১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমিয়াতুল মোদারের্ছীন’র সম্মেলন অনুষ্টিত

  • Update Time : ০৯:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বর্নাঢ্য ও বিনম্র পরিবেশের মধ্যে দিয়ে সিলেটে অনুষ্টিত হয়েছে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশ। মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করনের দাবীতে অনুষ্টিত এ সম্মেলনে গোটা বিভাগের বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধি জড়ো হন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, শামসুল উলামা হযরত আব্দুল লতিফ চৌধূরী ফুলতলী (র.) স্মৃতি বিজড়িত নগরীর শাহজালাল ডি.ওয়াই কামিল মাদ্রাসা, সোবহানীঘাটের কনফারেন্স হলে। সকাল ১০টায় অনুষ্টিত এ সম্মেলনের উদ্ভোধন করেন তার সুযোগ্য উত্তরসূরী সাহেবজাদা মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী।

 

নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্টিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন। তিনি দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্যে দেশ ও বিশ্বের নানামুখী সম্ভাবনা ও সংকটের কথা তোলে ধরে বলেন, আমরা হযরত শাহজালাল ও শাহপরান (র.) উত্তরসূরী ও প্রতিনিধি। তাদের আগমন ও মহতি কর্মছিল ইসলামি ইনসাফপূর্ণ সমাজ বির্নিমানে। তারা সেই সময়কার সোনার ও যোগ্য মানুষ ছিলেন বলেই তাদের ধারা সম্ভব হয়েছিল কল্যানকামী সমাজ গঠন। আমরা তাদেরই উত্তরসূরী। কিন্তু আমাদের ব্যর্থতার জন্য আজ নানামুখী সংকট। সেই সংকট উত্তরণে নৈতিক ও মেধাবী মানুষ দরকার। সেই মানুষ গঠনে ভুমিকা রাখতে হবে আমাদের মাদ্রাসাগুলোকে। আল্লাহভীরু লোক তৈরী ছাড়া তা এ পরিবর্তন সম্ভব নয় শুধু মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারীদের দাবী দাওয়া আদায়ে সোচ্চার হলে হবে না, আমাদের সন্তানদের নৈতিকভাবে গড়ে তোলে সমাজের নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। তার
উপযোগী হলেই আমাদের দাবী-দাওয়ার পাশাপাশি গঠন হবে কাঙ্খিত ইসলামি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা। চলমান নীতিহীন সমাজ ব্যবস্থায় আমরা বিব্রত। মানুষে মানুষে বিরাজ করছে আস্থা সংকট। সেকারনে মানুষের বদলে রোবট জায়গা করে নিচ্ছে আমাদের ভরশার স্থানে। দেউলিয়াত্বের চরম বাস্তবতায় দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে টিচারলেস কাস চালু হচ্ছে। কারন টিচারদের নৈতিকতা যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠে তাহলে শিক্ষার্থীদের শেখার কি আছে।এহেন অবস্থা আমাদের বুঝে নিয়ে নিজেদের উপযোগী করে, শিক্ষার্থীদের সফল মানুষ হিসাবে আগামীদিনের জন্য গড়ে তোলায় মনোযোগ হতে হবে। তিনি বলেন, সেজন্য জাগতিক ও আধ্যতিœকতার সমন্বয় দরকার। সেই পরিবেশ সৃষ্টি ও চর্চার জন্য মাদ্রাসা অনন্য। তিনি বলেন, মাদ্রাসার চার দেওয়ালে মধ্যে নয়, সামজের বিভিন্ন স্তরের পৌছে নীতি ও নৈতিকতা পরিচয়ে দিয়ে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের প্রমান করতে হবে তারা যে যোগ্য ও দেউলিয়াত্বের বিপরীতে নিজেরা উর্ত্তীন। তখন তাদের প্রতি সাধারন মানুষের গ্রহনযোগ্যতা ও নির্ভরতা সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষা, শিক্ষক কর্মচারীদের স্বার্থ আদায়ে অতীতের মতো এখন জমিয়াতুল মোদারের্ছীন সোচ্চার।ঐক্যবদ্ধভাবে জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের হাতকে শক্তিশালী রাখলে এমন কোন দাবী থাকবে না, যা পূরণ হবে না। বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সহ সংশ্লিষ্টরা মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও দাবী-দাওয়া পূরনে আন্তরিক। সেকারনে জাতীয়করনে বিষয়টিও অপূর্ণ থাকবে না। সময়ের ব্যবধানে তাও আদায় হবে, বলে দৃড় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্বের ইসলাম ও মুসলমাদের চলমান প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সালাফিদের ফেতনার দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে, মিশরে মীলাদুন্নবী বিরোধীতাকারীরা বোমা হামলা চালিয়ে সুন্নি মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করে দিয়েছে। এখন থেকে গোট মুসলিম বিশ্ব মীলাদুন্নবী পালন করবে।সালাফিরা কোনঠাসা হয়ে পড়ছে, খোদ সৌদি এখন তাদের লাগাম টেনে ধরতে কাজে নেমে পড়েছে। দুনিয়ার সুন্নি মুসলমানরা মডারেট ইসলামের বিকাশ, ধারন ও লালনে এখন অগ্রগামী হয়ে উঠছে। সম্মেলনের উদ্ভোধকের বক্তব্যে বাংলাদেশ আনজুমানে আল্ ইসলাহ সভাপতি ও আরবী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী বলেন, আউলিয়া কেরামও আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের এ দেশে মানুষকে নৈতিকভাবে গড়ে না তোললে কোন উদ্দেশ্য আমাদের সফল হবে না। দাবী-দাওয়ার বৃত্তে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের মুত্তাকি-ঈমানদার শিক্ষার্থী গড়তে হবে। তার ভয় করবে একমাত্র আল্লাহকে। মন্ত্রী-এমপি-ডিসি-এসপিদের ভয় যদি অন্তরকে কাপিয়ে তোলে, তাহলে আল্লাহর ভয় বলে কি কিছু থাকে। এহেন পরিস্থিতি মুকাবেলা করতে সৎ নিষ্টাবান নেতৃত্ব উপযোগী শিক্ষার্থী গড়ে তোলতে হবে আমাদের। সে শিক্ষার্থীরা নৈতিকভাবে দৃড় হয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে পৌছে দেশ ও জাতির সেবায় যোগ্যতার প্রমান দিতে পারবে। তারা যোগ্যতর হলে কোন সরকারের কাছে আমাদের ধর্না দিতে হবে না, তারাই আমাদের দাবী পূর্ণ করে নতুন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে। সেজন্য তাদের নৈতিক উন্নতি ও পারিপাশ্বির্ক অবস্থাকে মুকাবেলা করে নিজদের শ্রেষ্টত্ব অর্জনে প্রস্তুত করা খুবই দরকার। এই অবস্থা উপযোগী করতে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার বিকল্প নেই।

 

সম্মেলনে প্রধান বক্তা, সংগঠনের মহাসচিব আলহাজ্ব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবী দাওয়া বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক। একই সাথে সিলেটের সন্তান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় সকল প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আমরা কাঙ্খিত লক্ষে পৌছে যাচ্ছি। তিনি বলেন, দাবী দাওয়া সহ মাদ্রাসা শিক্ষা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল দাবী ক্রমশ: আদায় হয়ে যাবে। সেজন্য জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐকবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে, মাদ্রসাা শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরীর বয়স বৃদ্ধি, ইবতেদায় স্বতন্ত্র মাদ্রসা শিক্ষা ব্যবস্থা, চাকুরী জাতীয়করন সহ অন্যান্যদাবী পূরণ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আগামী বছরের মাঝামাঝিতে শিকদের অনেক দাবী রয়েছে যা পূরণে সুখবর পেয়ে যাবেন তারা। তিনি বলেন, মাদ্রাসার দাবী দাবী পূরনের মধ্যে দিয়ে সফলতা নয়, সফলতা হবে, উন্নত মানসিকতা ও নৈতিকভাবে বলিয়ান শিক্ষার্থী তৈরী করে সমাজের উন্নয়ন অগ্রগতিতে তাদের ভূমিকায় রাখায় সচেষ্ট করে তোলা। সেইভাবে উপযোগী করতে আমাদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন জমিয়াতুল মোদারের্ছীন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সেই ব্যবপারে সকলকে সর্তক থাকতে হবে। বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিন সিলেট জেলার সভাপতি হযরত মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী’র সভাপতিত্বে ও

 

 

সুনামগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজের পরিচালনায় অনুষ্টানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিনের যুগ্ম মহাসচিব হযরত মাওলানা এ কে এম মনোওর আলী, সহকারী মহাসচিব হযরত মাওলানা মোহাম্মদ নোমান আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য হযরত মাওলানা আব্দুল আলিম। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিন সিলেট মহানগরীর সভাপতি হযরত মাওলানা আবু সালেহ মো. কুতবুল আলম, সুনামঞ্জ জেলার সভাপতি হযরত মাওলানা আব্দুল আহাদ, হবিগঞ্জ জেলার সভাপতি হযরত মাওলানা ফারুক মিয়া, মৌলভীবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক হযরত মাওলানা শামসুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী, সিলেট মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ কুতুবুল আলম, কাগতিয়া দরবার শরীফ চট্রগ্রামের হযতর মাওলানা কাজী ইসমাইল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রায়গড় দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুর রউফ।

 

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্য আমিরুল ইসলাম, অধ্য লিয়াকত আলী খান, অধ্য ছমির উদ্দিন, অধ্য শহিদ আহমদ বুগদাদী, হাফিজ মাওলানা অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ, উপাধ্য শিহাবুর রহমান চৌধুরী, অধ্য ফরিদ উদ্দিন, অধ্য শফিকুর রহমান, উপাধ্য আবু আলী শিকন্দর, অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক, অধ্য আব্দুল হাকিম, অধ্য মোস্তাক আহমদ, অধ্য আবু ইউসুফ মো. নোমান, অধ্য আবু তাহির মো. হোসাইন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সবুর, অধ্য হাফিজুর রহমান, অধ্য আব্দুর নুর, অধ্যক্ষ শুয়াইবুর রহমান, অধ্য আব্দুল লতিফ, সুপার মখছুদুল করিম, অধ্য সিরাজুল আম্বিয়া ও কামরুজাম্মান চৌধুরী, মাওলানা সুলতান আহমদ, নজারুল ইসলাম, ছালেহ আহমদ, ফয়েজ আহমদ, আব্দুল জব্বার প্রমুখ। সম্মেলনে প্রধান অতিথিকে ব্যাজ পরিধান করান সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলা সাধারন সম্পাদক আলী মুহাম্মদ চৌধুরী ও ফুল দিয়ে বরণ করেন মৌলভীবাজার সাধারন সম্পাদক মাওলানা শামসুল হক। বিজ্ঞপ্তি

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জমিয়াতুল মোদারের্ছীন’র সম্মেলন অনুষ্টিত

Update Time : ০৯:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

বর্নাঢ্য ও বিনম্র পরিবেশের মধ্যে দিয়ে সিলেটে অনুষ্টিত হয়েছে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশ। মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করনের দাবীতে অনুষ্টিত এ সম্মেলনে গোটা বিভাগের বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধি জড়ো হন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, শামসুল উলামা হযরত আব্দুল লতিফ চৌধূরী ফুলতলী (র.) স্মৃতি বিজড়িত নগরীর শাহজালাল ডি.ওয়াই কামিল মাদ্রাসা, সোবহানীঘাটের কনফারেন্স হলে। সকাল ১০টায় অনুষ্টিত এ সম্মেলনের উদ্ভোধন করেন তার সুযোগ্য উত্তরসূরী সাহেবজাদা মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী।

 

নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্টিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন। তিনি দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্যে দেশ ও বিশ্বের নানামুখী সম্ভাবনা ও সংকটের কথা তোলে ধরে বলেন, আমরা হযরত শাহজালাল ও শাহপরান (র.) উত্তরসূরী ও প্রতিনিধি। তাদের আগমন ও মহতি কর্মছিল ইসলামি ইনসাফপূর্ণ সমাজ বির্নিমানে। তারা সেই সময়কার সোনার ও যোগ্য মানুষ ছিলেন বলেই তাদের ধারা সম্ভব হয়েছিল কল্যানকামী সমাজ গঠন। আমরা তাদেরই উত্তরসূরী। কিন্তু আমাদের ব্যর্থতার জন্য আজ নানামুখী সংকট। সেই সংকট উত্তরণে নৈতিক ও মেধাবী মানুষ দরকার। সেই মানুষ গঠনে ভুমিকা রাখতে হবে আমাদের মাদ্রাসাগুলোকে। আল্লাহভীরু লোক তৈরী ছাড়া তা এ পরিবর্তন সম্ভব নয় শুধু মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারীদের দাবী দাওয়া আদায়ে সোচ্চার হলে হবে না, আমাদের সন্তানদের নৈতিকভাবে গড়ে তোলে সমাজের নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। তার
উপযোগী হলেই আমাদের দাবী-দাওয়ার পাশাপাশি গঠন হবে কাঙ্খিত ইসলামি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা। চলমান নীতিহীন সমাজ ব্যবস্থায় আমরা বিব্রত। মানুষে মানুষে বিরাজ করছে আস্থা সংকট। সেকারনে মানুষের বদলে রোবট জায়গা করে নিচ্ছে আমাদের ভরশার স্থানে। দেউলিয়াত্বের চরম বাস্তবতায় দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে টিচারলেস কাস চালু হচ্ছে। কারন টিচারদের নৈতিকতা যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠে তাহলে শিক্ষার্থীদের শেখার কি আছে।এহেন অবস্থা আমাদের বুঝে নিয়ে নিজেদের উপযোগী করে, শিক্ষার্থীদের সফল মানুষ হিসাবে আগামীদিনের জন্য গড়ে তোলায় মনোযোগ হতে হবে। তিনি বলেন, সেজন্য জাগতিক ও আধ্যতিœকতার সমন্বয় দরকার। সেই পরিবেশ সৃষ্টি ও চর্চার জন্য মাদ্রাসা অনন্য। তিনি বলেন, মাদ্রাসার চার দেওয়ালে মধ্যে নয়, সামজের বিভিন্ন স্তরের পৌছে নীতি ও নৈতিকতা পরিচয়ে দিয়ে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের প্রমান করতে হবে তারা যে যোগ্য ও দেউলিয়াত্বের বিপরীতে নিজেরা উর্ত্তীন। তখন তাদের প্রতি সাধারন মানুষের গ্রহনযোগ্যতা ও নির্ভরতা সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষা, শিক্ষক কর্মচারীদের স্বার্থ আদায়ে অতীতের মতো এখন জমিয়াতুল মোদারের্ছীন সোচ্চার।ঐক্যবদ্ধভাবে জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের হাতকে শক্তিশালী রাখলে এমন কোন দাবী থাকবে না, যা পূরণ হবে না। বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সহ সংশ্লিষ্টরা মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও দাবী-দাওয়া পূরনে আন্তরিক। সেকারনে জাতীয়করনে বিষয়টিও অপূর্ণ থাকবে না। সময়ের ব্যবধানে তাও আদায় হবে, বলে দৃড় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্বের ইসলাম ও মুসলমাদের চলমান প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সালাফিদের ফেতনার দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে, মিশরে মীলাদুন্নবী বিরোধীতাকারীরা বোমা হামলা চালিয়ে সুন্নি মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করে দিয়েছে। এখন থেকে গোট মুসলিম বিশ্ব মীলাদুন্নবী পালন করবে।সালাফিরা কোনঠাসা হয়ে পড়ছে, খোদ সৌদি এখন তাদের লাগাম টেনে ধরতে কাজে নেমে পড়েছে। দুনিয়ার সুন্নি মুসলমানরা মডারেট ইসলামের বিকাশ, ধারন ও লালনে এখন অগ্রগামী হয়ে উঠছে। সম্মেলনের উদ্ভোধকের বক্তব্যে বাংলাদেশ আনজুমানে আল্ ইসলাহ সভাপতি ও আরবী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী বলেন, আউলিয়া কেরামও আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের এ দেশে মানুষকে নৈতিকভাবে গড়ে না তোললে কোন উদ্দেশ্য আমাদের সফল হবে না। দাবী-দাওয়ার বৃত্তে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের মুত্তাকি-ঈমানদার শিক্ষার্থী গড়তে হবে। তার ভয় করবে একমাত্র আল্লাহকে। মন্ত্রী-এমপি-ডিসি-এসপিদের ভয় যদি অন্তরকে কাপিয়ে তোলে, তাহলে আল্লাহর ভয় বলে কি কিছু থাকে। এহেন পরিস্থিতি মুকাবেলা করতে সৎ নিষ্টাবান নেতৃত্ব উপযোগী শিক্ষার্থী গড়ে তোলতে হবে আমাদের। সে শিক্ষার্থীরা নৈতিকভাবে দৃড় হয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে পৌছে দেশ ও জাতির সেবায় যোগ্যতার প্রমান দিতে পারবে। তারা যোগ্যতর হলে কোন সরকারের কাছে আমাদের ধর্না দিতে হবে না, তারাই আমাদের দাবী পূর্ণ করে নতুন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে। সেজন্য তাদের নৈতিক উন্নতি ও পারিপাশ্বির্ক অবস্থাকে মুকাবেলা করে নিজদের শ্রেষ্টত্ব অর্জনে প্রস্তুত করা খুবই দরকার। এই অবস্থা উপযোগী করতে মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার বিকল্প নেই।

 

সম্মেলনে প্রধান বক্তা, সংগঠনের মহাসচিব আলহাজ্ব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবী দাওয়া বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক। একই সাথে সিলেটের সন্তান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় সকল প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আমরা কাঙ্খিত লক্ষে পৌছে যাচ্ছি। তিনি বলেন, দাবী দাওয়া সহ মাদ্রাসা শিক্ষা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল দাবী ক্রমশ: আদায় হয়ে যাবে। সেজন্য জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐকবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে, মাদ্রসাা শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরীর বয়স বৃদ্ধি, ইবতেদায় স্বতন্ত্র মাদ্রসা শিক্ষা ব্যবস্থা, চাকুরী জাতীয়করন সহ অন্যান্যদাবী পূরণ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আগামী বছরের মাঝামাঝিতে শিকদের অনেক দাবী রয়েছে যা পূরণে সুখবর পেয়ে যাবেন তারা। তিনি বলেন, মাদ্রাসার দাবী দাবী পূরনের মধ্যে দিয়ে সফলতা নয়, সফলতা হবে, উন্নত মানসিকতা ও নৈতিকভাবে বলিয়ান শিক্ষার্থী তৈরী করে সমাজের উন্নয়ন অগ্রগতিতে তাদের ভূমিকায় রাখায় সচেষ্ট করে তোলা। সেইভাবে উপযোগী করতে আমাদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন জমিয়াতুল মোদারের্ছীন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সেই ব্যবপারে সকলকে সর্তক থাকতে হবে। বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিন সিলেট জেলার সভাপতি হযরত মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী’র সভাপতিত্বে ও

 

 

সুনামগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজের পরিচালনায় অনুষ্টানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিনের যুগ্ম মহাসচিব হযরত মাওলানা এ কে এম মনোওর আলী, সহকারী মহাসচিব হযরত মাওলানা মোহাম্মদ নোমান আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য হযরত মাওলানা আব্দুল আলিম। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিন সিলেট মহানগরীর সভাপতি হযরত মাওলানা আবু সালেহ মো. কুতবুল আলম, সুনামঞ্জ জেলার সভাপতি হযরত মাওলানা আব্দুল আহাদ, হবিগঞ্জ জেলার সভাপতি হযরত মাওলানা ফারুক মিয়া, মৌলভীবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক হযরত মাওলানা শামসুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী, সিলেট মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ কুতুবুল আলম, কাগতিয়া দরবার শরীফ চট্রগ্রামের হযতর মাওলানা কাজী ইসমাইল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রায়গড় দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুর রউফ।

 

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্য আমিরুল ইসলাম, অধ্য লিয়াকত আলী খান, অধ্য ছমির উদ্দিন, অধ্য শহিদ আহমদ বুগদাদী, হাফিজ মাওলানা অধ্যক্ষ সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ, উপাধ্য শিহাবুর রহমান চৌধুরী, অধ্য ফরিদ উদ্দিন, অধ্য শফিকুর রহমান, উপাধ্য আবু আলী শিকন্দর, অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক, অধ্য আব্দুল হাকিম, অধ্য মোস্তাক আহমদ, অধ্য আবু ইউসুফ মো. নোমান, অধ্য আবু তাহির মো. হোসাইন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সবুর, অধ্য হাফিজুর রহমান, অধ্য আব্দুর নুর, অধ্যক্ষ শুয়াইবুর রহমান, অধ্য আব্দুল লতিফ, সুপার মখছুদুল করিম, অধ্য সিরাজুল আম্বিয়া ও কামরুজাম্মান চৌধুরী, মাওলানা সুলতান আহমদ, নজারুল ইসলাম, ছালেহ আহমদ, ফয়েজ আহমদ, আব্দুল জব্বার প্রমুখ। সম্মেলনে প্রধান অতিথিকে ব্যাজ পরিধান করান সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলা সাধারন সম্পাদক আলী মুহাম্মদ চৌধুরী ও ফুল দিয়ে বরণ করেন মৌলভীবাজার সাধারন সম্পাদক মাওলানা শামসুল হক। বিজ্ঞপ্তি

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ