০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে পাঁকা ধান দ্রুত ঘরে তুলতে চেয়ারম্যান নুরুল হক’র মাইকিং

  • Update Time : ০৪:৪২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের হাওরে পাঁকা ধান দ্রুত ঘরে তুলতে হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে ইউনিয়নবাসীকে অবিহিত করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক। মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়নের প্রায় সবক’টি পয়েন্ট ও ধান শুকানোর খলায় গিয়ে হ্যান্ড মাইক দ্বারা সচেতনতামূলক মাইকিং করেন তিনি। তিনি মাইকিংএ বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাবাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসের ২৭ এপ্রিল থেকে অতিবৃষ্টি শুরু হতে পারে। এতে হাওরে পানিবৃদ্ধি করে অকাল বন্যার সৃষ্টি হবে। যদি এমনটা হয় তাহলে হাওরের সকল ধান পানিতে তলিয়ে যাবে। তাই যতদ্রুত সম্ভব আগামী ২৭ এপ্রিলের ভিতরে হাওরের পাঁকা ধান ঘরে তুলতে হবে। এ নির্দেশনা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউ/পি চেয়ারম্যান নুরুল হক। এছাড়াও ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের মেম্বারদেরকে প্রতি ওয়ার্ডের সবক’টি মসজিদের মাইকে এ সচেতনতামূলক ঘোষণাটি প্রচার করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

 

এ ব্যপারে চেয়ারম্যান নুরুল হক বলেন, ‘আমাকে উপজেলা প্রশাসন থেকে এমনটা জানানো হলে আমি সমস্ত ইউনিয়নের ধান শুকানোর প্রায় সব জায়গাসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিজে গিয়ে হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে কৃষকদের বলে এসেছি। কেউ কেউ আমার কাছে শ্রমিক সংকটের কথা বললে আমি সকল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সীমীত করে মাঠে গিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করা বা নিজেদের ধান নিজেরা কাটার পরামর্শ দিয়েছি। আমি মনে করি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সকলের এটা মানা ও প্রচার করা উচিত।’

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে পাঁকা ধান দ্রুত ঘরে তুলতে চেয়ারম্যান নুরুল হক’র মাইকিং

Update Time : ০৪:৪২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের হাওরে পাঁকা ধান দ্রুত ঘরে তুলতে হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে ইউনিয়নবাসীকে অবিহিত করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক। মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়নের প্রায় সবক’টি পয়েন্ট ও ধান শুকানোর খলায় গিয়ে হ্যান্ড মাইক দ্বারা সচেতনতামূলক মাইকিং করেন তিনি। তিনি মাইকিংএ বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাবাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসের ২৭ এপ্রিল থেকে অতিবৃষ্টি শুরু হতে পারে। এতে হাওরে পানিবৃদ্ধি করে অকাল বন্যার সৃষ্টি হবে। যদি এমনটা হয় তাহলে হাওরের সকল ধান পানিতে তলিয়ে যাবে। তাই যতদ্রুত সম্ভব আগামী ২৭ এপ্রিলের ভিতরে হাওরের পাঁকা ধান ঘরে তুলতে হবে। এ নির্দেশনা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউ/পি চেয়ারম্যান নুরুল হক। এছাড়াও ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের মেম্বারদেরকে প্রতি ওয়ার্ডের সবক’টি মসজিদের মাইকে এ সচেতনতামূলক ঘোষণাটি প্রচার করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

 

এ ব্যপারে চেয়ারম্যান নুরুল হক বলেন, ‘আমাকে উপজেলা প্রশাসন থেকে এমনটা জানানো হলে আমি সমস্ত ইউনিয়নের ধান শুকানোর প্রায় সব জায়গাসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিজে গিয়ে হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে কৃষকদের বলে এসেছি। কেউ কেউ আমার কাছে শ্রমিক সংকটের কথা বললে আমি সকল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সীমীত করে মাঠে গিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করা বা নিজেদের ধান নিজেরা কাটার পরামর্শ দিয়েছি। আমি মনে করি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সকলের এটা মানা ও প্রচার করা উচিত।’

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ