তাহিরপুরে বাল্কহেড আটকে মামলা : মূল অপরাধীরা ধরাছোয়ার বাইরে
- Update Time : ০১:১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
- / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আল হেলাল, সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শান্তিপুর নামক স্থানে সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে অবৈধভাবে বালিবুঝাই করে একটি বাল্কহেড থানার সম্মুখ দিয়ে যায়। রতনশ্রী গ্রামের স্থানীয় জনতা ঐ বাল্কহেডটি আটক করে বিভিন্নভাবে প্রশাসনকে জানানোর পরে দুপুর ১২টায় পুলিশ ঐ বালিবাহী বাল্কহেডটি আটক করে। এ ঘটনায় এসআই শরীফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২ জনকে এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। কিন্তু এলাকাবাসী বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ এসব বালিবাহী বাল্কহেড এর ব্যবসায় সরাসরি উত্তর বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম শাহ,আহবায়ক কমিটির সদস্য আলী নূর,উত্তর বড়দল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আক্তার হোসেন,সহ-সভাপতি দুলাল মিয়া,সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক নানু মিয়া সরাসরি জড়িত রয়েছেন। দায়েরকৃত মামলায় তাদেরকে আসামী না করে প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চেয়ে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম শাহ এর মুঠোফোনে কল করলে তিনি বলেন,আমি বড়ছড়া কয়লা আমদানীকারক গ্রæপের সদস্য। বৈধভাবে কয়লা ব্যবসা ব্যতিত অন্য কোন অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত নই। ৬ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে কুচক্রিমহল আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বলেন,বালি চুরির বিরুদ্ধে আমরা সর্বদাই সোচ্চার। এলাকায় স্থানীয় সকল প্রতিরোধ আন্দোলনে আমাদের ভূমিকা সম্পর্কে ইউএনও এবং ওসি সাহেবরা অবগত আছেন। আমরা বালিচুরির জন্য যাদেরকে ধরিয়ে দিচ্ছি তারাই আমাদের উপর পাল্টা অভিযোগ এনে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন,পুলিশের অভিযানে যারা মালামালসহ আটক হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখন তদন্তে যদি জড়িত অন্য কারো নাম আসে তাহলে তারাও আসামী হবে।



























