০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জোটের নেতাদের যেখানে প্রার্থী করা হয়েছে সেখানেই বিএনপি’র কতিপয় উশৃংখল নেতাকর্মী অবাঞ্চিত ঘোষণা করছে!

  • Update Time : ০৪:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কে এম অাব্দুল্লাহ অাল মামুন ::

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের শরীক দলের নেতাদের যেখানে প্রার্থী করা হয়েছে সেখানেই বিএনপি’র কতিপয় উশৃংখল নেতাকর্মী তাদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছে!

 

ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের যেখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে সেখানেই বিএনপি’র কিছু অর্বাচীন নেতাকর্মী তাদের জুতা প্রদর্শন করছে!

 

যেসব এলাকায় বিএনপি’র একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সেখানেই বিএনপি’র কতিপয় বেকুব নেতাকর্মী মনোনয়নপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করছে!

 

এসব অথর্ব নেতাকর্মীদের প্রচন্ড চাপের কারণেই হয়ত সুষ্ঠুভাবে আসন বন্টন করতে পারেনি কেন্দ্রীয় বিএনপি।

 

এসব পদলোভী উচ্চাভিলাসী স্বার্থান্ধ নেতাকর্মীর কারণেই : বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন বেগম জিয়া। পুত্রশোকে কাতর বয়োবৃদ্ধা ত্যাগী এই ভদ্র মহিলার প্রতি এসব নেতাকর্মীর একটুও দরদ নেই।

 

এসব নেতাদের কারণেই গুম আর খুন হয়েছেন বিএনপি’র প্রায় অর্ধ্বশত যোগ্য নেতা।

 

এদের কারণেই অনেক ত্যাগী নেতা নববধূ আর দুধের শিশুকে ঘরে রেখে কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠেই অতিবাহিত করছেন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। তাদের প্রতি ন্যুনতম ভালোবাসাটুকুও এদের নেই।

 

এসব স্বার্থপর নেতাকর্মীর কারণেই কারাগারের শ্বাসরুদ্ধকর নির্জন সেলে তারুণ্যের সোনালী সময়গুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন অনেক মেধাবী ছাত্রনেতা। রিমান্ডের নামে তাদের পাঁজর ভেঙে দেয়া হচ্ছে। অন্ধকার নেমে আসছে তাদের অনাগত জীবনে। সন্তানতু্ল্য এসব ছাত্রনেতাদের প্রতিও তাদের কোন স্নেহ মমতা নেই।

 

এসব কুপমন্ডুক নেতাদের সহযোদ্ধা কিংবা সহকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধতো নেইই,ভদ্রতাও নেই। নেই তাদের মধ্যে শিষ্টাচার কিংবা সৌজন্যতার কোন বালাই।

 

দায়িত্বজ্ঞানহীন এসব নেতাদের মনে রাখা উচিৎ : তোমাদের এসব অভদ্রোচিত আচরণের কারণে আওয়ামিলিগ যদি আবার ক্ষমতায় যায়-তবে জুতা পিঠা আর ঝাড়ু পিঠা কাহাকে বলে,তাহা সযত্নে বুঝিয়ে দেবে খোদ আওয়ামিলিগ।

 

আর অবাঞ্চিত! এমন অবাঞ্চিত হবে তোমরা,”বিএনপি” শব্দটি সেদিন উচ্চারণ করার মতো কোন লোক থাকবে না বাংলাদেশে।

 

তোমাদের নির্মম ধ্বংসস্তূপগুলো প্রাণভরে দেখবে আর খিলখিলিয়ে হাসবে ২০ দলীয় জোট আর ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা।

 

সেদিন তোমরা অসহায়ের মতো সাহায্য চাইবে,কিন্তু কেউ তোমাদের পাশে দাড়াবে না।

 

অতএব বলছি : খাসলত পরিবর্তন করো। এবং দেশব্যাপী ২৩ দলীয় জোট তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করো : “যদি নিজের মুক্তি চাও, দলের স্বার্থ চাও, দেশের মঙ্গল চাও, জাতীর কল্যাণ চাও।”

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জোটের নেতাদের যেখানে প্রার্থী করা হয়েছে সেখানেই বিএনপি’র কতিপয় উশৃংখল নেতাকর্মী অবাঞ্চিত ঘোষণা করছে!

Update Time : ০৪:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

কে এম অাব্দুল্লাহ অাল মামুন ::

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের শরীক দলের নেতাদের যেখানে প্রার্থী করা হয়েছে সেখানেই বিএনপি’র কতিপয় উশৃংখল নেতাকর্মী তাদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছে!

 

ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের যেখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে সেখানেই বিএনপি’র কিছু অর্বাচীন নেতাকর্মী তাদের জুতা প্রদর্শন করছে!

 

যেসব এলাকায় বিএনপি’র একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সেখানেই বিএনপি’র কতিপয় বেকুব নেতাকর্মী মনোনয়নপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করছে!

 

এসব অথর্ব নেতাকর্মীদের প্রচন্ড চাপের কারণেই হয়ত সুষ্ঠুভাবে আসন বন্টন করতে পারেনি কেন্দ্রীয় বিএনপি।

 

এসব পদলোভী উচ্চাভিলাসী স্বার্থান্ধ নেতাকর্মীর কারণেই : বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন বেগম জিয়া। পুত্রশোকে কাতর বয়োবৃদ্ধা ত্যাগী এই ভদ্র মহিলার প্রতি এসব নেতাকর্মীর একটুও দরদ নেই।

 

এসব নেতাদের কারণেই গুম আর খুন হয়েছেন বিএনপি’র প্রায় অর্ধ্বশত যোগ্য নেতা।

 

এদের কারণেই অনেক ত্যাগী নেতা নববধূ আর দুধের শিশুকে ঘরে রেখে কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠেই অতিবাহিত করছেন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। তাদের প্রতি ন্যুনতম ভালোবাসাটুকুও এদের নেই।

 

এসব স্বার্থপর নেতাকর্মীর কারণেই কারাগারের শ্বাসরুদ্ধকর নির্জন সেলে তারুণ্যের সোনালী সময়গুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন অনেক মেধাবী ছাত্রনেতা। রিমান্ডের নামে তাদের পাঁজর ভেঙে দেয়া হচ্ছে। অন্ধকার নেমে আসছে তাদের অনাগত জীবনে। সন্তানতু্ল্য এসব ছাত্রনেতাদের প্রতিও তাদের কোন স্নেহ মমতা নেই।

 

এসব কুপমন্ডুক নেতাদের সহযোদ্ধা কিংবা সহকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধতো নেইই,ভদ্রতাও নেই। নেই তাদের মধ্যে শিষ্টাচার কিংবা সৌজন্যতার কোন বালাই।

 

দায়িত্বজ্ঞানহীন এসব নেতাদের মনে রাখা উচিৎ : তোমাদের এসব অভদ্রোচিত আচরণের কারণে আওয়ামিলিগ যদি আবার ক্ষমতায় যায়-তবে জুতা পিঠা আর ঝাড়ু পিঠা কাহাকে বলে,তাহা সযত্নে বুঝিয়ে দেবে খোদ আওয়ামিলিগ।

 

আর অবাঞ্চিত! এমন অবাঞ্চিত হবে তোমরা,”বিএনপি” শব্দটি সেদিন উচ্চারণ করার মতো কোন লোক থাকবে না বাংলাদেশে।

 

তোমাদের নির্মম ধ্বংসস্তূপগুলো প্রাণভরে দেখবে আর খিলখিলিয়ে হাসবে ২০ দলীয় জোট আর ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা।

 

সেদিন তোমরা অসহায়ের মতো সাহায্য চাইবে,কিন্তু কেউ তোমাদের পাশে দাড়াবে না।

 

অতএব বলছি : খাসলত পরিবর্তন করো। এবং দেশব্যাপী ২৩ দলীয় জোট তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করো : “যদি নিজের মুক্তি চাও, দলের স্বার্থ চাও, দেশের মঙ্গল চাও, জাতীর কল্যাণ চাও।”

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ