০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আওয়ামী বসন্ত
- Update Time : ১২:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মনজুর আজাদ পাভেল :: কাঁশফুল দেখলেই প্রকৃতিতে শরৎকাল চলছে এটা যেমন বোঝা যায় তেমনি গাছে নতুন পাতা আর কোকিলের কুহুকুহু সুর মনে করিয়ে দেয় বসন্ত এসেছে। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ -জগন্নাথপুরে শরৎকালেই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বসন্ত বিরাজ করছে। প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে নতুন পাতার মতো নতুন আশা জেগেছে, মনের কোনে হিমেল হাওয়া দোলা দিয়ে যাচ্ছে, যে হাওয়া আনন্দের বার্তা নিয়ে বয়ে চলে অবিরাম। কোকিলের কুহুকুহু মিষ্টি সুরে মুখরিত মাঠ, ঘাট প্রান্তর। এ সবই হচ্ছে আজিজুস সামাদ আজাদ ডন নামক একজন বিস্ময় যাদুকরের কল্যাণে।
একটা শিশু বাচ্চার মুখে যখন বুলি ফুটে তখন প্রথমেই মা..মা, বা..বা, মাম এই জাতীয় শব্দই বেশী উচ্চারিত হয়। আজিজুস সামাদ ডনও এই জাতীয় শব্দের খেলায় কথা বলতে শিখেছেন। হাঁটি হাঁটি পা পা করে যখন নিজে নিজে শব্দ করে হাঁটা শিখছেন, তার সাথে সাথে শিখছেন নতুন নতুন শব্দ তখনই মহান বাবার রাজনীতির কল্যাণে পরিচিত হয়েছিলেন “জয় বাংলা” শ্লোগান এর সাথে। যে বয়সে একটা শব্দ শিখলে হৃদয়ে গেঁথে যায় সেই বয়সেই “জয় বাংলা” শ্লোগানটিকে শব্দের মায়ায় গেঁেথ ফেলেছেন হৃদয়ে, একটু বড় হয়েই আরো একটি শ্লোগান যুক্ত হলো মনের গহীন অন্দরে। “জয় বঙ্গবন্ধু”। যে শ্লোগান বঞ্চিত মানুষের কথা বলে, অধিকার আদায়ের কথা বলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে, স্বাধীনতার কথা বলে, সার্বভৌমত্বের কথা বলে, যে শ্লোগান দিতে দিতে কোটি কোটি বাঙ্গালী নিজের বুক পেতে দেয় বন্দুকের নলের সামনে, সেই শ্লোগান যা আমাদের বাংলাদেশ এনে দিয়েছে। জাতির জনকের আদর্শ আর মহান বাবার নীতি এবং স্বদেশ প্রেমের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন, ব্যক্তি জীবনে সফল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা, প্রাবন্ধিক আজিজুস সামাদ ডন স্বপ্ন দেখেন বাবার মতো সারাটা জীবন হাওর পারের মানুষের জীবন মান উন্নয়নে, তাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকার। জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থাশীল এবং নেত্রীর অত্যন্ত ¯েœহভাজন মানুষটি দলীয় হাইকমান্ড এর নির্দেশনায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নৌকার পক্ষে মাঠে নেমেছেন। লক্ষ্য একটাই, নৌকাকে কাঙ্খিত বন্দরে পৌঁছানো। লক্ষ্যপূরণে ক্লান্তিহীন ছুটে চলেছেন আর তাতেই বসন্তের বাতাস বইতে শুরু করেছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুরের সর্বত্র। প্রাণ ফিরে পেয়েছে তৃণমূলের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।
আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু ০৫ সেপ্টেম্বর চিলাউড়া বাজার থেকে। ছিল মতবিনিময় সভা হয়ে গেল জনসভা। পরের দিন ০৬ সেপ্টেম্বর জগন্নাথপুর বাজারে পূর্বনির্ধারিত ঈদ পুনর্মিলনী সমাবেশ রুপ নিল বিশাল জনসভায়। দুর দুরান্ত থেকে সকল বয়সের নেতা কর্মী, সাধারণ মানুষ এসে যোগ দিল, স্বতস্ফূর্তভাবে, স্ব-ইচ্ছায়, পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে, সিন্ডিকেটমুক্তির আশায়। সৌর বিদ্যৎুতের আশায় কেউ আসেনি। বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতা, টিআর, কাবিখা কিংবা বরাদ্দ পাওয়ার আশায় কেউ যোগ দেয়নি। কাউকে হুমকি ধামকি, মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে সমাবেশে আনা হয়নি, মুখরোচক সিঙ্গারা বা মিষ্টি জিলাপী দিয়ে প্যাঁচে ফেলেও কাউকে আনা হয়নি। সবাই এসেছে পরিবর্তনের আশায়, ডন সামাদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে থেকে জাতির জনকের নৌকা, জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা, আব্দুস সামাদ আজাদের নৌকা, স্বাধীনতার নৌকাকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করার আশায়। তারা ডন সামাদ কে নৌকা মার্কায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেখতে চায় এবং নৌকাকে বিজয়ী করতে চায়।
ডন সামাদ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মতো হাজির হচ্ছেন জনগণের দুয়ারে দুয়ারে। জননেত্রীর সালাম এবং উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন সাধারণ জনগণের মাঝে। বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় সুনামগঞ্জ ৩ এ উন্নয়ন কিছুই হয়নি তাতেই সবার আক্ষেপ। ডন সামাদ বিনয়ের সঙ্গে তাদের বোঝাচ্ছেন কারো দোষারুপ না করেই। অবহেলিত সুনামগঞ্জ ৩ বাসীর উন্নয়নের জন্য তিনি একবার সুযোগ চান। যেখানেই হাজির হচ্ছের সেখানেই ছেলে, বুড়ো সহ সব বয়সের মানুষ জড়ো হয়ে রীতিমতো জনস্রােত তৈরী করছে। তারা কথা দিচ্ছে আগামী নির্বাচনে তারা ডন সামাদ কে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে। নৌকা, নৌকার সঠিক ঘাটে নোঙ্গর করুক , নীতি এবং আদর্শের জয় হোক, ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার উন্নয়নের হাতিয়ার হয়ে সবার মুখে হাসি ফুটাক এটাই তাদের চাওয়া। ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগ কে যে জাগিয়ে তুলছে নতুন রুপে, নতুন করে তারা সেটাকে নাম দিয়েছে আওয়ামী বসন্ত এবং এ বসন্তই তারা চেয়েছিল।
বসন্তের সুশীতল বাতাস সবার জন্য শান্তির পরশ বুলিয়ে দিক। ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা বিদায় হোক, নতুন প্রাণের স্পন্দনে।
লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা।



















