দুনিয়া কাঁপানো মহামারী পর্ব-৫ : শাহ মোঃ সফিনূর
- Update Time : ০৫:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
গুটি বসন্ত ভারত মহাদেশের ১৯৭৪ সালে এই মহামারী আবির্ভাব হয় এবং বাংলাদেশে প্রচুর মানুষ এই মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা যে বার্তা পাঠানো হয়েছিল জনগণের মাঝে গুটিবসন্ত যাদের শরীরে দেখা দেয় তাদের কে সরকারের লোক গুলো খুঁজে খুঁজে বের করে হসপিটালে নিয়ে যেত অন্যরা কাজ ছিল ওদের চিকিৎসা দেওয়া। যদিও ভারতবর্ষে ১৯৬২ সালে গুটিবসন্ত জন্য আলাদা একটি হসপিটাল নির্মাণ করা হয়েছিল যেখানে শুধুমাত্র গুটি বসন্ত রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু মহামারী দেখা দিয়েছিল ১৯৭৪ সালে দেশ যখন যুদ্ধ গ্রস্থ অবস্থায় একটি স্বাধীন বাংলাদেশের উপনীত হয়েছিল ঠিক সেই সময়। দেশ একদিকে দুর্ভিক্ষের দিকে এগিয়ে যায় সেই সময় গুটিবসন্তের মহামারীতে কি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেই সময়কার একজন বলেন
ড ব্রিলিয়ান্স ভারতের বিশাল জনসংখ্যা এবং আর্ত-সামাজিক বাস্তবতার কারণে সেটি হয়েছিল। ১৯৭৪ সালের মহামারী দেখার আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গুটি বসন্ত কে একবারে নির্মূল করার জন্য যে টিকা আবিষ্কার করেছিলেন সেটি প্রয়োগ করার আগে মহামারী দেখা যায়। ড. ল্যারি বলেন তিনি এবং তার কজন সহকর্মী তখন টাটানগর গিয়ে যা দেখলেন, তা তিনি সারা জীবন ভুলতে পারবেন না। “ট্রেন স্টেশনে নেমে দেখলাম প্লাটফর্মে এবং আশপাশে কাঠের স্তূপের মত মৃত শিশুদের স্তূপ। টিকেট কাটছে এমন একজনকে দেখলাম তার হাতে গুটি বসন্তের চাকা। টাটানগর এবং পুরো বিহার রাজ্য থেকে ছয় মাসের মধ্যে গুটি বসন্ত নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিল। ডা: বাসায় প্রতিদিন একটি ছেলে দুধ নিয়ে আসত এই দুধ বিক্রেতাকে দিয়ে গুটি বসন্ত রোগের কাছ থেকে পুঁজ সংগ্রহ করে নিজের শরীরের মাঝে বসিয়ে দিন এবং কিছুদিনের মধ্যেই জ্বর এবং গুটিবসন্ত দেখা দেয় এর মধ্যেই ডক্টর ভালো হয়ে যান, এভাবেই আবিষ্কৃত হল পৃথিবীতে ভ্যাকসিন গুটিবসন্ত জন্য। শরীরে প্রবেশ করানোর প্রক্রিয়া তথা ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করে ইতিহাসে জায়গা পান এডওয়ার্ড জেনার। সেইসঙ্গে নির্মূল করা সম্ভব হয় গুটিবসন্তের মতো অভিশাপকেও। চলবে-



















