ছাতকে সুরমা নদীতে চাদাবাজির ঘটনায় বাধা দেয়ায় এক পরিবার গৃহবন্ধি
- Update Time : ০৬:০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ আগস্ট ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে সুরমা নদীতে চাদাবাজির ঘটনায় বাধা দেয়ায় সামিয়ারা বেগম (৩০) নামে এক পরিবারকে ৫ দিন যাবৎ গৃহবন্ধি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পৌর শহরের ৯ ওয়াড়ে বৌলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়,গত ৮আগষ্ট পৌর শহর এলাকায় বৌলা গ্রামের সুরমা নদীতে বারকী শ্রমিক মেরে টাকা আদায়ের ঘটনা দেখে সে প্রতিবাদ করায় এক গ্রামে আকল মিয়া পুত্র পারভেজ ও কালা মিয়ার পুত্র জাকির নেতৃত্বে সহ ৪জনের একটি দল ইয়াসিন আলীর স্ত্রীকে সুরমা নদীর পাড়ে এক পেয়েই তাকে মধ্যযুগী কায়দায় অমানবিক নিযাতন চালায়। তাকে নিযাতন করে গৃহবধুকে জোরপুবক অপহরনে প্রচেষ্টা বাধাঁ দেন এলাকা লোকজন। এ সময় পারভেজ ও জাকির সহ ৪জন তাকে চুলে ধরে তার গায়ের মেক্সি ধরে টানা টানি করে বুকে উপর ক্ষত বিক্ষত করেছেন সন্ত্রাসীরা । তার আত্ন চিকিৎকার শুনে এলাকা লোকজনের ধাওয়া খেয়ে নিযাতিত গৃহবধু পেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সামিয়ারা বেগম ওই দিন দুপুরে বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । তার মেক্সিটি ছিড়ে নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলে গেলে জনৈক দারোগা তার অভিযোগ গ্রহন না করে তাকে থানা থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয় বলে বাদিনী অভিযোগ করে।এ অভিযোগ দায়ের পর ও বিবাদীরা তাকে গৃহবন্ধি করে রাখা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । এ বিষয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গ্রামের কতিপয় স্বার্থান্বেসী মহল তার বাড়ির চারপাশে ঘেরাও করে তার পরিবারের সদস্যদের চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে এ পরিবারটি সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার হয়। গত ৫ দিনযাবৎ স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে গৃহবন্ধি অবস্থায় অর্ধাহারে-অনাহারে দিনযাপন করছেন। ফলে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামে একাধিক ব্যক্তিরা জানান, জাকির ও পারভেজ নেতৃত্বে সুরমা নদীতে অবৈধ ভাবে বারকী শ্রমিককে জিন্মি করে চাদা আদায় করে আসছেন । এসব ঘটনার প্রতিবাদ করলে তারা মানছেন না। গৃহবধুর পিতা চান মিয়া জানান একঘরে করে রাখার ঘটনাটি সত্যতা স্বীকার করেন ।এ ঘটনা ব্যাপারে অফিসার ইনচাজ আতিকুর রহমানে সঙ্গে যোগাযোগ করলে গৃহবন্ধির ঘটনাটি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। এরপরও ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে ।



















