০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবীগঞ্জে প্রেমিক- প্রেমিকার ৩ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে

  • Update Time : ০১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে প্রেমের টানে বাড়ি ছেড়ে প্রেমিক- প্রেমিকার তিন লাখ টাকার কাবিননামার মাধ্যেমে বিয়ে সম্পন্ন।

 

নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া (বাঁশডর) গ্রামের মাষ্টার আবুল কাশেমের মেয়ে জুলফা (১৮) প্রতিবেশী রানা (২২)র সাথে প্রেমের টানে ১৩ অাগস্ট বাড়ি ছাড়ে পালিয়ে বিয়ে করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

জানাগেছে, জুলফা ও রানার মধ্যে প্রায় ২ বছর ধরে গভীর প্রেম- ভালবাসা চলছে। এক পর্যায়ে তাদের এই সম্পর্ক দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে রানার পরিবার থেকে বিয়ের প্রস্তাব- আলাপ দেওয়া হয় জুলফার পরিবারের কাছে। এতে জুলফার পিতা কাশেম মাষ্টার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং নিজের মেয়েকে মারধর করেন। কিছুদিন পর জুলফাকে অন্যতায় বিয়ে দিতে চাইলে জুলফা সে বিয়েতে রাজি হয়নি, এক পর্যায়ে জুলফা তাহার পিতাকে বলে অামি রানা ছাড়া অন্য কারো সাথে বিয়েতে রাজি হবনা। জুলফার পিতা রানার কাছে বিয়ে দিবনা বলে মেয়েকে বকাবকি ও মারধর করেন। মারধরের কারনে শেষ পর্যায়ে জুলফা তার প্রেমিক রানার হাত ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে হবিগঞ্জ জেলা কোর্টে গিয়ে (এভিডেভিড)এর মাধ্যমে প্রেমিক রানার সাথে বিয়ে হয়।

 

জানাগেছে, ১৫ অাগস্ট তিন লাখ টাকার দেন মোহর (কাবিন)এর মাধ্যেমে হবিগঞ্জ কোর্টে রানা ও জুলফার বিয়ে সম্পন্ন হয়।

 

এদিকে জুলফার পিতা কাশেম মাষ্টার নবীগঞ্জ থানায় রানা ও তার পরিবার-অাত্মিয়স্বজনের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক নারী ও শিশু নির্যান অাইনে ২৫জনকে অাসামী করে ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৪১ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।

 

নবীগঞ্জ থানার এসঅাই সমিরন দাস মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং প্রেমিক- প্রেমিকা জুলফা ও রানাকে উদ্ধারের চেষ্ঠা চলছে বলে জানান

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

নবীগঞ্জে প্রেমিক- প্রেমিকার ৩ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে

Update Time : ০১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে প্রেমের টানে বাড়ি ছেড়ে প্রেমিক- প্রেমিকার তিন লাখ টাকার কাবিননামার মাধ্যেমে বিয়ে সম্পন্ন।

 

নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া (বাঁশডর) গ্রামের মাষ্টার আবুল কাশেমের মেয়ে জুলফা (১৮) প্রতিবেশী রানা (২২)র সাথে প্রেমের টানে ১৩ অাগস্ট বাড়ি ছাড়ে পালিয়ে বিয়ে করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

জানাগেছে, জুলফা ও রানার মধ্যে প্রায় ২ বছর ধরে গভীর প্রেম- ভালবাসা চলছে। এক পর্যায়ে তাদের এই সম্পর্ক দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে রানার পরিবার থেকে বিয়ের প্রস্তাব- আলাপ দেওয়া হয় জুলফার পরিবারের কাছে। এতে জুলফার পিতা কাশেম মাষ্টার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং নিজের মেয়েকে মারধর করেন। কিছুদিন পর জুলফাকে অন্যতায় বিয়ে দিতে চাইলে জুলফা সে বিয়েতে রাজি হয়নি, এক পর্যায়ে জুলফা তাহার পিতাকে বলে অামি রানা ছাড়া অন্য কারো সাথে বিয়েতে রাজি হবনা। জুলফার পিতা রানার কাছে বিয়ে দিবনা বলে মেয়েকে বকাবকি ও মারধর করেন। মারধরের কারনে শেষ পর্যায়ে জুলফা তার প্রেমিক রানার হাত ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে হবিগঞ্জ জেলা কোর্টে গিয়ে (এভিডেভিড)এর মাধ্যমে প্রেমিক রানার সাথে বিয়ে হয়।

 

জানাগেছে, ১৫ অাগস্ট তিন লাখ টাকার দেন মোহর (কাবিন)এর মাধ্যেমে হবিগঞ্জ কোর্টে রানা ও জুলফার বিয়ে সম্পন্ন হয়।

 

এদিকে জুলফার পিতা কাশেম মাষ্টার নবীগঞ্জ থানায় রানা ও তার পরিবার-অাত্মিয়স্বজনের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক নারী ও শিশু নির্যান অাইনে ২৫জনকে অাসামী করে ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৪১ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।

 

নবীগঞ্জ থানার এসঅাই সমিরন দাস মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং প্রেমিক- প্রেমিকা জুলফা ও রানাকে উদ্ধারের চেষ্ঠা চলছে বলে জানান

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ