নারায়ণগঞ্জে হকাররা বসবেন ৪ সড়কে
- Update Time : ০১:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: অবশেষে নারায়ণগঞ্জের চারটি সড়কে সাময়িকভাবে হকার বসার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়ক-এ কোনো হকার বসতে পারবে না। যে ৪টি সড়কে হকার বসতে পারবে তা হলো সিরাজউদ্দৌলা সড়ক, সলিমুল্লাহ সড়ক, চেম্বার রোড ও খানপুর হাসপাতালের সামনের সড়ক। বুধবার জেলার পুলিশ সুপার মঈনুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত হকাররা এসব স্থানে কেনাবেচা করতে পারবেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, বুধবার দুপুরে সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেনের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশ সুপার মঈনুল হক আরো জানান, সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে মিটিংয়ে হকারদের বসার স্থানের বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। এসময় মেয়র আইভী জানান, নগরীর প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়ক ছাড়া অন্য সড়কে হকার বসলে সিটি করপোরেশনের কোনও আপত্তি নেই। সাময়িক সময়ের জন্য হকারদের শীতের কাপড় বেচাকেনার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
হকার্স আন্দোলনের নেতা ও কমিউনিস্ট পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি হাফিজুল ইসলাম জানান, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া হকার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জেলা প্রশাসক জানান, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে- বৃহস্পতিবার (আজ)বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়ক ছাড়া চেম্বার রোড, কালিবাজার সিরাউদ্দৌলা সড়ক, সলিমুল্লাহ সড়ক ও খানপুর হাসপাতালের সামনের সড়কে হকার বসতে পারবে। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখ পর্যন্ত সাময়িকভাবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
উল্লেখ্য, ফুটপাতে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় মেয়র আইভী, সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। এদিন দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনায় পুরো এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।



















