০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারায় প্রতারণার জের উভয় পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮ আদালতে মামলা

  • Update Time : ০৩:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে বিদ্যূৎতের চাঁদাবাজীর টাকা ফেরত চাওয়ায় চাঁদাবাজ চক্র ও বিদ্যূৎ প্রত্যাশী গ্রাহকের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৮ জন। এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  আদালতে মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায় গত ২ বছর পুর্বে মানিকপুর ও পার্শবর্তী গ্রামে বিদ্যূৎ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন অজুহাতে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতারনার মাধ্যমে ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের লামাসানিয়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হান্নান সহ একটি চক্র। চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা হলেন, লামাসানিয়া গ্রামের মুসিম উদ্দিনের পুত্র আব্দুল হান্নান, আব্দুল হান্নানের পুত্র মকবুল হোসেন, মকবুল হোসেনের পুত্র আব্দুল হামিদ, মন্নানের পুত্র কামাল হোসেন,  জামাল উদ্দিন সহ আরও অনেকে।

গত ২ বছর যাবত প্রতারক চক্রটি বিদ্যূৎতের নামে ভাওতাবাজি করে আসছে আজ নয় কাল বিদ্যুৎ আসার প্রতি শ্রুতি দিলেও তা না হওয়ায় ইতি মধ্যে ভুক্তভোগি গ্রাহক পক্ষের নুর আলম ও তার ভাই মজনু মিয়ার দেওয়া ১৫ হাজার টাকা ঘটনার দুই দিন আগে ফেরত চাইলে, প্রতারক আব্দুল হান্নান ভুক্তভোগি নুর আলমকে শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এক পর্যায় শনিবার (১২ অক্টোবর) ২০১৯ ঘটনার দিন সকাল ৭ টায় আসামীরা পরিকল্পিত ভাবে নুর আলম ও তার পক্ষদ্বয়ের ৭/৮ জনকে এলোপাথারী ভাবে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে ৮ জনকে গুরুতর আহত করে। পরে তাদেরকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন, মানিক পুর গ্রামের মুজিবুর রহমান, ইমাজ উদ্দিন,  দিলোয়ার হোসেন,মমতাজ বেগম,সুহেল মিয়া,বরজু মিয়া, মজনু মিয়া,ছাদেক মিয়া, বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা তারা।

আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে নুর আলম বলেন, আমরা গ্রামের সহজ সরল মানুষ আব্দুল হান্নান ও তার সহ যোগী প্রতারক চক্রের কথায় সরল বিশ্বাসে  বিদ্যূৎ পাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত চাওয়ায় সব প্রতারক এক হয়ে আমাদের উপর আক্রমণ করে চালায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারায় প্রতারণার জের উভয় পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮ আদালতে মামলা

Update Time : ০৩:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে বিদ্যূৎতের চাঁদাবাজীর টাকা ফেরত চাওয়ায় চাঁদাবাজ চক্র ও বিদ্যূৎ প্রত্যাশী গ্রাহকের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৮ জন। এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  আদালতে মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায় গত ২ বছর পুর্বে মানিকপুর ও পার্শবর্তী গ্রামে বিদ্যূৎ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন অজুহাতে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতারনার মাধ্যমে ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের লামাসানিয়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হান্নান সহ একটি চক্র। চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা হলেন, লামাসানিয়া গ্রামের মুসিম উদ্দিনের পুত্র আব্দুল হান্নান, আব্দুল হান্নানের পুত্র মকবুল হোসেন, মকবুল হোসেনের পুত্র আব্দুল হামিদ, মন্নানের পুত্র কামাল হোসেন,  জামাল উদ্দিন সহ আরও অনেকে।

গত ২ বছর যাবত প্রতারক চক্রটি বিদ্যূৎতের নামে ভাওতাবাজি করে আসছে আজ নয় কাল বিদ্যুৎ আসার প্রতি শ্রুতি দিলেও তা না হওয়ায় ইতি মধ্যে ভুক্তভোগি গ্রাহক পক্ষের নুর আলম ও তার ভাই মজনু মিয়ার দেওয়া ১৫ হাজার টাকা ঘটনার দুই দিন আগে ফেরত চাইলে, প্রতারক আব্দুল হান্নান ভুক্তভোগি নুর আলমকে শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এক পর্যায় শনিবার (১২ অক্টোবর) ২০১৯ ঘটনার দিন সকাল ৭ টায় আসামীরা পরিকল্পিত ভাবে নুর আলম ও তার পক্ষদ্বয়ের ৭/৮ জনকে এলোপাথারী ভাবে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে ৮ জনকে গুরুতর আহত করে। পরে তাদেরকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন, মানিক পুর গ্রামের মুজিবুর রহমান, ইমাজ উদ্দিন,  দিলোয়ার হোসেন,মমতাজ বেগম,সুহেল মিয়া,বরজু মিয়া, মজনু মিয়া,ছাদেক মিয়া, বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা তারা।

আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে নুর আলম বলেন, আমরা গ্রামের সহজ সরল মানুষ আব্দুল হান্নান ও তার সহ যোগী প্রতারক চক্রের কথায় সরল বিশ্বাসে  বিদ্যূৎ পাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত চাওয়ায় সব প্রতারক এক হয়ে আমাদের উপর আক্রমণ করে চালায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ