০৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারাবীহ- সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কিভাবে : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ০২:১৫:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সুন্নাতে মুয়াক্কাদার সংজ্ঞা বর্ননায় বলা হয়ে থাকে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) যে কাজ নিয়মিত করেছেন, তা সুন্নাতে মুয়াককাদাহ। এ সংজ্ঞার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক রাসুলুল্লাহ (সঃ) তো তো মাত্র তিন রাত্রি তারাবি পড়েছেন, তা সুন্নাতে মুয়াককাদাহ কিভাবে হল?
এব্যাপার হাকিমুল উম্মাত আশরাফ আলী থানবী রহ বলেন, প্রিয় নবী (সঃ) রমজানের তেইশ, পচিশ এবং সাতাশতম রাত্রিতে তারাবীহ নামাজ জামাত সহকারে আদায় করেন। আটাশ রমযান এশার নামাজ আদায়ের পর নবীজি মসজিদে নববীতে এতেকাফের জন্য নির্মিত তাবুতে প্রবেশ করেন, সাহাবায়ে কেরাম সাহরী পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। ফজরের নামাজ আদায় করে নবী (সঃ) বলেন, তোমরা অপেক্ষা করেছ আমি জানি।কিন্তু আমি বের হয়নি, আমি ভয় করছি হয়তো তোমাদের উপর তারাবীহ ফরজ হয়ে যাবে। প্রিয় নবীর মনের তামান্না ছিল তারাবীহ নামাজ সম্পুর্ন রমযান জামাত সহকারে আদায় করার, কিন্তু উম্মতের উপর দয়া পরবশ হয়ে আদায় করেননি।নবীজির মনের তামান্না হযরত উমর রাঃ পুর্ণ করেছেন। বিশ রাকাত তারাবীহ জামাতসহ আদায়ের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। নবী (সঃ)যে সমস্ত আমল নিয়মিত করেছেন তা দু ধরনের, এক বাহ্যিকভাবে, অপরটি পরোক্ষভাবে। তারাবীহ বিশরাকাত নামাজ সারা রমযান বাহ্যিকভাবে আদায় না করলে ও মনের তামান্না হিসাবে পরোক্ষভাবে প্রত্যেহ আদায় করেছেন, তাই তা সুন্নাতে মুয়াককাদাহ। আল্লাহ আমাদের শান্ত মেজাজে বিষয়টি বুঝার তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

তারাবীহ- সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কিভাবে : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ০২:১৫:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ এপ্রিল ২০২২

সুন্নাতে মুয়াক্কাদার সংজ্ঞা বর্ননায় বলা হয়ে থাকে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) যে কাজ নিয়মিত করেছেন, তা সুন্নাতে মুয়াককাদাহ। এ সংজ্ঞার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক রাসুলুল্লাহ (সঃ) তো তো মাত্র তিন রাত্রি তারাবি পড়েছেন, তা সুন্নাতে মুয়াককাদাহ কিভাবে হল?
এব্যাপার হাকিমুল উম্মাত আশরাফ আলী থানবী রহ বলেন, প্রিয় নবী (সঃ) রমজানের তেইশ, পচিশ এবং সাতাশতম রাত্রিতে তারাবীহ নামাজ জামাত সহকারে আদায় করেন। আটাশ রমযান এশার নামাজ আদায়ের পর নবীজি মসজিদে নববীতে এতেকাফের জন্য নির্মিত তাবুতে প্রবেশ করেন, সাহাবায়ে কেরাম সাহরী পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। ফজরের নামাজ আদায় করে নবী (সঃ) বলেন, তোমরা অপেক্ষা করেছ আমি জানি।কিন্তু আমি বের হয়নি, আমি ভয় করছি হয়তো তোমাদের উপর তারাবীহ ফরজ হয়ে যাবে। প্রিয় নবীর মনের তামান্না ছিল তারাবীহ নামাজ সম্পুর্ন রমযান জামাত সহকারে আদায় করার, কিন্তু উম্মতের উপর দয়া পরবশ হয়ে আদায় করেননি।নবীজির মনের তামান্না হযরত উমর রাঃ পুর্ণ করেছেন। বিশ রাকাত তারাবীহ জামাতসহ আদায়ের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। নবী (সঃ)যে সমস্ত আমল নিয়মিত করেছেন তা দু ধরনের, এক বাহ্যিকভাবে, অপরটি পরোক্ষভাবে। তারাবীহ বিশরাকাত নামাজ সারা রমযান বাহ্যিকভাবে আদায় না করলে ও মনের তামান্না হিসাবে পরোক্ষভাবে প্রত্যেহ আদায় করেছেন, তাই তা সুন্নাতে মুয়াককাদাহ। আল্লাহ আমাদের শান্ত মেজাজে বিষয়টি বুঝার তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ