১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেলা পরিষদ নির্বাচন প্রচার শেষ, ভোট সোমবার

  • Update Time : ০৩:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: জেলা পরিষদ নির্বাচনের সব ধরনের প্রচার শেষ হয়েছে শনিবার মধ্যরাতে। সোমবার সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ দেশের ৫৭টি জেলায় একযোগে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কেবল সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। নির্দলীয় এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) ভোটগ্রহণ হবে। তিনটি পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলায় নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ভোলা এবং ফেনীতে সব পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় আর ভোট হচ্ছে না। বাকি দুই জেলা নোয়াখালী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাচন আদালতের নির্দেশে স্থগিত করা হয়েছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইতোমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৭ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৬৯ এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র প্রতি নিয়োজিত থাকবে সাত জনের ফোর্স। ভোটের আগে-পরে থাকছেন পর্যাপ্ত সংখ্যায় নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়াও নিয়োজিত থাকছে কয়েক প্লাটুন বিজিবি, কোস্টা গার্ড, র‌্যাব-এর মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার আইন-শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশের অস্ত্রসহ মোট তিন জন, আনসারের অস্ত্রসহ দুজন ও অঙ্গীভূত আনসারের দুজন; মোট সাত জন নিয়োগ করা হবে। ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে একদিন ও পরে একদিন; মোট তিন দিন ভোটকেন্দ্রে ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় তারা দায়িত্ব পালন করবেন। এক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব অনুসারে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে পুলিশ সুপার, ক্ষেত্রবিশেষ মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ফোর্সের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারবেন।

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট: জেলা পরিষদ-২০২২ উপলক্ষে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতাই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ৬১টি জেলায় প্রতিটির জন্য এক জন করে মোট ৬১ (একষট্টি) জন ম্যাজিস্ট্রেটকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও আচরণবিধি সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের আগের দু’দিন ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দুদিন অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৫ (পাঁচ) দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবে।

 

বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট: জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি-৮৬ এ বর্ণিত ক্ষমতাবলে এসব জেলা পরিষদের নির্বাচনী এলাকায় বিধি-৭২, ৭৪, ৭৫, ৭৬ ও বিধি-৭৭ এর উপ-বিধি (১) এবং বিধি-৭৮ এর অধীন নির্বাচনী অপরাধসমূহ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা- ১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন বিচারার্থে আমলে নিয়ে বিচার সম্পন্ন করার জন্য ৬১ (একষটি) জেলার মধ্যে ১১ (এগারো)টি জেলা যথা- ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা এর জন্য প্রতিটিতে ৪ জন করে মোট ৪৪ জন এবং অবশিষ্ট ৫০ জেলায় প্রতিটিতে এক জন করে মোট ৫০ জনসহ সর্বমোট ৯৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে ভোটগ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দুই দিন অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর, থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।

 

বিজিবি/কোস্টগার্ড/আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন: বিজিবি/কোস্টগার্ড/আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ১/২ টি প্লাটুন জেলা সদরে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবে; দ্বীপাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড দায়িত্ব পালন করবে। এক্ষেত্রে কোস্টগার্ড কোন কোন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম তার একটি তালিকা নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবে। বিজিবি এবং কোস্টগার্ড উভয়ে ফোর্স মোতায়েনের বিষয়টি সমন্বয় করবে। রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ব্যতিরেকে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষে কোন প্রকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।

 

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব): সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ প্রবেশ/নির্বাচনের জন্য হুমকীস্বরূপ কোনো ব্যক্তি/বস্তুর যাতায়াত/চলাফেরা ইত্যাদি আইন অনুযায়ী রোধ করা; মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে; নির্বাচনী এলাকায় সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে; বিশেষ পরিস্থিতিতে রিটার্নিং অফিসার সহায়তা কামনা করলে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাকে সহায়তা করবে; রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ব্যতিরেকে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষে কোনো প্রকার দায়িত্ব নেবে না।

 

পুলিশ: ভোটদানের জন্য ভোটাররা যাতে নির্বিঘেœ ও স্বাচ্ছন্দে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে, সে জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ভ্রাম্যমাণ ইউনিটসমূহ কর্তৃক নিবিড় টহল দানের ব্যবস্থা করা; নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর। ভোট কেন্দ্রের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করাই হবে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রধান কাজ। এছাড়া নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব সরঞ্জাম ও দলিল দস্তাবেজ আনা নেওয়ার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; নির্বাচন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; নির্বাচন কার্যালয়সমূহ, রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিধান করা; স্থানীয় জননিরাপত্তা, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের সুশৃংখল লাইন করানোসহ স্থানীয় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা; ভোটারদের জন্য আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করার দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ।

 

আনসার ও ভিডিপি: পুলিশ বাহিনী নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। অস্ত্র ও গোলাবারুদ স্ব স্ব বাহিনীর সদর দফতর নির্ধারণ করবে; স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আবাসন ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে হবে; স্ব স্ব বাহিনীর সদর দফতর তাদের রেশন নির্ধারণ করবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জেলা পরিষদ নির্বাচন প্রচার শেষ, ভোট সোমবার

Update Time : ০৩:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: জেলা পরিষদ নির্বাচনের সব ধরনের প্রচার শেষ হয়েছে শনিবার মধ্যরাতে। সোমবার সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ দেশের ৫৭টি জেলায় একযোগে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কেবল সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। নির্দলীয় এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) ভোটগ্রহণ হবে। তিনটি পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলায় নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ভোলা এবং ফেনীতে সব পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় আর ভোট হচ্ছে না। বাকি দুই জেলা নোয়াখালী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাচন আদালতের নির্দেশে স্থগিত করা হয়েছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইতোমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৭ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৬৯ এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র প্রতি নিয়োজিত থাকবে সাত জনের ফোর্স। ভোটের আগে-পরে থাকছেন পর্যাপ্ত সংখ্যায় নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়াও নিয়োজিত থাকছে কয়েক প্লাটুন বিজিবি, কোস্টা গার্ড, র‌্যাব-এর মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার আইন-শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশের অস্ত্রসহ মোট তিন জন, আনসারের অস্ত্রসহ দুজন ও অঙ্গীভূত আনসারের দুজন; মোট সাত জন নিয়োগ করা হবে। ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে একদিন ও পরে একদিন; মোট তিন দিন ভোটকেন্দ্রে ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় তারা দায়িত্ব পালন করবেন। এক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব অনুসারে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে পুলিশ সুপার, ক্ষেত্রবিশেষ মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ফোর্সের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারবেন।

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট: জেলা পরিষদ-২০২২ উপলক্ষে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতাই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ৬১টি জেলায় প্রতিটির জন্য এক জন করে মোট ৬১ (একষট্টি) জন ম্যাজিস্ট্রেটকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও আচরণবিধি সংক্রান্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের আগের দু’দিন ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দুদিন অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৫ (পাঁচ) দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবে।

 

বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট: জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি-৮৬ এ বর্ণিত ক্ষমতাবলে এসব জেলা পরিষদের নির্বাচনী এলাকায় বিধি-৭২, ৭৪, ৭৫, ৭৬ ও বিধি-৭৭ এর উপ-বিধি (১) এবং বিধি-৭৮ এর অধীন নির্বাচনী অপরাধসমূহ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা- ১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন বিচারার্থে আমলে নিয়ে বিচার সম্পন্ন করার জন্য ৬১ (একষটি) জেলার মধ্যে ১১ (এগারো)টি জেলা যথা- ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা এর জন্য প্রতিটিতে ৪ জন করে মোট ৪৪ জন এবং অবশিষ্ট ৫০ জেলায় প্রতিটিতে এক জন করে মোট ৫০ জনসহ সর্বমোট ৯৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে ভোটগ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দুই দিন অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর, থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।

 

বিজিবি/কোস্টগার্ড/আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন: বিজিবি/কোস্টগার্ড/আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ১/২ টি প্লাটুন জেলা সদরে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবে; দ্বীপাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড দায়িত্ব পালন করবে। এক্ষেত্রে কোস্টগার্ড কোন কোন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম তার একটি তালিকা নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবে। বিজিবি এবং কোস্টগার্ড উভয়ে ফোর্স মোতায়েনের বিষয়টি সমন্বয় করবে। রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ব্যতিরেকে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষে কোন প্রকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।

 

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব): সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ প্রবেশ/নির্বাচনের জন্য হুমকীস্বরূপ কোনো ব্যক্তি/বস্তুর যাতায়াত/চলাফেরা ইত্যাদি আইন অনুযায়ী রোধ করা; মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে; নির্বাচনী এলাকায় সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে; বিশেষ পরিস্থিতিতে রিটার্নিং অফিসার সহায়তা কামনা করলে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাকে সহায়তা করবে; রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ব্যতিরেকে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষে কোনো প্রকার দায়িত্ব নেবে না।

 

পুলিশ: ভোটদানের জন্য ভোটাররা যাতে নির্বিঘেœ ও স্বাচ্ছন্দে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে, সে জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ভ্রাম্যমাণ ইউনিটসমূহ কর্তৃক নিবিড় টহল দানের ব্যবস্থা করা; নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর। ভোট কেন্দ্রের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করাই হবে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রধান কাজ। এছাড়া নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব সরঞ্জাম ও দলিল দস্তাবেজ আনা নেওয়ার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; নির্বাচন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; নির্বাচন কার্যালয়সমূহ, রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিধান করা; স্থানীয় জননিরাপত্তা, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের সুশৃংখল লাইন করানোসহ স্থানীয় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা; ভোটারদের জন্য আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করার দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ।

 

আনসার ও ভিডিপি: পুলিশ বাহিনী নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। অস্ত্র ও গোলাবারুদ স্ব স্ব বাহিনীর সদর দফতর নির্ধারণ করবে; স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আবাসন ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে হবে; স্ব স্ব বাহিনীর সদর দফতর তাদের রেশন নির্ধারণ করবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ