জিলহজ মাসের প্রথম দশক: বছরের শ্রেষ্ঠ দিন হওয়ার হেতু কী? : শাহ মমশাদ আহমদ
- Update Time : ০৪:২৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম দিনসমূহ হলো- এই দশক। অর্থাৎ জিলহজের প্রথম দশ দিন। (মুসনাদে বাজ্জার, ইবনে হাব্বান)।
জিলহজ্জের প্রথম দশক এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার হেতু বর্ননা করে প্রসিদ্ধ হাদিস বিশারদ ইবনে হাজার আসকালানি (রহঃ) বলেন,
জিলহজের প্রথম দশটি দিনের বিশেষ গুরুত্বের কারণ হলো- এই দিনগুলোতে ইসলামের ৫টি রুকনের সমাহার রয়েছে।
১-ঈমান ও
২-সালাত অন্য দিনগুলোর মতো এদিন গুলোতেও বিদ্যমান।
২-জাকাত বছরের অন্য যেকোনো সময়ের মতো এসময়েও প্রদান করা যায়।
৩-আরাফার দিনে রোজার নির্দেশনার ফলে ইসলামের আরেকটি রোকন- রোজারও নজীর এই দশকে পাওয়া যায়।
পঞ্চম রুকন বা হজ।শুধু এ দশকে আদায় করা যায়।
অন্যদিকে কোরবানির বিধান তো কেবল এই দশকেই পালনযোগ্য।
তাছাড়া এই দশকেই রয়েছে আরাফা ও কোরবানির দিন। আরাফার দিনের দোয়াকে শ্রেষ্ঠ দোয়া বলা হয়েছে। আর কোরবানির দিনকেও বছরের সেরাদিন বলে আবু দাউদ ও নাসাঈর এক হাদিসে বর্ণিত আছে। সুতরাং মাস হিসেবে রমজান আর দিন হিসেবে এই দশক শ্রেষ্ঠ ও সর্বাপেক্ষা মর্যাদাপূর্ণ।
★ প্রশ্ন হতে পারে এদিনগুলোকে বছরের শ্রেষ্ঠ দিন বলা হয়েছে,
রমজানের শেষ দশক থেকে ও কি শ্রেষ্ঠ?
এর উত্তরে উলামায়ে কেরাম বলেন, বছরের রাত সমুহের মধ্যে রমজানের শেষ দশকের রাত উত্তম, যেহেতু এর মধ্যে লাইলাতুলকদর রয়েছে। পক্ষান্তরে জিলহজ্জের প্রথম দশকের দিনসমুহ উত্তম। যেহেতু এর মধ্যে আরাফা আছে, যে দিন দোয়া কবুল হয়। এছাড়া ঈদুল আযহা রয়েছে, যে দিন কুরবানী করা হয়।
তাই প্রত্যেক ঈমানদারকে ইবাদতের এই সুবর্ণ সময়ের সদ্ব্যবহার করে অন্য সময়ের আমলের ঘাটতি পূরণ করার জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।




























