১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

  • Update Time : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলায় আমান রহমান নামের ৩ মাস বয়সের এক শিশু রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে।

 

জানাগেছে, ১৩ জানুয়ারি সোমবার জিয়াউর রহমান তার ছেলে আমান রহমানকে নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাঃ নাজমুস সাদাত বলেন, তার হালকা শ^াসকষ্ট সমস্যা হয়েছে। গ্যাস মেরে বাড়িতে নিয়ে যান। তখন ইমার্জেন্সি বিভাগে গেলে দায়িত্বরত ডাঃ তাকে ভর্তি করে প্রেসক্রিপশন দিয়ে ওষুধ আনতে বলেন। অষুধ আনার পর ইনজেকশন দিতে রগ বের করতে গিয়ে ৬টি ছিদ্র করেও রগ না পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাংসে পুশ করেন। রাত ১২ টার দিকে শিশুটি ছটফট করলে অনেক ডাকাডাকি করেও ডাঃ ও নার্সদের পাওয়া যায়নি। তারা উপরে ঘুমে ছিলেন। অনেক্ষন পরে ডাঃ এসে শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

এ ঘটনায় ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মৃত শিশুর পিতা জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পকিল্পনা কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যার অনুলিপি পরিকল্পনামন্ত্রী, সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন, জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জগন্নাথপুর থানার ওসির নিকট প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগকারী জিয়াউর রহমানের বড় ভাই উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ নিশ্চিত করেছেন। তবে বারবার চেষ্টা করেও হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের ফোন রিসিভ না করায় ডাঃ নাজমুস সাদাত সহ সংশ্লিষ্ট কারো মন্তব্য জানা যায়নি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

Update Time : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২০

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলায় আমান রহমান নামের ৩ মাস বয়সের এক শিশু রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে।

 

জানাগেছে, ১৩ জানুয়ারি সোমবার জিয়াউর রহমান তার ছেলে আমান রহমানকে নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাঃ নাজমুস সাদাত বলেন, তার হালকা শ^াসকষ্ট সমস্যা হয়েছে। গ্যাস মেরে বাড়িতে নিয়ে যান। তখন ইমার্জেন্সি বিভাগে গেলে দায়িত্বরত ডাঃ তাকে ভর্তি করে প্রেসক্রিপশন দিয়ে ওষুধ আনতে বলেন। অষুধ আনার পর ইনজেকশন দিতে রগ বের করতে গিয়ে ৬টি ছিদ্র করেও রগ না পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাংসে পুশ করেন। রাত ১২ টার দিকে শিশুটি ছটফট করলে অনেক ডাকাডাকি করেও ডাঃ ও নার্সদের পাওয়া যায়নি। তারা উপরে ঘুমে ছিলেন। অনেক্ষন পরে ডাঃ এসে শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

এ ঘটনায় ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মৃত শিশুর পিতা জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পকিল্পনা কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যার অনুলিপি পরিকল্পনামন্ত্রী, সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন, জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জগন্নাথপুর থানার ওসির নিকট প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগকারী জিয়াউর রহমানের বড় ভাই উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ নিশ্চিত করেছেন। তবে বারবার চেষ্টা করেও হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের ফোন রিসিভ না করায় ডাঃ নাজমুস সাদাত সহ সংশ্লিষ্ট কারো মন্তব্য জানা যায়নি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ