০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুর সৈয়দপুরে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ, থানায় অভিযোগ

  • Update Time : ০৮:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ আগস্ট ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুরে একটি জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যে কোন মুহুর্তে সংঘর্ষের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জানাগেছে, সৈয়দপুর ইশানকোনা (মল্লিকপাড়া জামে মসজিদ)-এর পরিচালা কমিটি নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে দুই পক্ষের মুসল্লিদের মধ্যে। এক পক্ষ পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন করায় এ বিবাদ আরো তুঙ্গে উঠেছে। এ বিষয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় সৈয়দ আলমগীর আহমদ দাড়াইয়ে কমিটির বিষয়ে আলাপ করতে চাইলে সাথে সাথে মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি আছাদ আহমদের বাধার মুখে সৈয়দ আলমগীর আহমদ আর কমিটির বিষয়ে আলাপ করতে পারেননি। এসময় থানা পুলিশের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

 

 

অভিযোগ থেকে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে শাহ সৈয়দ উমর সমরকন্দ জামে মসজিদ (সৈয়দপুর ইশানকোনা, মল্লিকপাড়া জামে মসজিদ) প্রতিষ্ঠা করা হয়। মসজিদের ভূমি দাতা হলেন, সৈয়দপুর উত্তর ইশানকোনা গ্রামের হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়া), হাজি সৈয়দ আব্দুস সালাম (রাজা মিয়া), হাজি সৈয়দ তবিবুর রহমান, হাজি সৈয়দ আনোয়ার আলী, সৈয়দ খোকন মিয়া, সৈয়দ জিলু মিয়া। উল্লেখ্য যে, হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়া), হাজি সৈয়দ তবিবুর রহমান এই জামে মসজিদ নির্মাণে বিশেষ ভুমিকা রাখেন। এরপর মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণসহ ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়ার) ঘরে খাওয়াসহ সমস্ত ব্যবস্থা করে আসছেন অন্যান্যদের সহযোগীতায়। মসজিদ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মসজিদের মুতাওয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করেন হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়া)। হাজি মানিক মিয়ার মৃত্যুর পর থেকে মসজিদের মুতাওয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করছেন (বর্তমান) হাজি তবিবুর রহমান। আরো জানাগেছে, সৈয়দ দুদু মিয়াকে সভাপতি ও সৈয়দ আব্দুর রকিবকে সেক্রেটারি করে স্বঘোষিত মসজিদ পরিচালনার জন্য নতুন কমিটি গঠন করার চেষ্টা করলে স্থানীয় মুসল্লিরা ঐ কমিটিকে বৈধতা না দিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি অনেকেই জানান, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সাল থেকে মসজিদ শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এক শ্রেণীর কিছু লোক নতুন কমিটির নামে অশান্তি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এসব কাজ যা সম্পূর্ণ অবৈধ। এদিকে সৈয়দ আলমগীর আহমদের সাথে বার বার যোগাযোগ করেও তাহার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুর সৈয়দপুরে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ, থানায় অভিযোগ

Update Time : ০৮:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ আগস্ট ২০২১

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুরে একটি জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যে কোন মুহুর্তে সংঘর্ষের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জানাগেছে, সৈয়দপুর ইশানকোনা (মল্লিকপাড়া জামে মসজিদ)-এর পরিচালা কমিটি নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে দুই পক্ষের মুসল্লিদের মধ্যে। এক পক্ষ পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন করায় এ বিবাদ আরো তুঙ্গে উঠেছে। এ বিষয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় সৈয়দ আলমগীর আহমদ দাড়াইয়ে কমিটির বিষয়ে আলাপ করতে চাইলে সাথে সাথে মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি আছাদ আহমদের বাধার মুখে সৈয়দ আলমগীর আহমদ আর কমিটির বিষয়ে আলাপ করতে পারেননি। এসময় থানা পুলিশের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

 

 

অভিযোগ থেকে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে শাহ সৈয়দ উমর সমরকন্দ জামে মসজিদ (সৈয়দপুর ইশানকোনা, মল্লিকপাড়া জামে মসজিদ) প্রতিষ্ঠা করা হয়। মসজিদের ভূমি দাতা হলেন, সৈয়দপুর উত্তর ইশানকোনা গ্রামের হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়া), হাজি সৈয়দ আব্দুস সালাম (রাজা মিয়া), হাজি সৈয়দ তবিবুর রহমান, হাজি সৈয়দ আনোয়ার আলী, সৈয়দ খোকন মিয়া, সৈয়দ জিলু মিয়া। উল্লেখ্য যে, হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়া), হাজি সৈয়দ তবিবুর রহমান এই জামে মসজিদ নির্মাণে বিশেষ ভুমিকা রাখেন। এরপর মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণসহ ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়ার) ঘরে খাওয়াসহ সমস্ত ব্যবস্থা করে আসছেন অন্যান্যদের সহযোগীতায়। মসজিদ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মসজিদের মুতাওয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করেন হাজি সৈয়দ আব্দুল মালিক (মানিক মিয়া)। হাজি মানিক মিয়ার মৃত্যুর পর থেকে মসজিদের মুতাওয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করছেন (বর্তমান) হাজি তবিবুর রহমান। আরো জানাগেছে, সৈয়দ দুদু মিয়াকে সভাপতি ও সৈয়দ আব্দুর রকিবকে সেক্রেটারি করে স্বঘোষিত মসজিদ পরিচালনার জন্য নতুন কমিটি গঠন করার চেষ্টা করলে স্থানীয় মুসল্লিরা ঐ কমিটিকে বৈধতা না দিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি অনেকেই জানান, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সাল থেকে মসজিদ শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এক শ্রেণীর কিছু লোক নতুন কমিটির নামে অশান্তি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এসব কাজ যা সম্পূর্ণ অবৈধ। এদিকে সৈয়দ আলমগীর আহমদের সাথে বার বার যোগাযোগ করেও তাহার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ