটরসাইকেলে এসে ব্যাগ কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে-এমনটা দেখা যাচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। তবে দ্রুতই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ