১২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিহত

  • Update Time : ১১:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

{"msource":{"from":"blank"},"tools_used":{"crop":0,"free_crop":0,"shape_crop":0,"selection":0,"clone":0,"motion":0,"stretch":0,"curves":0,"adjust":0,"enhance":0,"resize":0,"flip_rotate":0},"total_effects_time":0,"total_editor_time":23085,"total_drawing_time":516,"total_effects_actions":0,"effects_applied":0,"total_editor_actions":{"frame":0,"mask":0,"sticker":0,"clipart":0,"lensflare":0,"callout":0,"border":0,"text":1,"shape_mask":0},"draw":{"layers_used":2,"total_draw_actions":6},"photos_added":0}

ডেস্ক রিপোর্ট :: জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম মোতাইত (৪৫) নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের শেরু মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাশেম মোতাইত চর মাইঝারা এলাকার বাসিন্দা এবং কুচাইপট্টি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) তানভীর হোসেন জানান, ‘ঘটনাটি পূর্বের জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকে ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় তখন কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাশেম মোতাইতের পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাশেম আলী খাঁর পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বুধবার দুপুরে শেরু মার্কেট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে কাশেম আলী খাঁর নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও রড-রামদা নিয়ে কাশেম মোতাইতের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা কাশেম মোতাইতের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। শাবল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই বিষয়ে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত কাশেমের চাচা শফি মোতাইত জানান, অনেকদিন জমি জমা নিয়ে আমার ভাতিজা কাসেম মোতাইতের সাথে একই এলাকার কাসেম আলীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। এই নিয়ে কয়েকবার সালিশও হয়েছে। কিন্তু কাশেম কাসেম আলী সালিশ মানেননি। আজকে সে লোকজন নিয়ে আমার ভাতিজার উপর হামলা চালায়। কাশেমের লোকজন আমার ভাতিজাকে লাঠিপেটা ও শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ও ভাতিজার পেটে বুকে ও মাথায় শাবল দিয়ে কুপিয়েছে। আমরা হত্যাকারীদের শাস্তি চাই। হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযুক্ত কাশেম আলী খাঁ ও তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। তার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিহত

Update Time : ১১:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম মোতাইত (৪৫) নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের শেরু মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাশেম মোতাইত চর মাইঝারা এলাকার বাসিন্দা এবং কুচাইপট্টি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) তানভীর হোসেন জানান, ‘ঘটনাটি পূর্বের জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকে ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় তখন কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাশেম মোতাইতের পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাশেম আলী খাঁর পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বুধবার দুপুরে শেরু মার্কেট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে কাশেম আলী খাঁর নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও রড-রামদা নিয়ে কাশেম মোতাইতের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা কাশেম মোতাইতের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। শাবল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই বিষয়ে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত কাশেমের চাচা শফি মোতাইত জানান, অনেকদিন জমি জমা নিয়ে আমার ভাতিজা কাসেম মোতাইতের সাথে একই এলাকার কাসেম আলীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। এই নিয়ে কয়েকবার সালিশও হয়েছে। কিন্তু কাশেম কাসেম আলী সালিশ মানেননি। আজকে সে লোকজন নিয়ে আমার ভাতিজার উপর হামলা চালায়। কাশেমের লোকজন আমার ভাতিজাকে লাঠিপেটা ও শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ও ভাতিজার পেটে বুকে ও মাথায় শাবল দিয়ে কুপিয়েছে। আমরা হত্যাকারীদের শাস্তি চাই। হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযুক্ত কাশেম আলী খাঁ ও তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। তার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ