নবীগঞ্জে প্রশাসনের খবর পেয়ে পালাল বরযাত্রী, বাল্যবিয়ে ভাঙল
- Update Time : ১১:২২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৯
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মো. সরওয়ার শিকদার, নবীগঞ্জ :: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করা হয়েছে এক স্কুল ছাত্রীর বাল্য-বিবাহ। রবিবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল ওই স্কুল ছাত্রী বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন।
জানা যায়, রবিবার নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামের ছোলেহ আহমদের কন্যা রাজরানি সুভাষিণী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার সোনিয়া (১৩)কে জোরপূর্বক একই উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ইলিয়াস উদ্দিনের সাথে বিয়ে দিচ্ছিল সোনিয়ার পরিবার। খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল, স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন, আনসার কমান্ডার অহিদ উদ্দিন উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামে স্কুল ছাত্রী সোনিয়ার বাড়িতে উপস্থিত হন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বরসহ বরযাত্রীরা বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত না হয়ে রাস্তা থেকেই দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সোনিয়ার পিতা ছোলেহ আহমদ ১৮ বৎসর হলে মেয়ে সোনিয়ার বিয়ে দিবেন বলে মুসলেখা দেন।
নবীগঞ্জ উপজেলা আনসার ভিডিপির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল বাল্য-বিবাহ বন্ধের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ১৮ বছর হলে মেয়ের বিয়ে দিবেন বলে অঙ্গীকার করে মুসলেখা দেন কনে সোনিয়ার পিতা ছোলেহ আহমদ। এবং বরযাত্রীরা বিয়ে বাড়িতে না এসেই পালিয়ে যায়।





























