ছাতকে মসজিদ সংক্রান্ত বিরোধে দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অহত ৫০, গ্রেফতার ৩
- Update Time : ০৮:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিন খুরমা ইউনিয়নের জাতুয়া গ্রামে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার দুপুরে থানায় একটি পুলিশ এসল্ট মামলা রুজু করা হয়েছে। এ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাৎক্ষনিক জাতুয়া এলাকা থেকে ৩ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। আটকের পর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের জাতুয়া গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে লায়েক মিয়া, একই গ্রামের শামছুল হকের ছেলে গোলাম কিবরিয়া ও গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের দিগলী রামপুর গ্রামের মৃত বশির উদ্দিনের ছেলে আপ্তাব উদ্দিন। পুলিশ এসল্ট মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। জানা যায়, জাতুয়া গ্রামের জামে মসজিদ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শনিবার দুপুরে গ্রামের স্কুলে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্তের আগেই দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটা কাটি হয়ে এক পর্যায়ে বৈঠক পণ্ডুল হয়। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন কর্তৃক জাতুয়াবাজার এলাকায় আবদুল মালিক হুশিয়ার আলীসহ কয়েক জনের উপর হামলা করে। এ ঘটনার জের ধরে ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে আবদুল মালিক হুশিয়ার আলীর পক্ষ ও সুহেল রুহেল গোলাম কিবরিয়ারা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের জাতুয়া নামক স্থানে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় পৌনে দুইঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষের কারনে সড়কের দুই পাশে মালবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যদিয়ে সংঘর্ষে ইট-পাটকেলের আঘাতে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ ব্যক্তি আহত হয়। খবর পেয়ে ছাতক ক্যাম্পের সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন। এসময় সংঘর্ষে জড়িত থাকায় তিনজনকে তারা আটক করেন। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত আবু সাঈদ, আরশ আলী, আইছ উদ্দিন কালু, মেরাজ আলী ও আবুল হাসনাতকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের স্থানীয় কৈতক হাসপাতাল ও বিভিন্ন ফার্মেসীতে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক গাজী মোয়াজ্জেম হোসেন বাদী হয়ে পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। আটককৃতদের এসল্ট মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।





























