জগন্নাথপুরে হিজড়াদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি দিন দিন বেড়েই চলেছে
- Update Time : ১২:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০১৯
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বর যাত্রীদের গাড়ী হিজড়াদের চাঁদাবাজির কবলে পড়ে। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা থেকে ছেড়ে জনৈক বর সহ যাত্রীদের গাড়ি বুধবার (৬ মার্চ) জগন্নাথপুরের হাসপাতাল পয়েন্টস্থ হামজা কমিউনিটি সেন্টার সামনে পৌছামাত্র পুরুষ হিজড়া জাহিদার নেতৃত্বে হিজড়া দল বরের গাড়ির সামনে দাড়িয়ে সাহায্য নামক চাঁদা (টাকা) দাবি করে।
জানাগেছে, জগন্নাথপুরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা বাসাবাড়িতে হিজড়াদের সাহায্যের নামে চাঁদাবাজি দিন দিন বেড়েই চলছে। ভদ্রসমাজের লোকজন ইজ্জতের ভয়ে স্বেচ্ছায় তাদেরকে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন।
জগন্নাথপুর পৌর এলাকার কামাল কমিউনিটি সেন্টার, অালী কমিউনিটি সেন্টার, হামজা কমিউনিটি সেন্টার সহ বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে অনুষ্ঠানের দিন সেন্টারের পাশেই হিজড়ারা বর সহ যাত্রীদের গাড়ির অপেক্ষা করে। বর সহ যাত্রীদের গাড়ি সেন্টারের পাশে অাসার সাথে সাথেই বরের গাড়ির সামনে গিয়ে টাকা দাবি করে। এসময় বরের সাথে থাকা যাত্রী ও বরের অাত্মিয়স্বজনেরা হিজড়াদের নির্ধারিত দাবি করা চাঁদা শেষ পর্যন্ত ইজ্জতের ভয়ে দিতে বাধ্য হয়। হিজড়াদের চাঁদা দাবির এমন ঘটনা জগন্নাথপুরে প্রতিটি বিয়ে অনুষ্ঠানে ঘটছে অার ভদ্র সমাজের লোকেরা ইজ্জতের ভয়ে হিজড়াদের দাবিকৃত নির্ধারিত চাঁদা দিয়ে গাড়ি ছাড়তে হয়, তাদের দাবীকৃত চাঁদা অাদায় না হলে বরের গাড়ি ছাড়া কোন অবস্থায় সম্ভব নয় কারন হিজড়ারা বরের গাড়ির সামানে আপত্তিকর অবস্থায় বেরিকেট দিয়ে দাড়ায়। ইজ্জতের ভয়ে ভদ্র সমাজের লোকজন হিজড়াদের সাথে অতিরিক্ত কথা বলেননি। কেউ আবার হিজড়াদের দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই চলে অশ্লীল গালাগালসহ দুর্ব্যবহার। জগন্নাথপুরে হিজড়াদের এই বেপরোয়া চাঁদাবাজি যেন দিন দিন বেড়েই চলছে। তাদের সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির কাছে জগন্নাথপুরবাসি জিম্মি হয়ে পড়েছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২২ অক্টোবর জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট হিজড়াদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জগন্নাথপুর গ্রামের প্রতিবাদী ব্যক্তি আজাদ আলী সহ ২২ জন।
পুরুষ হিজড়া মেয়ে সেজে মানুষের বিয়ে অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে। এসব হিজড়াদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে ভূক্তভোগী জনসাধারণ এদের বিরোদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।





























