১১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারের সীমান্ত দিয়ে ছাতকে আসছে ভারতীয় গরু-মহিষ, চিনি-পেঁয়াজসহ অবৈধ পন্য

  • Update Time : ১১:২১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের বোগলাবাজার ও বাঁশতলা সীমান্ত দিয়ে অবাধে আসছে গরু-মহিষ,চিনি,পেঁয়াজসহ ভারতীয় পন্য ও মাদকদ্রব্য। ভারতীয় পন্যে এখন ছাতক ও দোয়ারাবাজারের হাটগুলো সয়লাব। মাদকের ছড়া- ছড়ি ও এখানে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সীমান্ত থেকে ছাতকে নিয়ে আসা হয় গরু-মহিষ,চিনি পেঁয়াজ সহ মালামাল আর ছাতক থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারতীয় গরু-মহিষ ও চিনি,-পেঁয়াজ পাঠানো হয়। ছাতকে সুরমা ব্রিজের টোল প্লাজার কাছ থেকে মাধবপুর পর্যন্ত ট্রাক আগ থেকেই রেডি রাখা হয়। গরু- মহিষের চালান আসার সাথে-সাথেই ট্রাকে ভর্তি করে অন্যত্র পঠানো হয় গরু- মহিষ।
দোয়ারাবাজারের সীমান্ত এলাকা থেকে ছাতক পর্যন্ত গরু মহিষ পাচারে একটি সিন্ডিকেট কাজ করে থাকে। তারা বিজিবি ও পুলিশ ম্যানেজ করেই প্রতিদিন গরু- মহিষ পাচার করছে। কাজেই কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই প্রতি রাতে ছাতক রোড দিয়ে শতাধিক ভারতীয় গরু-মহিষ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করা হচ্ছে।

চিনি ও পেঁয়াজের গড়ি সীমান্ত থেকেই লোড হয়ে আসছে। ছাতক হয়ে গোবিন্দগঞ্জ,জাউয়াবাজার ও সিলেটে চলে যাচ্ছে এসব ভারতীয় পন্য। মাঝ-মধ্যে সিএনজি অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়া চিনি আটক করেছে পুলিশ। কিন্তু গরু-মহিষ কখনো পুলিশ আটক করেতে দেখা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সুরমা ব্রিজের টোল প্লাজার কাছে ভারতীয় পেঁয়াজ ভর্তি ৯ টি পিকআপ ভ্যান আটক করেছে পুলিশ। ওই সময়েই পুলিশ পেঁয়াজের গাড়ি আটক করেছে এমন সংবাদে নদীর ওপারে বাতিরকান্দি এলাকায় চিনি ভর্তি পিকআপ ভ্যান ও সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো বসে থাকতে দেখা গেছে। অভিযানের কিছু সময় পর নিরাপদেই তারা যার-যার গন্তব্যে চলে যায়।

এ দিকে ভারতীয় পেঁয়াজ ভর্তি আটক ৯ টি পিকআপ ভ্যান ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে পেঁয়াজ ক্রয়ের রশিদ থাকায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আদৌ
বর্ডার এলাকায় কোন পাইকারি পন্যের হাট নেই। তার পর ও ওইসব হাটের বিভিন্ন দোকান থেকেই পাইকারি পন্য বিক্রির রশিদ একটি চক্র দিয়ে থাকে বলে একটি সুত্র জানিয়ে। ওরা শুধুমাত্র ভু্ঁয়া রশিদ বিক্রির ব্যবসা করে। গরু-মহিষ পাচারের বেলায়ও ভুঁয়া রশিদ ব্যবহার করা হয়।

মঙ্গলবার ভোরে দোয়ারাবাজারের পেকপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে ১০ টি ভারতীয় গরু উদ্ধার করেন দোয়ারাবাজারের সহকারী কমিশনার ভুমি ফয়সাল আহমেদ। তিনি পুলিশ ও বিজিবি নিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ পথে নিয়ে আসা ১০টি ভারতীয় গরু আটক করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারাবাজারের সীমান্ত দিয়ে ছাতকে আসছে ভারতীয় গরু-মহিষ, চিনি-পেঁয়াজসহ অবৈধ পন্য

Update Time : ১১:২১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের বোগলাবাজার ও বাঁশতলা সীমান্ত দিয়ে অবাধে আসছে গরু-মহিষ,চিনি,পেঁয়াজসহ ভারতীয় পন্য ও মাদকদ্রব্য। ভারতীয় পন্যে এখন ছাতক ও দোয়ারাবাজারের হাটগুলো সয়লাব। মাদকের ছড়া- ছড়ি ও এখানে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সীমান্ত থেকে ছাতকে নিয়ে আসা হয় গরু-মহিষ,চিনি পেঁয়াজ সহ মালামাল আর ছাতক থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারতীয় গরু-মহিষ ও চিনি,-পেঁয়াজ পাঠানো হয়। ছাতকে সুরমা ব্রিজের টোল প্লাজার কাছ থেকে মাধবপুর পর্যন্ত ট্রাক আগ থেকেই রেডি রাখা হয়। গরু- মহিষের চালান আসার সাথে-সাথেই ট্রাকে ভর্তি করে অন্যত্র পঠানো হয় গরু- মহিষ।
দোয়ারাবাজারের সীমান্ত এলাকা থেকে ছাতক পর্যন্ত গরু মহিষ পাচারে একটি সিন্ডিকেট কাজ করে থাকে। তারা বিজিবি ও পুলিশ ম্যানেজ করেই প্রতিদিন গরু- মহিষ পাচার করছে। কাজেই কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই প্রতি রাতে ছাতক রোড দিয়ে শতাধিক ভারতীয় গরু-মহিষ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করা হচ্ছে।

চিনি ও পেঁয়াজের গড়ি সীমান্ত থেকেই লোড হয়ে আসছে। ছাতক হয়ে গোবিন্দগঞ্জ,জাউয়াবাজার ও সিলেটে চলে যাচ্ছে এসব ভারতীয় পন্য। মাঝ-মধ্যে সিএনজি অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়া চিনি আটক করেছে পুলিশ। কিন্তু গরু-মহিষ কখনো পুলিশ আটক করেতে দেখা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সুরমা ব্রিজের টোল প্লাজার কাছে ভারতীয় পেঁয়াজ ভর্তি ৯ টি পিকআপ ভ্যান আটক করেছে পুলিশ। ওই সময়েই পুলিশ পেঁয়াজের গাড়ি আটক করেছে এমন সংবাদে নদীর ওপারে বাতিরকান্দি এলাকায় চিনি ভর্তি পিকআপ ভ্যান ও সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো বসে থাকতে দেখা গেছে। অভিযানের কিছু সময় পর নিরাপদেই তারা যার-যার গন্তব্যে চলে যায়।

এ দিকে ভারতীয় পেঁয়াজ ভর্তি আটক ৯ টি পিকআপ ভ্যান ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে পেঁয়াজ ক্রয়ের রশিদ থাকায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আদৌ
বর্ডার এলাকায় কোন পাইকারি পন্যের হাট নেই। তার পর ও ওইসব হাটের বিভিন্ন দোকান থেকেই পাইকারি পন্য বিক্রির রশিদ একটি চক্র দিয়ে থাকে বলে একটি সুত্র জানিয়ে। ওরা শুধুমাত্র ভু্ঁয়া রশিদ বিক্রির ব্যবসা করে। গরু-মহিষ পাচারের বেলায়ও ভুঁয়া রশিদ ব্যবহার করা হয়।

মঙ্গলবার ভোরে দোয়ারাবাজারের পেকপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে ১০ টি ভারতীয় গরু উদ্ধার করেন দোয়ারাবাজারের সহকারী কমিশনার ভুমি ফয়সাল আহমেদ। তিনি পুলিশ ও বিজিবি নিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ পথে নিয়ে আসা ১০টি ভারতীয় গরু আটক করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ