০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সেই প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

  • Update Time : ০৪:০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আলমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশানন্দ শীলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুর রহমান বিষয়টি কালের কণ্ঠের প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত মঙ্গলবার (২৭ মে) এক অফিস আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয় এবং বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। জানা যায়, গত ১৫ মে বৃহস্পতিবার স্কুল চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষক আশানন্দ শীল ওই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে টেনে টয়লেট নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। তারপর ওই ছাত্রীর গায়ে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। মেয়েটি চিৎকার করলে অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে দরজায় ধাক্কা দিলে শিক্ষক দরজা খুলে বের হয়ে স্কুল থেকে পালিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানির পর গা ডাকা দেন ওই শিক্ষক। এ নিয়ে “শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুর রহমান বলেন, ওই শিক্ষকের ঘটনাটি জানতে পেরে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের সঙ্গে কথা বলি এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে তা উল্লেখ করে আমি জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করি। এরপর এই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসার অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত নির্দেশ দেন এবং বিভাগীয় মামলা করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সেই প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

Update Time : ০৪:০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আলমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশানন্দ শীলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুর রহমান বিষয়টি কালের কণ্ঠের প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত মঙ্গলবার (২৭ মে) এক অফিস আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয় এবং বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। জানা যায়, গত ১৫ মে বৃহস্পতিবার স্কুল চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষক আশানন্দ শীল ওই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে টেনে টয়লেট নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। তারপর ওই ছাত্রীর গায়ে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। মেয়েটি চিৎকার করলে অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে দরজায় ধাক্কা দিলে শিক্ষক দরজা খুলে বের হয়ে স্কুল থেকে পালিয়ে যান। বিষয়টি জানাজানির পর গা ডাকা দেন ওই শিক্ষক। এ নিয়ে “শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুর রহমান বলেন, ওই শিক্ষকের ঘটনাটি জানতে পেরে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের সঙ্গে কথা বলি এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে তা উল্লেখ করে আমি জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করি। এরপর এই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসার অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত নির্দেশ দেন এবং বিভাগীয় মামলা করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ