১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুলাভাইয়ের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে দেয়ার চেষ্টা, বন্ধ করল প্রশাসন

  • Update Time : ০৪:১৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: বোন মারা যাওয়ায় দুলাভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল ১৩ বছরের এক কিশোরীর। কিন্তু বিয়েতে রাজি ছিলেন না ওই কিশোরী। পরে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন। সোমবার (৯ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের যমুনার দুর্গম আলোকদিয়া চরে এ ঘটনা ঘটে। শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ কবির জানান, আলোকদিয়া চরের কুখ্যাত ডাকাত সর্দার জুলহাস মোল্লার ছেলে সোলাইমানের (৩২) সঙ্গে তার কিশোরী শ্যালিকার বিয়ে ঠিক করা হয়। কিন্তু কিশোরী বিযেতে রাজি ছিল না। জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছে এ খবর তিনি জানতে পারেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) তানিয়া সুলতানার কাছ থেকে। তার নির্দেশে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জেসমিন সুলতানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে তারা দুইজন স্পীডবোড নিয়ে আলোকদিয়া চরে গিয়ে ১৮ বছরের আগে ওই কিশোরীকে কোথাও বিয়ে দেয়া হবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয় কিশোরীর বাবা মোদী মোল্লার কাছ থেকে। শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন সুলতানা জানান, কিশোরীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও তাকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দুলাভাইয়ের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে দেয়ার চেষ্টা, বন্ধ করল প্রশাসন

Update Time : ০৪:১৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট :: বোন মারা যাওয়ায় দুলাভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল ১৩ বছরের এক কিশোরীর। কিন্তু বিয়েতে রাজি ছিলেন না ওই কিশোরী। পরে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন। সোমবার (৯ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের যমুনার দুর্গম আলোকদিয়া চরে এ ঘটনা ঘটে। শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ কবির জানান, আলোকদিয়া চরের কুখ্যাত ডাকাত সর্দার জুলহাস মোল্লার ছেলে সোলাইমানের (৩২) সঙ্গে তার কিশোরী শ্যালিকার বিয়ে ঠিক করা হয়। কিন্তু কিশোরী বিযেতে রাজি ছিল না। জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছে এ খবর তিনি জানতে পারেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) তানিয়া সুলতানার কাছ থেকে। তার নির্দেশে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জেসমিন সুলতানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে তারা দুইজন স্পীডবোড নিয়ে আলোকদিয়া চরে গিয়ে ১৮ বছরের আগে ওই কিশোরীকে কোথাও বিয়ে দেয়া হবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয় কিশোরীর বাবা মোদী মোল্লার কাছ থেকে। শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন সুলতানা জানান, কিশোরীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও তাকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ