০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৭ জন গুলিবিদ্ধ, পুলিশসহ আহত ৩০

  • Update Time : ০৩:৫৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৭ জন গুলিবিদ্ধ, পুলিশসহ আহত ৩০।

 

 

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ডোবায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার বিকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

 

 

জানা যায়, বাজিতপুর মসজিদের ডোবায় আরাফাত আলীর লোকজনদের মাছ ধরতে নিষেধ করলে বুধবার বিকেলে স্থানীয় শ্যামলবাজারে বাজিতপুর গ্রামের আরপাত আলী ও গ্রামবাসীর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় দোয়ারাবাজার থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫১ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ১১ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশের ফাকা গুলিতে অন্তত ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, বাজিতপুর গ্রামের শিরুল (৩০), আনোয়ার (২৬), রাসেল (৩২), জিয়াউল (২৬), বদরুল (১৮), গিয়াস(৪০) সুনুর আলী (৩২)।
উভয় পক্ষের অন্যান্য আহতরা হলেন, নুর মিয়া (২৮), জুয়েল (২৮), জাবেদ (২৫), রমজান (৩২),বাসির (৪৫), ইকবাল (২৪), নুরুল (৩৫), সাজনা বেগম (২৮), জয়তেরা বেগম (৩২), মনফর আলী (৩৫), আনর আলী (৩৫), আফতাব উদ্দিন (৩০), আখতার হোসেন (২৫), দেলোয়ার হোসেন (৩০), আলী হোসেন (৪০) আহতদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সুনামগঞ্জ সদর হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষেও ঘটনায় এসআই ছাইদুর রহমান, এএসআই শিবলু, কনস্টেবল আছকির মিয়া, সুমন, জয়š আহত হন। ঘটনা স্থল থেকে বাজিতপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর পুত্র আসাবুজ্জামান (৩০) কে আটক করা হয়েছে। দোয়ারাবাজার থানার ওসি এনামুল হক বলেন, ‘সংঘর্ষে ৫১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ১১রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঊভয় পক্ষের আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৭ জন গুলিবিদ্ধ, পুলিশসহ আহত ৩০

Update Time : ০৩:৫৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

ডেস্ক রিপোর্ট :: দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৭ জন গুলিবিদ্ধ, পুলিশসহ আহত ৩০।

 

 

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ডোবায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার বিকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

 

 

জানা যায়, বাজিতপুর মসজিদের ডোবায় আরাফাত আলীর লোকজনদের মাছ ধরতে নিষেধ করলে বুধবার বিকেলে স্থানীয় শ্যামলবাজারে বাজিতপুর গ্রামের আরপাত আলী ও গ্রামবাসীর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় দোয়ারাবাজার থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫১ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ১১ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশের ফাকা গুলিতে অন্তত ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, বাজিতপুর গ্রামের শিরুল (৩০), আনোয়ার (২৬), রাসেল (৩২), জিয়াউল (২৬), বদরুল (১৮), গিয়াস(৪০) সুনুর আলী (৩২)।
উভয় পক্ষের অন্যান্য আহতরা হলেন, নুর মিয়া (২৮), জুয়েল (২৮), জাবেদ (২৫), রমজান (৩২),বাসির (৪৫), ইকবাল (২৪), নুরুল (৩৫), সাজনা বেগম (২৮), জয়তেরা বেগম (৩২), মনফর আলী (৩৫), আনর আলী (৩৫), আফতাব উদ্দিন (৩০), আখতার হোসেন (২৫), দেলোয়ার হোসেন (৩০), আলী হোসেন (৪০) আহতদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সুনামগঞ্জ সদর হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষেও ঘটনায় এসআই ছাইদুর রহমান, এএসআই শিবলু, কনস্টেবল আছকির মিয়া, সুমন, জয়š আহত হন। ঘটনা স্থল থেকে বাজিতপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর পুত্র আসাবুজ্জামান (৩০) কে আটক করা হয়েছে। দোয়ারাবাজার থানার ওসি এনামুল হক বলেন, ‘সংঘর্ষে ৫১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ১১রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঊভয় পক্ষের আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ