০২:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহপরিচারিকা, ধামাচাপার চেষ্টা

  • Update Time : ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: এক গৃহপরিচারিকাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ৪ মাসের অন্তস্বত্তা ওই গৃহপরিচারিকা বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে স্থানীয় সমাজপতিরা বিষয়টি আপোষ মীমাংসার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে ওই ধর্ষিতার পরিবার থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর নাওয়ালা গ্রামের জাবেদ আহমদের বসতবাড়িতে দীর্ঘদিন থেকে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন ধর্ষিতা নারী। এই সুযোগে বিয়ের প্রলোভনে তার সাথে প্রেম পরবর্তী তাকে ফুুসঁলিয়ে ধর্ষণ করেন জাবেদ। একপর্যায়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সহায়তায় ওই ধর্ষিতা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। তখন তার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনার পর ধর্ষিতা এবং তার পরিবার জাবেদকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু জাবেদ প্রেম-ধর্ষণ সব অস্বীকার করলে ধর্ষিতা নিজে বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জাবেদ আহমদ শফিক আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। অপরদিকে ধর্ষিতার পরিবারে তার একমাত্র মা ও এক বোন রয়েছে। বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহপরিচারিকা, ধামাচাপার চেষ্টা

Update Time : ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট :: এক গৃহপরিচারিকাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ৪ মাসের অন্তস্বত্তা ওই গৃহপরিচারিকা বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে স্থানীয় সমাজপতিরা বিষয়টি আপোষ মীমাংসার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে ওই ধর্ষিতার পরিবার থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর নাওয়ালা গ্রামের জাবেদ আহমদের বসতবাড়িতে দীর্ঘদিন থেকে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন ধর্ষিতা নারী। এই সুযোগে বিয়ের প্রলোভনে তার সাথে প্রেম পরবর্তী তাকে ফুুসঁলিয়ে ধর্ষণ করেন জাবেদ। একপর্যায়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সহায়তায় ওই ধর্ষিতা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। তখন তার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনার পর ধর্ষিতা এবং তার পরিবার জাবেদকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু জাবেদ প্রেম-ধর্ষণ সব অস্বীকার করলে ধর্ষিতা নিজে বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জাবেদ আহমদ শফিক আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। অপরদিকে ধর্ষিতার পরিবারে তার একমাত্র মা ও এক বোন রয়েছে। বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ