জগন্নাথপুরে গাছ কাটায় চাচার বিরুদ্ধে থানায় ভাতিজির অভিযোগ
- Update Time : ০২:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বসতবাড়ির দুইটি গাছ কাটায় চাচার বিরুদ্ধে থানায় ভাতিজির অভিযোগ দায়ের। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চিলাউড়া- হলদিপুর ইউনিয়নের মাঝপাড়া গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও তার আপন চাচা মৃত হাজী জফর উল্লাহর ছেলে মনর উদ্দিনের মধ্যে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুইটি গাছ কাটার ঘটনায় আপন চাচা মনর উদ্দিনকে আসামি করে আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে গত ১৭ জুলাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর থানার এসআই শামিম আল মামুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবং জগন্নাথপুর বাজারে একটি স’মিল থেকে একটি গাছ জব্দ করেন। সরেজমিনে জানাগেছে, একই গ্রামের মৃত হাজী মদরিছ আলীর পুত্র আব্দুস সামাদ প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছর পূর্বে তাহার চাচা মনর উদ্দিনের কাছ থেকে দলিলমূলে খরিদ করে তাহার চাচাতো বোন আনোয়ারা বেগমের কাছে প্রায় ১০ বছর পূর্বে দলিলমূলে বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দেন। আব্দুস ছামাদ বলেন, বাড়ীটি আনোয়ারা বেগমের উনিবেদিত অন্য কেহ গাছ কাটা অন্যায় ছাড়া আর কিছু নয়। এ ব্যাপারে বাদিনী আনোয়ারা বেগম জানান, আমার চাচা মনর উদ্দিনের কোন ছেলে সন্তান না থাকায় ও বাড়িঘর না থাকায় অসহায় হিসাবে ওই বাড়িতে বসবাসের জন্য আশ্রয় দেই। আনোয়ারা বেগম আরো জানান, এলাকার মতিউর রহমান শফিক মিয়া, মুক্তার মিয়াসহ কয়েকজন দুষ্কৃতিকারি লোক আমার পরিবারের ক্ষতিসাধন করতে, আমার সহজ সরল চাচা মনর উদ্দিনকে প্ররোচনা দিয়ে আমার খরিদা দখলিয় ভূমি থেকে আমাকে না জানিয়ে দুইটি গাছ কেটে জগন্নাথপুর বাজারে একটি স’মিলে নিয়ে যাওয়া হলে আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করি। এবং জগন্নাথপুর বাজারের একটি স’মিল থেকে গাছ থানা পুলিশ জব্দ করেছে। আনোয়ারা বেগম বলেন, দুইটি গাছ কাটার ঘটনায় চাচা ও ইন্ধনদাতাদেরকে খোঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রসাশনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, এই সংঘবদ্ধ চক্র আমার পরিবারের ক্ষতি সাধনে মরিয়া হয়ে উঠেছে, যে কোন সময় আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। গাছ কাটার বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম আল মামুন জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং সমীল থেকে গাছ জব্দ করেছি বিষয়টি নিজেরা নিজেরা হওয়ায় এলাকার অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ আপস মীমাংসার চেষ্টা করছেন আপস মীমাংসায় শেষ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























