০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দূরদর্শী নেতৃত্বের হাতে দলকে তুলে দেয়া সময়ের অপরিহার্য দাবী

  • Update Time : ০৫:০০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ফুজায়েল আহমাদ নাজমুল

 

নেতৃত্ব যখন বয়োবৃদ্ধ মুহতারাম হযরাতদের হাতে থাকে তখনই দলের শৃংখলা, ইতিহাস, ঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়ে। বুজুর্গদের সরলতার সুযোগে অসাংগঠনিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। মরহুম হেফেজ্জী হুজুর (র:) এর নেতৃত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন ও শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (র:) এর নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের ভাঙ্গনই তার জ্বলন্ত সাক্ষী।

আজ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাংগঠনিক শৃংখলা, ইতিহাস, ঐতিহ্য হুমকির মুখে। তাদের নেতাকর্মীদের লেখালেখি থেকে অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সিলেট মহানগর ছাত্র জমিয়তের গ্রুপিংকে কেন্দ্র করে গত ১৬ মার্চ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগর শাখা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

বিলুপ্ত করা কমিটি প্রসঙ্গে আমীরে জমিয়ত শায়েখ আব্দুল মুমিন (দা:বা:) ও মহাসচিব আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী সাহেবের স্বাক্ষরিত একটি চিটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

এ চিটি প্রসঙ্গে জমিয়তের মাওলানা আব্দুস সালাম ভাই তাঁর ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন –

“ সৌভাগ্য কারো কারো জন্য হয়ে যায় মতলব হাসিলের মুক্ষম হাতিয়ার। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এ দেশের হক্কানী উলামায়ে কিরামের বৃহৎ প্লাঠফরম।যার নেতৃত্ব দিয়ে এসেেছেন যুগ যুগ ধরে খলিফায়ে মাদানীগণ। যা আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্যের কারণ। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্যতাকে সব সময় মতলববাজরা তাদের হীন সার্থ চরিত্রার্তে কাজে লাগায়, যা অতিতে ও হয়েছিল বয়োবৃদ্ধ শায়খে কৌড়িয়া রঃ এর বৃদ্বতাকে পুজি করে উনার দস্তখত নিয়ে মুফতি ওয়াক্কাছ দাঃবাঃ ও শাহীনুর পাশা সাহেবকে বহিস্কারের নাটক সাজানো হয়েছিল।

২০১৫ সালের কাউন্সিলের পর থেকেও বার বার শায়খে ইমামবাড়ীর বৃদ্বতার সুযোগ নিচ্ছে মতলব বাজরা। যার প্রমান কিছুদিন আগে ইমামবাড়ীর দস্তখত কাজে লাগিয়ে ছিল কেন্দ্রে াপটিমেরে বসে থাকা কয়েকটা মতলববাজ। যে ব্যাপারে শায়খে ইমামবাড়ী শত শত উলামাদের সামনে বলেছিলেন হাশাকাল্লাহ আমি এরকম দস্তখত দেইনি। সেদিন আমিও সামনে ছিলাম। যার পুণরাবৃত্তি হল বিগত ১৭মার্চ মহানগর জমিয়ত নিয়ে।”

আব্দুস সালাম ভাইয়ের লেখা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বুজুর্গদের সরলতার সুযোগে মতলববাজরা কি করতে পারে। নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটুও ভাবে না।

ইসলামী সমাজ বিপ্লবের একজন কর্মী হিসেবে আমি মনে করি বয়োবৃদ্ধ মুহতারামদের অবসরে দিয়ে শারীরিক ও মানষিকভাবে শক্তিশালী দূরদর্শী নেতৃত্বের হাতে দলকে তুলে দেয়া সময়ের অপরিহার্য দাবী।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দূরদর্শী নেতৃত্বের হাতে দলকে তুলে দেয়া সময়ের অপরিহার্য দাবী

Update Time : ০৫:০০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭

ফুজায়েল আহমাদ নাজমুল

 

নেতৃত্ব যখন বয়োবৃদ্ধ মুহতারাম হযরাতদের হাতে থাকে তখনই দলের শৃংখলা, ইতিহাস, ঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়ে। বুজুর্গদের সরলতার সুযোগে অসাংগঠনিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। মরহুম হেফেজ্জী হুজুর (র:) এর নেতৃত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন ও শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (র:) এর নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের ভাঙ্গনই তার জ্বলন্ত সাক্ষী।

আজ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাংগঠনিক শৃংখলা, ইতিহাস, ঐতিহ্য হুমকির মুখে। তাদের নেতাকর্মীদের লেখালেখি থেকে অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সিলেট মহানগর ছাত্র জমিয়তের গ্রুপিংকে কেন্দ্র করে গত ১৬ মার্চ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগর শাখা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

বিলুপ্ত করা কমিটি প্রসঙ্গে আমীরে জমিয়ত শায়েখ আব্দুল মুমিন (দা:বা:) ও মহাসচিব আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী সাহেবের স্বাক্ষরিত একটি চিটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

এ চিটি প্রসঙ্গে জমিয়তের মাওলানা আব্দুস সালাম ভাই তাঁর ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন –

“ সৌভাগ্য কারো কারো জন্য হয়ে যায় মতলব হাসিলের মুক্ষম হাতিয়ার। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এ দেশের হক্কানী উলামায়ে কিরামের বৃহৎ প্লাঠফরম।যার নেতৃত্ব দিয়ে এসেেছেন যুগ যুগ ধরে খলিফায়ে মাদানীগণ। যা আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্যের কারণ। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্যতাকে সব সময় মতলববাজরা তাদের হীন সার্থ চরিত্রার্তে কাজে লাগায়, যা অতিতে ও হয়েছিল বয়োবৃদ্ধ শায়খে কৌড়িয়া রঃ এর বৃদ্বতাকে পুজি করে উনার দস্তখত নিয়ে মুফতি ওয়াক্কাছ দাঃবাঃ ও শাহীনুর পাশা সাহেবকে বহিস্কারের নাটক সাজানো হয়েছিল।

২০১৫ সালের কাউন্সিলের পর থেকেও বার বার শায়খে ইমামবাড়ীর বৃদ্বতার সুযোগ নিচ্ছে মতলব বাজরা। যার প্রমান কিছুদিন আগে ইমামবাড়ীর দস্তখত কাজে লাগিয়ে ছিল কেন্দ্রে াপটিমেরে বসে থাকা কয়েকটা মতলববাজ। যে ব্যাপারে শায়খে ইমামবাড়ী শত শত উলামাদের সামনে বলেছিলেন হাশাকাল্লাহ আমি এরকম দস্তখত দেইনি। সেদিন আমিও সামনে ছিলাম। যার পুণরাবৃত্তি হল বিগত ১৭মার্চ মহানগর জমিয়ত নিয়ে।”

আব্দুস সালাম ভাইয়ের লেখা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বুজুর্গদের সরলতার সুযোগে মতলববাজরা কি করতে পারে। নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটুও ভাবে না।

ইসলামী সমাজ বিপ্লবের একজন কর্মী হিসেবে আমি মনে করি বয়োবৃদ্ধ মুহতারামদের অবসরে দিয়ে শারীরিক ও মানষিকভাবে শক্তিশালী দূরদর্শী নেতৃত্বের হাতে দলকে তুলে দেয়া সময়ের অপরিহার্য দাবী।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ