০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ মহিলাসহ আহত ৩০ জন

  • Update Time : ১০:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকের নোয়ারাই ইউনিয়নের লক্ষিবাউর গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলা সহ ৩০ জন আহত হয়েছে। শনিবার সকালে ইউপি সদস্য ও লক্ষিবাউর গ্রামের বাসিন্দা হাজী সাদিক মিয়া এবং লক্ষিবাউর-নোয়াগাঁও গ্রামের মহিলা সদস্যা জোছনা বেগমের স্বামী ময়না মিয়া পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দফায়-দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত ঠান্ডা মিয়ার স্ত্রী বেগম বিবি ও গিয়াস উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আহত কলছুমা বেগম, আলী আমজাদ, মসুক মিয়া, আক্তার হোসেন, সেলিম মিয়া ও আল আমিন। ফকির আলী, ময়না মিয়া সহ অন্যান্য আহতদের ছাতক ও দোয়ারাবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায় মেয়ে কেলেংকারীর ঘটনা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে পার্শ্ববর্তী বেতুরা গ্রামের দুধ মিয়ার পুত্র শিপন লক্ষিবাউর এলাকার একটি দোকানে বসে আড্ডা দেয়ার সময় ময়না মিয়ার লোকজন তাকে ধাওয়া করে। ইউপি সদস্যা জোছনা বেগম ও তার স্বামী ময়না মিয়া এর আগে ও একধিকবার তাকে বাজে আড্ডা দিতে বারণ করছেন। রাতে তাকে ধাওয়া করলে সে পালিয়ে গিয়ে সাদিক মিয়া মেম্বারের ভাই আল-আমিনের কাছে আশ্রয় নেয়। আল আমিন একটি মোটরসাইকেল যোগে শিপনকে বাড়ি পৌঁছে দিতে গেলে রাস্তায় শিপন ও আল আমিনের উপর হামলা করে ময়না মিয়া ও তার লোকজন। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে সাদিক মিয়া মেম্বার সহ লোকজন ময়না মিয়ার বাড়িতে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।প্রায় ঘন্টাব্যাপী দফায় -দফায় এ সংঘর্ষে নারী সহ অন্তত ৩০ জন লোক আহত হয়েছেন। ছাতক থানার এস আই আতিকুল হক খন্দকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ মহিলাসহ আহত ৩০ জন

Update Time : ১০:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকের নোয়ারাই ইউনিয়নের লক্ষিবাউর গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলা সহ ৩০ জন আহত হয়েছে। শনিবার সকালে ইউপি সদস্য ও লক্ষিবাউর গ্রামের বাসিন্দা হাজী সাদিক মিয়া এবং লক্ষিবাউর-নোয়াগাঁও গ্রামের মহিলা সদস্যা জোছনা বেগমের স্বামী ময়না মিয়া পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দফায়-দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত ঠান্ডা মিয়ার স্ত্রী বেগম বিবি ও গিয়াস উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আহত কলছুমা বেগম, আলী আমজাদ, মসুক মিয়া, আক্তার হোসেন, সেলিম মিয়া ও আল আমিন। ফকির আলী, ময়না মিয়া সহ অন্যান্য আহতদের ছাতক ও দোয়ারাবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায় মেয়ে কেলেংকারীর ঘটনা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে পার্শ্ববর্তী বেতুরা গ্রামের দুধ মিয়ার পুত্র শিপন লক্ষিবাউর এলাকার একটি দোকানে বসে আড্ডা দেয়ার সময় ময়না মিয়ার লোকজন তাকে ধাওয়া করে। ইউপি সদস্যা জোছনা বেগম ও তার স্বামী ময়না মিয়া এর আগে ও একধিকবার তাকে বাজে আড্ডা দিতে বারণ করছেন। রাতে তাকে ধাওয়া করলে সে পালিয়ে গিয়ে সাদিক মিয়া মেম্বারের ভাই আল-আমিনের কাছে আশ্রয় নেয়। আল আমিন একটি মোটরসাইকেল যোগে শিপনকে বাড়ি পৌঁছে দিতে গেলে রাস্তায় শিপন ও আল আমিনের উপর হামলা করে ময়না মিয়া ও তার লোকজন। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে সাদিক মিয়া মেম্বার সহ লোকজন ময়না মিয়ার বাড়িতে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।প্রায় ঘন্টাব্যাপী দফায় -দফায় এ সংঘর্ষে নারী সহ অন্তত ৩০ জন লোক আহত হয়েছেন। ছাতক থানার এস আই আতিকুল হক খন্দকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ