০৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ছাবুল মিয়ার পরিবার ও আত্নীয় স্বজনকে হয়রানীর অভিযোগ

  • Update Time : ০২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার ভাতগাও ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে ছাবুল মিয়ার পরিবার ও তাহার আত্নীয় স্বজনকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ও ছাবুল মিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, শুক্রবার বিকেলে শ্রীপতিপুর গ্রামের অাবুল হোসেন বাড়ীর মাটি ভরাট করার সময় একই গ্রামের বাসিন্দা সাকারিয়াকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে গালিগালাজ করিতে থাকেন। সাকারিয়া এর প্রতিবাদ করিলে অাবুল হোসেনের সাথে তর্ক-বিতর্ক ও এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জরিয়ে পরেন উভয় পক্ষের লোকজন। সূত্রে অারো জানাযায়, ২০১৯ সালের ৭ই ডিসেম্বর ১১৮ নং শ্রীপতিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে সভাপতি পদে এখলাছুর রহমান ও ছাবুল মিয়া নির্বাচন করেন। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখলাছুর রহমান সুযোগ খুজতে থাকেন কিভাবে সাবুল মিয়া ও তার পরিবারকে ঘায়েল করা যায়। এরই পরিপেক্ষিতে বাদী অাবুল হোসেনকে নির্দেশ দিয়ে ছাতক থানায় মামলা করান এখলাছুর রহমান। ছাতক থানার মামামলা নং ০৬, বাবুল মিয়া, ছাবুল মিয়া, রুবেল মিয়া,রফু মিয়া,রিপন মিয়া,বিলাল মিয়া,দিলোয়ার হোসেন,কবির মিয়া, কলেজে পড়ুয়া টিপু মিয়া,সাগর মিয়া, জাকারিয়া ও সাকারিয়ার সহ অারো ৬-৭ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী অাবুল হোসেন মামলা করেন। এ ব্যাপারে ছাবুল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মামলার বাদী অাবুল হোসেন এখলাছুর রহমানের নির্দেশে অামার ও অামার পরিবারের সদস্যদের উপর হিংসাত্মক ভাবে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে অামাদের অাসামী করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দ্যেশ্যপ্রনোদিত। তিনি আরও জানানা, ঘটনার তারিখ ও সময়ে আমি আমার পরিবারের কেউই বাড়ীতে ছিলাম, এছাড়া আমার পরিবারের যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তারা অনেকেই সিলেটে থাকেন। এই সমস্ত মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন এবং বিষয়টির সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রানের ও দাবী জানান তিনি।

 

এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, মামলা তদন্তাধীন রয়েছে,তদন্ত চলাকালে যদি প্রমানিত হয় অভিযুক্তরা ঘটনার সাথে জড়িত নয় তাহলে তারা চার্জশিট থেকে বাদ পড়বেন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ছাবুল মিয়ার পরিবার ও আত্নীয় স্বজনকে হয়রানীর অভিযোগ

Update Time : ০২:০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার ভাতগাও ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে ছাবুল মিয়ার পরিবার ও তাহার আত্নীয় স্বজনকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ও ছাবুল মিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, শুক্রবার বিকেলে শ্রীপতিপুর গ্রামের অাবুল হোসেন বাড়ীর মাটি ভরাট করার সময় একই গ্রামের বাসিন্দা সাকারিয়াকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে গালিগালাজ করিতে থাকেন। সাকারিয়া এর প্রতিবাদ করিলে অাবুল হোসেনের সাথে তর্ক-বিতর্ক ও এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জরিয়ে পরেন উভয় পক্ষের লোকজন। সূত্রে অারো জানাযায়, ২০১৯ সালের ৭ই ডিসেম্বর ১১৮ নং শ্রীপতিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে সভাপতি পদে এখলাছুর রহমান ও ছাবুল মিয়া নির্বাচন করেন। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখলাছুর রহমান সুযোগ খুজতে থাকেন কিভাবে সাবুল মিয়া ও তার পরিবারকে ঘায়েল করা যায়। এরই পরিপেক্ষিতে বাদী অাবুল হোসেনকে নির্দেশ দিয়ে ছাতক থানায় মামলা করান এখলাছুর রহমান। ছাতক থানার মামামলা নং ০৬, বাবুল মিয়া, ছাবুল মিয়া, রুবেল মিয়া,রফু মিয়া,রিপন মিয়া,বিলাল মিয়া,দিলোয়ার হোসেন,কবির মিয়া, কলেজে পড়ুয়া টিপু মিয়া,সাগর মিয়া, জাকারিয়া ও সাকারিয়ার সহ অারো ৬-৭ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী অাবুল হোসেন মামলা করেন। এ ব্যাপারে ছাবুল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মামলার বাদী অাবুল হোসেন এখলাছুর রহমানের নির্দেশে অামার ও অামার পরিবারের সদস্যদের উপর হিংসাত্মক ভাবে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে অামাদের অাসামী করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দ্যেশ্যপ্রনোদিত। তিনি আরও জানানা, ঘটনার তারিখ ও সময়ে আমি আমার পরিবারের কেউই বাড়ীতে ছিলাম, এছাড়া আমার পরিবারের যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তারা অনেকেই সিলেটে থাকেন। এই সমস্ত মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন এবং বিষয়টির সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রানের ও দাবী জানান তিনি।

 

এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, মামলা তদন্তাধীন রয়েছে,তদন্ত চলাকালে যদি প্রমানিত হয় অভিযুক্তরা ঘটনার সাথে জড়িত নয় তাহলে তারা চার্জশিট থেকে বাদ পড়বেন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ