০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে ও ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

  • Update Time : ০৯:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মাদ্রাসার এক শিক্ষক নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে ও প্রতারণা করে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের মিঠাভরাং গ্রামের দৌলত খানের ছেলে গোয়ালাবাজার শাহজালাল হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ জাবেদ আহমেদ খান(৩৪) পটুয়াখালী জেলার মির্জাপুর উপজেলার দক্ষিণ মসজিদ বাড়িয়া গ্রামের ফজলুল হক হাওলাদারের মেয়ে রাশেদা বেগমের সাথে মেবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করেন। এক সময় মুঠোফোনে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সৌদি আরব থেকে ছুটি নিয়ে ওই নারী স্বামীর বাড়ি জগন্নাথপুরে এসে সংসার শুরু করেন। দুই মাস ছুটি শেষে ওই নারী আবারো সৌদি আরব চলে যান। গত বছরের ৩০ মে আবার দেশে আসেন। রাশেদা বেগম বলেন, ভালোবাসার নামে প্রেম ও বিয়ের অভিনয় করে আমার সঙ্গে প্রতারণা করে আমার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আরও টাকার জন্য চাপ দেয়। এক পর্যায়ে আমার সাথে প্রতারণা করায় আমি বিষয়টি বুঝতে পারি। নিরুপায় হয়ে আমি ন্যয় বিচারের আশায় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি যৌতুক ও প্রতারণার অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করেছি। আমার কাছে বিয়ের কাবিননামাসহ সব প্রমাণ রয়েছে। অভিযুক্ত জাবেদ আহমেদ খান বলেন, মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে তাই আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে ও ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

Update Time : ০৯:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মাদ্রাসার এক শিক্ষক নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে ও প্রতারণা করে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের মিঠাভরাং গ্রামের দৌলত খানের ছেলে গোয়ালাবাজার শাহজালাল হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ জাবেদ আহমেদ খান(৩৪) পটুয়াখালী জেলার মির্জাপুর উপজেলার দক্ষিণ মসজিদ বাড়িয়া গ্রামের ফজলুল হক হাওলাদারের মেয়ে রাশেদা বেগমের সাথে মেবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করেন। এক সময় মুঠোফোনে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সৌদি আরব থেকে ছুটি নিয়ে ওই নারী স্বামীর বাড়ি জগন্নাথপুরে এসে সংসার শুরু করেন। দুই মাস ছুটি শেষে ওই নারী আবারো সৌদি আরব চলে যান। গত বছরের ৩০ মে আবার দেশে আসেন। রাশেদা বেগম বলেন, ভালোবাসার নামে প্রেম ও বিয়ের অভিনয় করে আমার সঙ্গে প্রতারণা করে আমার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আরও টাকার জন্য চাপ দেয়। এক পর্যায়ে আমার সাথে প্রতারণা করায় আমি বিষয়টি বুঝতে পারি। নিরুপায় হয়ে আমি ন্যয় বিচারের আশায় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি যৌতুক ও প্রতারণার অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করেছি। আমার কাছে বিয়ের কাবিননামাসহ সব প্রমাণ রয়েছে। অভিযুক্ত জাবেদ আহমেদ খান বলেন, মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে তাই আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ