দক্ষিণ সুনামগঞ্জে স্বস্তি নেই কৃষকের ঘরে
- Update Time : ০৭:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ইয়াকুব শাহরিয়ার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জে স্বস্তি নেই কোনো কৃষকের ঘরেই। পানিতে গত মৌসুমের বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার পর আমন জমি চাষ করা নিয়ে চিন্তিত তারা। কিভাবে চাষ করবেন আমনের জমি তা নিয়ে স্বস্তি নেই কারো ঘরে। একে তো ঘরে ধান নেই, তার উপর আমন জমি চাষের খরচের চিন্তা। সংসার চালিয়ে কি ভাবে কি করবেন তা নিয়েই বেশি ভাবছেন তারা।
এখন আমন জমিতে রোপনের জন্য বীজতলা বুনার সময়। জমিতে হালচাষ দেওয়া, বীজ ছড়ানো, সার দেওয়াসহ ধাপে ধাপে দরকার টাকা। যা বর্তমানে উপজেলার অধিকাংশ কৃষকের কাছে নেই। এ ছাড়াও বীজতলা বুনার জন্য উপযুক্ত বীজও নেই তাদের কাছে। যদি কোথাও কিনতে পাওয়া যায়, দাম খুব বেশি। সচরাচর পাওয়াও যাচ্ছে না। কৃষকরা এর জন্য গত মৌসুমে ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়াকেই বেশি দায়ী করছেন। শুধু তাই না, এসব ধানের চারা রোপনের জন্য যে জমি তৈরি করতে হবে, তাও প্রস্তুত করতে দরকার পড়বে প্রচুর টাকার। এ মূহুর্তে কৃষকদের সরকারি সহযোগিতার খুব বেশি দরকার বলে অনেকে মনে করেন।
কৃষকরা জানান, গত তিন মৌসুম ধরে তারা বোরো জমিতে মার খেয়ে আসছেন। তারা এখন খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। তাদের পক্ষে নিজ খরচে জমি চাষ করার মতো সক্ষমতা নেই এখন। চড়া সূদে ঋণ নিয়ে যদি জমি চাষ করেনও তাহলে তাদের লাভের লাভ কিছুই থাকবে না। সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। না হলে জমি চাষ বাদ দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। জমি চাষ নিয়ে তাদের চিন্তার শেষ নেই। এসব ভাবলে রাতে ঘুম আসে না বলে জানিয়েন একাধিক কৃষক।
এ ব্যপারে পাগলার কৃষক পরিবারের ছেলে মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, কৃষকরা এখন অসহায়। তাদের হাতে টাকা নাই। সরকারের কাছে দাবী করছি, সরকার যেনো তাদেরকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। বিনা সুদে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া যেতে পারে তাদের।
উপজেলার ভমবমি বাজার এলাকার হামিদুর রহমান বতু নামের এক কৃষক বলেন, প্রথম থেকেই আমরা দাবী করে আসছি কৃষি ঋণ দেওয়ার জন্য। সরকার না দিলে জমি চাষ করতে পারবো না। খাদ্য সংকটসহ নানান সমস্যা হবে। পরিবার নিয়ে চলতে সমস্যা হবে। এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতেই কাটে আমাদের দিন।




























