০৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত‌কে আ’লীগ নেতা খুনের ঘটনায় মি‌ছি‌লে উত্তাল শহর

  • Update Time : ১২:২০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্র‌তি‌নি‌ধি :: সুনামগঞ্জের ছাত‌কে আ’লীগ নেতা খু‌নের ঘটনায় মি‌ছি‌লে উত্তাল শহর এলাকায়।

 

উপ‌জেলাজু‌ড়ে ব্যাপক জল্পনা নানা সমা‌লোচনা ঝড় বই‌ছে। উপ‌জেলা যুবলী‌গের সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ‌কে হত্যাকা‌ন্ডের স‌ঙ্গে জ‌ড়িত ব‌লে আ’লীগ অঙ্গ সংগঠন এক বিক্ষোভ মি‌ছিল ও প্র‌তিবাদ সমা‌বে‌শে শহ‌রে অনু‌ষ্টিত হ‌য়ে‌ছে। ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদের পরিকল্পনায় ও মদদে আমার স্বামীকে গুম করে খুন করা হয়েছে। তাকে গুম ও খুন করে ইট বেঁধে বিলের পানিতে তলিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান বিল্লালই আমার স্বামীকে খুন করে আমার সন্তানদের এতিম করেছে। স্বামীর খুনের ঘটনায় আহাজারী করতে-করতে এমনই অভিযোগ করছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম। এসময় স্ত্রী রেহেনা বেগমের সাথে তার সন্তানদের আহাজারীতে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পুরান মৈশাপুর গ্রামে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। পুলিশের কাছে বিচার প্রার্থী হয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে স্ত্রী রেহেনা বেগম, পুত্র ইয়াছিন আহমদ, কন্যা আজিফা ও জেনিফা, ভাই মানিক মিয়া, আকিক মিয়া, ভাতিজা ডাঃ বায়েজিদ আলমসহ পরিবারের লোকজন এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের ভাই, উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ ও তার সহচররা ফারুক মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে দাবী করেছেন। উত্তর খুরমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মিয়া খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে ছাতক শহরসহ গোটা উপজেলা।

 

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমা‌বেশ থেকে খুনিদের গ্রেফতার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী ক‌রেন উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
শুক্রবার রাতে নিখোঁজ হওয়া আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া’র (৪৫) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পাতলাচুড়া বিল থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার ক‌রেন। এএসপি সার্কেল দুলন মিয়া ও ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফারুক মিয়ার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেন। এ সময় ফারুক মিয়াকে এক নজর দেখার জন্য বিলের পাড় ও জালালপুর-কাঞ্চনপুর সড়কে হাজারো জনতার ভীড় জমায়। ফারুক মিয়া উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পুরান মৈশাপুর গ্রামের মৃত মাষ্টার আব্দুস সাত্তারের পুত্র। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে জালালপুর-কাঞ্চনপুর সড়কের পাশের নিজ দোকান থেকে বাড়ী ফেরার পথে ফারুক মিয়া নিখোঁজ হন। শনিবার সকালে বিলের কচুরিপনায় তার ব্যবহৃত জুতা ও লুঙ্গি পাওয়া যায়। ওইদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আলামত হিসেবে লুঙ্গি, জুতা ও লাইটার উদ্ধার করে। এসময় বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজি করেও লাশের কোন সন্ধান করতে পারেনি পুলিশ। রোববার বিলের পানিতে ফারুক মিয়ার মৃতদেহ ভেসে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ বিলের পানি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। হাত-পা বাঁধা গলা কাটা লাশের গায়ে বেশ ক’টি গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পুলিশ সনাক্ত করা হয়। গুম করার লক্ষে খুনিরা লাশের গলায় দড়ি দিয়ে কয়েকটি ইট বেঁধে বিলের পানিতে তলিয়ে দিয়েছিল। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারনা প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করেছে।

 

এ ব্যাপারে উত্তর খুরমা ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ জানান, গ্রামের একটি পক্ষের সাথে তার বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে। এনিয়ে হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তে খুনের রহস্য বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনার পর থেকে গ্রামের আজাদ মিয়া, সোনা মিয়া ও রিজ্জাদ আহমদ পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে বলে গ্রামের লোকজন জানিয়েছেন। রোববার বিকেলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় ‌‌নিহ‌তের স্ত্রী রে‌হেনা বেগম বা‌দি হ‌য়ে এক‌টি অ‌ভি‌যোগ পে‌য়ে‌ছি।

 

রোববার বিকেলে আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়াকে গুম ও হত্যার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমা‌বেশ করেছে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন। মিছিল শেষে ট্রাফিক পয়েন্টে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন তালুকদার ধলা মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমা‌বে‌শে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এমপি মানিকের ভাই, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদসহ ফারুক মিয়ার খুনীদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন। অন্যতায় আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়া হত্যার বিচারের দাবীতে দলীয় নেতা-কর্মীরা রাজপথে আন্দোলনে নেমে আসবে। প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রা‌খেন জেলা পরিষদ সদস্য আজমল হোসেন সজল, আওয়ামীলীগ নেতা শাহীন আহমদ চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালেক রাজা, আখলাকুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, রুহুল আমিন তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, কল্যানব্রত দাস, নুর উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, আজাদ মিয়া মেম্বার, এমএ কাদের, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন চয়ন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জামায়েল আহমদ ফরহাদ, ছাতক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াদ আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাত‌কে আ’লীগ নেতা খুনের ঘটনায় মি‌ছি‌লে উত্তাল শহর

Update Time : ১২:২০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

ছাতক প্র‌তি‌নি‌ধি :: সুনামগঞ্জের ছাত‌কে আ’লীগ নেতা খু‌নের ঘটনায় মি‌ছি‌লে উত্তাল শহর এলাকায়।

 

উপ‌জেলাজু‌ড়ে ব্যাপক জল্পনা নানা সমা‌লোচনা ঝড় বই‌ছে। উপ‌জেলা যুবলী‌গের সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ‌কে হত্যাকা‌ন্ডের স‌ঙ্গে জ‌ড়িত ব‌লে আ’লীগ অঙ্গ সংগঠন এক বিক্ষোভ মি‌ছিল ও প্র‌তিবাদ সমা‌বে‌শে শহ‌রে অনু‌ষ্টিত হ‌য়ে‌ছে। ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদের পরিকল্পনায় ও মদদে আমার স্বামীকে গুম করে খুন করা হয়েছে। তাকে গুম ও খুন করে ইট বেঁধে বিলের পানিতে তলিয়ে দেয়া হয়। চেয়ারম্যান বিল্লালই আমার স্বামীকে খুন করে আমার সন্তানদের এতিম করেছে। স্বামীর খুনের ঘটনায় আহাজারী করতে-করতে এমনই অভিযোগ করছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম। এসময় স্ত্রী রেহেনা বেগমের সাথে তার সন্তানদের আহাজারীতে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পুরান মৈশাপুর গ্রামে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। পুলিশের কাছে বিচার প্রার্থী হয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে স্ত্রী রেহেনা বেগম, পুত্র ইয়াছিন আহমদ, কন্যা আজিফা ও জেনিফা, ভাই মানিক মিয়া, আকিক মিয়া, ভাতিজা ডাঃ বায়েজিদ আলমসহ পরিবারের লোকজন এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের ভাই, উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ ও তার সহচররা ফারুক মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে দাবী করেছেন। উত্তর খুরমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মিয়া খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে ছাতক শহরসহ গোটা উপজেলা।

 

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমা‌বেশ থেকে খুনিদের গ্রেফতার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী ক‌রেন উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
শুক্রবার রাতে নিখোঁজ হওয়া আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া’র (৪৫) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পাতলাচুড়া বিল থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার ক‌রেন। এএসপি সার্কেল দুলন মিয়া ও ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফারুক মিয়ার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেন। এ সময় ফারুক মিয়াকে এক নজর দেখার জন্য বিলের পাড় ও জালালপুর-কাঞ্চনপুর সড়কে হাজারো জনতার ভীড় জমায়। ফারুক মিয়া উত্তর খুরমা ইউনিয়নের পুরান মৈশাপুর গ্রামের মৃত মাষ্টার আব্দুস সাত্তারের পুত্র। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে জালালপুর-কাঞ্চনপুর সড়কের পাশের নিজ দোকান থেকে বাড়ী ফেরার পথে ফারুক মিয়া নিখোঁজ হন। শনিবার সকালে বিলের কচুরিপনায় তার ব্যবহৃত জুতা ও লুঙ্গি পাওয়া যায়। ওইদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আলামত হিসেবে লুঙ্গি, জুতা ও লাইটার উদ্ধার করে। এসময় বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজি করেও লাশের কোন সন্ধান করতে পারেনি পুলিশ। রোববার বিলের পানিতে ফারুক মিয়ার মৃতদেহ ভেসে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ বিলের পানি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। হাত-পা বাঁধা গলা কাটা লাশের গায়ে বেশ ক’টি গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পুলিশ সনাক্ত করা হয়। গুম করার লক্ষে খুনিরা লাশের গলায় দড়ি দিয়ে কয়েকটি ইট বেঁধে বিলের পানিতে তলিয়ে দিয়েছিল। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারনা প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করেছে।

 

এ ব্যাপারে উত্তর খুরমা ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ জানান, গ্রামের একটি পক্ষের সাথে তার বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে। এনিয়ে হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তে খুনের রহস্য বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনার পর থেকে গ্রামের আজাদ মিয়া, সোনা মিয়া ও রিজ্জাদ আহমদ পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে বলে গ্রামের লোকজন জানিয়েছেন। রোববার বিকেলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় ‌‌নিহ‌তের স্ত্রী রে‌হেনা বেগম বা‌দি হ‌য়ে এক‌টি অ‌ভি‌যোগ পে‌য়ে‌ছি।

 

রোববার বিকেলে আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়াকে গুম ও হত্যার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমা‌বেশ করেছে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন। মিছিল শেষে ট্রাফিক পয়েন্টে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন তালুকদার ধলা মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমা‌বে‌শে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এমপি মানিকের ভাই, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদসহ ফারুক মিয়ার খুনীদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন। অন্যতায় আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক মিয়া হত্যার বিচারের দাবীতে দলীয় নেতা-কর্মীরা রাজপথে আন্দোলনে নেমে আসবে। প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রা‌খেন জেলা পরিষদ সদস্য আজমল হোসেন সজল, আওয়ামীলীগ নেতা শাহীন আহমদ চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালেক রাজা, আখলাকুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, রুহুল আমিন তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, কল্যানব্রত দাস, নুর উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, আজাদ মিয়া মেম্বার, এমএ কাদের, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন চয়ন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জামায়েল আহমদ ফরহাদ, ছাতক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াদ আহমদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ