০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজার লক্ষিপুরে পিতার কাছে ছেলের পিতৃত্বের স্বীকৃতির দাবি

  • Update Time : ০২:৪১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক যুবকের পিতৃত্বের স্বীকৃতি নিয়ে নানা ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজধানী ঢাকায় কর্মরত আব্দুল জলিল (২১) নামের এক যুবক একই ইউনিয়নের এক ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাকে তার জন্মদাতা পিতা হিসেবে দাবি করছেন।

 

ওই যুবক তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে পিতৃত্বের স্বীকৃতি চেয়ে তার দাবিকৃত পিতার পরিচয় ও ছবিসহ একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন। এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ এলাকা ও এলাকার বাইরে চলছে নানান গুঞ্জন। আব্দুল জলিলের দাবিকৃত পিতার নাম আলহাজ্ব খলিলুর রহমান।

 

তিনি লক্ষীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাংলাবাজারের খলিল মার্কেটের প্রতিষ্ঠাতা স্বত্বাধিকারী। পিতা দাবি করে জলিলের ফেসবুকে একের পর এক স্ট্যাটাস দেওয়ায় রীতিমতো বিব্রত খলিলুর রহমান।

 

এ বিষয়ে জানতে সরেজমিনে গেলে পশ্চিম বাংলাবাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, একজন মহিলা দীর্ঘদিন ধরে বাজারে খলিলুর রহমানের জায়গায় বসবাস করে আসছেন। কিছুদিন আগে পশ্চিম বাংলাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অভিযুক্ত খলিলের ভাই মোর্শেদ ওই মহিলাকে বাজার থেকে বিতাড়িত করে দেন। এরপর থেকেই ওই বিতাড়িত মহিলার সন্তান আব্দুল জলিল বাংলাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোর্শেদের বড়ভাই খলিলুর রহমানকে পিতা দাবি করে পিতৃত্বের স্বীকৃতি চেয়ে একের পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে আসছে।

 

খলিলুর রহমানের ছেলে, আব্দুল জলিল জানান, খলিলুর রহমানই আমার পিতা। বিশ্বাস না হলে ডিএনএ টেস্ট করানো হোক। দীর্ঘদিন যাবৎ আমি পিতৃত্বের স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে আসছি। পিতৃত্বের স্বীকৃতি না পেলে শিঘ্রই আইনের দারস্থ হবো।’

 

খলিলুর রহমানের স্ত্রী আব্দুল জলিলের মা জানান, ডিএনএ টেস্ট করলে সব ক্লিয়ার হবে।

 

অভিযুক্ত খলিলুর রহমানের সাথে আলাপকালে তিনি একেক সময় একেক কথা বলেন।

 

এ ব্যাপারে স্থানীয় লক্ষিপুর ইউপির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম জানান, আমি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আগামি ইউপি নির্বাচনও করব, সামনে নির্বাচন এ ব্যাপারে আমার কোন মন্তব্য নেই।

 

 

এলাকার কামাল, হোসাইন, ফাহাদ, কাওছার সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আমাদের জানামতে খলিলের সাথে ওই মহিলার সম্পর্ক ছিল। ওই মহিলা খলিলের জায়গায় দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করছে।

 

এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান, জলিলের দাবি সঠিক হতে পারে, খলিল টেস্টে আর্গ নয়, ডিএনএ টেস্ট করলে খলিলের সব অপকর্ম ধরা পড়বে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারাবাজার লক্ষিপুরে পিতার কাছে ছেলের পিতৃত্বের স্বীকৃতির দাবি

Update Time : ০২:৪১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক যুবকের পিতৃত্বের স্বীকৃতি নিয়ে নানা ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজধানী ঢাকায় কর্মরত আব্দুল জলিল (২১) নামের এক যুবক একই ইউনিয়নের এক ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাকে তার জন্মদাতা পিতা হিসেবে দাবি করছেন।

 

ওই যুবক তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে পিতৃত্বের স্বীকৃতি চেয়ে তার দাবিকৃত পিতার পরিচয় ও ছবিসহ একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন। এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ এলাকা ও এলাকার বাইরে চলছে নানান গুঞ্জন। আব্দুল জলিলের দাবিকৃত পিতার নাম আলহাজ্ব খলিলুর রহমান।

 

তিনি লক্ষীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাংলাবাজারের খলিল মার্কেটের প্রতিষ্ঠাতা স্বত্বাধিকারী। পিতা দাবি করে জলিলের ফেসবুকে একের পর এক স্ট্যাটাস দেওয়ায় রীতিমতো বিব্রত খলিলুর রহমান।

 

এ বিষয়ে জানতে সরেজমিনে গেলে পশ্চিম বাংলাবাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, একজন মহিলা দীর্ঘদিন ধরে বাজারে খলিলুর রহমানের জায়গায় বসবাস করে আসছেন। কিছুদিন আগে পশ্চিম বাংলাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অভিযুক্ত খলিলের ভাই মোর্শেদ ওই মহিলাকে বাজার থেকে বিতাড়িত করে দেন। এরপর থেকেই ওই বিতাড়িত মহিলার সন্তান আব্দুল জলিল বাংলাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোর্শেদের বড়ভাই খলিলুর রহমানকে পিতা দাবি করে পিতৃত্বের স্বীকৃতি চেয়ে একের পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে আসছে।

 

খলিলুর রহমানের ছেলে, আব্দুল জলিল জানান, খলিলুর রহমানই আমার পিতা। বিশ্বাস না হলে ডিএনএ টেস্ট করানো হোক। দীর্ঘদিন যাবৎ আমি পিতৃত্বের স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে আসছি। পিতৃত্বের স্বীকৃতি না পেলে শিঘ্রই আইনের দারস্থ হবো।’

 

খলিলুর রহমানের স্ত্রী আব্দুল জলিলের মা জানান, ডিএনএ টেস্ট করলে সব ক্লিয়ার হবে।

 

অভিযুক্ত খলিলুর রহমানের সাথে আলাপকালে তিনি একেক সময় একেক কথা বলেন।

 

এ ব্যাপারে স্থানীয় লক্ষিপুর ইউপির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম জানান, আমি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আগামি ইউপি নির্বাচনও করব, সামনে নির্বাচন এ ব্যাপারে আমার কোন মন্তব্য নেই।

 

 

এলাকার কামাল, হোসাইন, ফাহাদ, কাওছার সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আমাদের জানামতে খলিলের সাথে ওই মহিলার সম্পর্ক ছিল। ওই মহিলা খলিলের জায়গায় দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করছে।

 

এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান, জলিলের দাবি সঠিক হতে পারে, খলিল টেস্টে আর্গ নয়, ডিএনএ টেস্ট করলে খলিলের সব অপকর্ম ধরা পড়বে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ