১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

  • Update Time : ০২:২০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে মদরিছ মিয়া তালুকদার (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম ভাগ গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মদরিছ মিয়া তালুকদার পশ্চিমবাগ গ্রামের আব্দুল শুকুর তালুকদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নলীউর রহমান তালুকাদর গং এবং সাবেক চেয়ারম্যান আলী আমজাদ তালুকদার গংদের মধ্যে এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলী আমজাদ তালুকদার গ্রুপের তৌফিক মিয়ার সঙ্গে নলীউর রহমান তালুকদার গ্রুপের হারুন মিয়ার (বড় মিয়া) পুকুরের জায়গা নিয়ে বাকবিতণ্ডা বাধে। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় পরিবারের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে মদরিছ মিয়া গুরুতর আহত হন। এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার স্বজনরা মদরিছ মিয়াকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

Update Time : ০২:২০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে মদরিছ মিয়া তালুকদার (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম ভাগ গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মদরিছ মিয়া তালুকদার পশ্চিমবাগ গ্রামের আব্দুল শুকুর তালুকদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নলীউর রহমান তালুকাদর গং এবং সাবেক চেয়ারম্যান আলী আমজাদ তালুকদার গংদের মধ্যে এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলী আমজাদ তালুকদার গ্রুপের তৌফিক মিয়ার সঙ্গে নলীউর রহমান তালুকদার গ্রুপের হারুন মিয়ার (বড় মিয়া) পুকুরের জায়গা নিয়ে বাকবিতণ্ডা বাধে। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় পরিবারের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে মদরিছ মিয়া গুরুতর আহত হন। এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার স্বজনরা মদরিছ মিয়াকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ