পথ শিশুর আর্তনাদ
- Update Time : ০২:০০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০১৭
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
শেখ রিপন
রেলস্টেশনে-বাসস্টেশনে-শহরের
অলি গলিতে পথ শিশুদের, বিশুদ্ধ প্রাণের হাহাকার।
রোদ,বৃষ্টি,শীতে সারাবেলা রাস্তা ঘাটে নিত্য আয়োজন,
বস্তায় বন্দী থাকে বোতল আর নিত্য সামগ্রী।
অসহায় সমাজের সুবিধা বঞ্চিত পথ শিশুদের,
ও পথেই যে শেষ আশ্রয়।
সূর্যদয়ের শুরুতেই স্বপ্ন বিলাসিতা শ্রাবণের,বৃষ্টিপাতে ঠাঁইটুকু কেড়ে নেয়।
অসুস্থ বাবা-মায়ের ঔষধ,খাদ্য যোগাবেই বলে নিত্য দিনের সংগ্রামে।
মানুষের ধারে ধারে রাস্তার পাড়ে পাড়ে দশ-পাঁচ টাকা পেয়ে অনেক খুশি বাড় ভয়তে দিলে।
পার্কে-রাস্তায়-গাড়ির পিছু,পিছু তিন-পাঁচ টাকার ফুল কিনে কর ধন্য বিশুদ্ধ জলের কান্না কর হাসি!
নিত্য দিনের সংগ্রামে অসুস্থ বাবা-মায়ের মুখে জুটে আহার, আহা কি বঞ্চনা-লাঞ্চনা গরিবের তরে সবই যেন খোদার দান।
বিশুদ্ধ জলের হাহাকার করে নাও ধনীর তরে’
খিদের জ্বালা ধনীরা কি কবু বুজে সুবিধা বঞ্চিত পথ শিশুদের হাহাকার।
বঞ্চিতদের বেশে থাকলে হাহাকার কি তারা বুঝে।
কারও জন্ম রাজ প্রসাদে কারও রাস্তায় সবই যেন খোদার ইচ্ছায়!
পথ শিশুদের পাশেই যেন থাকি মোরা আশার আলো হয়ে।
আর্তনাদে কান্না করে কত যে সুবিধা বঞ্চিত পথ শিশু,আর্তচিৎকারে শুনেছি কান্নার আওয়াজ রাস্তার পাশেই।
সবার হৃদয়ে নাহি ধরে,আমি বেকুল আর্তনাদ
দেখে।
বেকুল আবেগে আমি নাহি থাকি বঞ্চিত মানুষের পাশে।
মানুষের তরে যেন তেকে আমি মৃত্যু বরণ করি।
মানুষ মানুষের জন্য থাক যেন সকল বিভেদ ভুলে।
উঁচু,নিচু নাহি কেহ ধরে পাশাপাশি থাকি সকল, সকলের তরে।



















