১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন একমাস পেছানোর দাবি করছেন সংবাদ সম্মেলন করে ২৩ দল

  • Update Time : ০৪:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আসন্ন জাতীয় জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন একমাস পেছানোর দাবি জানিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০দল। এ ছাড়া জোটের শীর্ষ দল বিএনপি সাতটি শরিক দলকে ধানের শীষ প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিতে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। গতকাল বেলা সাড়ে ১২টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক দল এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এ কথা জানান। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা আছে বলে আমরা ২০দলীয় জোট প্রতিকূলতার মধ্যেও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকারের অনাচার, অবিচার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের জবাব দিতে জনগণ প্রস্তুত হয়ে আছে। দলীয় গুণ্ডা-পাণ্ডা এবং দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেয়া ব্যক্তিদের ভয়ে ভীত নয় জনগণ।

 

 

তারা জানে, নির্বাচনে পরাজয়ের পর এসব দুর্নীতিবাজ অত্যাচারিদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ কারণেই এত প্রতিকূলতার মধ্যেও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কর্নেল (অব.) অলি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আমাদের নির্বাচনী সমঝোতা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সরকারের দুর্নীতি, অনাচার, অত্যাচারসহ রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় সীমাহীন ব্যর্থতার জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দেয়ার সুযোগ জনগণকে দেয়া উচিত বলে মনে করি। আর সেই কারণেই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। কর্নেল (অব.) অলি বলেন, আমরা দাবি করছি, অনিবার্য জনরোষ থেকে বাঁচার জন্য সরকার দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না। সংসদ ভেঙে দিয়ে লেভেল ফিল্ড নিশ্চিত করবেন।

 

 

অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে কমিশন সরকারের প্রভাবমুক্ত থেকে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার-হয়রানি করবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গেও ২০দলের সমঝোতা হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। ২০ দলের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের অামীর অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক আবদুল হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের এমএ রকীব, কল্যাণ পার্টির মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, জাতীয় পার্টি (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, জাগপার তাসমিয়া প্রধান, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, ইসলামিক পার্টির আবু তাহের চৌধুরী, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপিবির রিটা রহমান, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

নির্বাচন একমাস পেছানোর দাবি করছেন সংবাদ সম্মেলন করে ২৩ দল

Update Time : ০৪:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: আসন্ন জাতীয় জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন একমাস পেছানোর দাবি জানিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০দল। এ ছাড়া জোটের শীর্ষ দল বিএনপি সাতটি শরিক দলকে ধানের শীষ প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিতে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। গতকাল বেলা সাড়ে ১২টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক দল এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম এ কথা জানান। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা আছে বলে আমরা ২০দলীয় জোট প্রতিকূলতার মধ্যেও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকারের অনাচার, অবিচার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের জবাব দিতে জনগণ প্রস্তুত হয়ে আছে। দলীয় গুণ্ডা-পাণ্ডা এবং দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেয়া ব্যক্তিদের ভয়ে ভীত নয় জনগণ।

 

 

তারা জানে, নির্বাচনে পরাজয়ের পর এসব দুর্নীতিবাজ অত্যাচারিদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ কারণেই এত প্রতিকূলতার মধ্যেও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কর্নেল (অব.) অলি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আমাদের নির্বাচনী সমঝোতা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, সরকারের দুর্নীতি, অনাচার, অত্যাচারসহ রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় সীমাহীন ব্যর্থতার জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দেয়ার সুযোগ জনগণকে দেয়া উচিত বলে মনে করি। আর সেই কারণেই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। কর্নেল (অব.) অলি বলেন, আমরা দাবি করছি, অনিবার্য জনরোষ থেকে বাঁচার জন্য সরকার দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না। সংসদ ভেঙে দিয়ে লেভেল ফিল্ড নিশ্চিত করবেন।

 

 

অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে কমিশন সরকারের প্রভাবমুক্ত থেকে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার-হয়রানি করবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গেও ২০দলের সমঝোতা হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। ২০ দলের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের অামীর অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক আবদুল হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের এমএ রকীব, কল্যাণ পার্টির মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, জাতীয় পার্টি (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, জাগপার তাসমিয়া প্রধান, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, ইসলামিক পার্টির আবু তাহের চৌধুরী, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপিবির রিটা রহমান, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ