জগন্নাথপুরে এক অসহায় ব্যক্তির হাতের কব্জি কেটে নিল প্রভাবশালী নেতা!
- Update Time : ০৮:৫৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ এক অসহায়, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর হাতের কব্জি কেটে পেলা হয়েছে। আশংকাজনক অবস্তায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের কেউনবাড়ী বাজারে সোমবার (২৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে। জানাগেছে, মিরপুর ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামের মৃত ওয়াছকন্দর আলীর ছেলে, এলাকার প্রভাবশালী নেতা মোঃ এমেল মিয়া মেম্বারের নেতৃত্বে মাহমুদুর রহমান, হাফিজুর রহমান আবু, হামিদুর রহমান, আশিক মিয়া, শিপন মিয়াসহ একদল লোকজন ইউনিয়নের আটঘর আমড়াতৈল গ্রামের মৃত তইর উল্লাহর ছেলে মোঃ মর্তুজ আলীর (৫২) উপর পূর্ব বিরোধের জের ধরে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা করে মর্তুজ আলীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। তাদের হামলায় মর্তুজ আলীর বাম হাতের কব্জি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুত্বর আহত মর্তুজ আলী বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মামলা থেকে ও স্থানীয়দের সুত্রে যানাযায়, মিরপুর ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামের মৃত ওয়াছকন্দর আলীর ছেলে, মোঃ এমেল মিয়া মেম্বার ও যুক্তরাজ্য প্রবাসি মোছাঃ মনোয়ারা বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কেউনবাড়ী বাজারে দোকান ঘর নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মনোয়ারা বেগম প্রবাসে থাকায় মর্তুজ আলীকে পাওয়ার অব এ্যাটর্নির মাধ্যমে দোকান ঘর দেখা শোনার দায়িত্বের ভার দেন। এর জের ধরে অসহায়, নিরীহ, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মর্তুজ আলীকে দিনদুপুরে স্থানীয় প্রভাবশালী সাবেক ইউপি সদস্য এমেল মিয়া মেম্বারের নেতৃত্বে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মর্তুজ আলীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে রাস্তায় পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত মর্তুজ আলীকে প্রথমে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাঁর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। এ ঘটনায় মর্তুজ আলীর স্ত্রী মোছাঃ মীনা বেগম বাদী হয়ে মোঃ এমেল মিয়া মেম্বারকে প্রধান করে ৬ জনের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় বুধবার (২৯ জুন) একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়ের পর বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) থানার এসআই শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ৫নং আসামি মিরপুর ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামের মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে আশিক মিয়াকে (৪২) গ্রেফতার করে শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেলে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। থানার এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, মামলার অন্যান্য আসামিদেরকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


























