জগন্নাথপুরে গুপ্তধনের সন্ধ্যানে জমিয়ত নেতা মাওঃ ইমরান আহমদ
- Update Time : ০৯:৫৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০১৯
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের মকরমপুর গ্রামের বাসিন্দা জমিয়ত নেতা মাওলানা ইমরান আহমদ দীর্ঘদিন ধরে গুপ্তধনের সন্ধ্যানে ছুটে চলেছেন। এতে সফলতা অর্জনে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি স্বরনাপন্ন হয়েছেন। এ নিয়ে মাওলানা ইমরান আহমদ “গুপ্তধন” ও “গুপ্তধনের সন্ধ্যানে” নামের দুইটি বই লিখেছেন।
অবশেষে তিনি জিনের মাধ্যমে ১৫শ কোটি টাকা পাওয়ার লোভে সাড়ে ৩ কোটি খুইয়ে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় হাফিজ কামরুল ইসলাম, তার মা রানু বেগম, তার বাবা আবদুল কাদির, ভাই পাবেল মিয়া ও আদিল মিয়া সহ ৫ জনকে। এর মধ্যে থানা পুলিশ হাফিজ কামরুল ইসলাম, তার মা রানু বেগম ও তার বাবা আবদুল কাদিরকে গ্রেফতার করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাঁও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে হাফিজ এনামুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও তিনি এ মামলার আসামী নন।
এ ব্যাপারে হাফিজ এনামুল হাসানের পরিবার দাবি করেন, তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িত নন। মামলায়ও আসামী নয়। এরপরও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ২ বারের স্ট্রোক এর রোগী একজন অসুস্থ মানুষ। মাওলানা ইমরান আহমদের সাথে তার সু-সম্পর্ক ছিল। তবে জমিয়ত নেতা মাওলানা ইমরান আহমদ যখন বিপথগামী হয়ে গুপ্তধনের সন্ধ্যানে ছুটছিলেন, তখন হাফিজ এনামুল তাকে বারন করেছিলেন। যে কারণে বন্ধুত্বের সম্পর্ক শত্রুতায় পরিণত হয়। যার খেশারত দিতে হচ্ছে হাফিজ এনামুল হাসানকে।
এ ব্যাপারে ২০ মে রোববার জানতে বারবার চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় মাওলানা ইমরান আহমদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম জানান, আদালতে আসামী হাফিজ এনামুল হাসানের রিমান্ড শুনানীর কার্যক্রম চলছে।
এদিকে-প্রকৃত জিনের বাদশা কে এবং কি তার রহস্য এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।





























