০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে ব্যবসায়ীদের কোটি-কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেয় গ্রামীণ ফোনের ডিস্ট্রিবিউট ফারুক

  • Update Time : ০৯:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় তিনকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে ফারুক আহমদ। সে লামাকাজি চানপুর এলাকার গোলাম মোস্তফার পুত্র। ফারুক আহমদ প্রতারণা করে ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। লেখাপড়া ও ব্যবসায়ীক কারনে ছাতকে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলো ফারুক আহমদ। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আত্মীয়তার সুবাদে ফারুক আহমদ ছাতকেই অবস্থান করে ছাতক ডিগ্রি কলেজে পড়ালেখা শেষ করে ২০০৩ সালে শহরে গ্রামীণ ফোনের ডিস্ট্রিবিউটরের দায়িত্ব নেয়। শহরে গ্রামীণফোন ডিস্ট্রিবিউটরের বিলাসবহুল অফিস ছিলো তার। এতে শহর এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে পরিচিতি ও সখ্যতা গড়ে উঠে। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ছিল মেসার্স ফারুক আহমদ নামে সিঙ্গেল, বোল্ডার, বালু, চুনাপাথর আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসার তার আরেক টি অফিস। ওই প্রতিষ্ঠানের দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীদেরকে চুনাপাথর সাপ্লাই দেয়ার কথা বলে সে অগ্রিম বাবত প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। পাথর -চুনা পাথরের ব্যবসা সে কিছুদিন ছাতকে করেছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ী। এ ব্যবসার প্রথমদিকে সে তার চতুরতা দিয়ে এখানের চুনাপাথর ব্যবসায়ীদের মন জয় করে তাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাজা নিয়েছে। অগ্রাইম টাকা নেয়ার পর সে আর কোন ব্যবসায়ীকে চুনাপাথর সাপ্লাই দেয়নি। ভুক্তভোগী রাসেল মাহমুদ, সামছুল হক ব্যবসায়ীরা জানান, চুনাপাথর দেয়ার কথা বলে ফারুক আহমদ তাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, শহরের ২৫/৩০ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চুনাপাথর দেয়ার নামে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ফারুক আহমদ। কিন্তু সময়মতো কাউকে চুনাপাথর বা টাকা ফেরত নেয়নি। টাকা নেয়ার পর সে ছাতক শহরের বাসা ও ছেড়ে দেয়। সিলেট নগরীতে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। সিলেটের বাসায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা তার সাথে যোগাযোগ করলে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে এবং অনেককে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও দিয়েছে সে। এভাবে করতে -করতে এক সময় পালিয়ে যায় সে। টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীর তার সিলেটের বাসায় যোগাযোগ করে বাসাটি তালাবদ্ধ পান, তার ব্যবহৃত মোবাইলফোন বন্ধ। সম্প্রতি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা খোজ নিয়ে জানতে পারেন ফারুক আহমদ বিদেশে পালিয়ে গেছে। ফারুক আহমদের প্রতারণায় এখানে কয়েকজন ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে ব্যবসায়ীদের কোটি-কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেয় গ্রামীণ ফোনের ডিস্ট্রিবিউট ফারুক

Update Time : ০৯:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় তিনকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে ফারুক আহমদ। সে লামাকাজি চানপুর এলাকার গোলাম মোস্তফার পুত্র। ফারুক আহমদ প্রতারণা করে ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। লেখাপড়া ও ব্যবসায়ীক কারনে ছাতকে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলো ফারুক আহমদ। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আত্মীয়তার সুবাদে ফারুক আহমদ ছাতকেই অবস্থান করে ছাতক ডিগ্রি কলেজে পড়ালেখা শেষ করে ২০০৩ সালে শহরে গ্রামীণ ফোনের ডিস্ট্রিবিউটরের দায়িত্ব নেয়। শহরে গ্রামীণফোন ডিস্ট্রিবিউটরের বিলাসবহুল অফিস ছিলো তার। এতে শহর এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে পরিচিতি ও সখ্যতা গড়ে উঠে। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ছিল মেসার্স ফারুক আহমদ নামে সিঙ্গেল, বোল্ডার, বালু, চুনাপাথর আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসার তার আরেক টি অফিস। ওই প্রতিষ্ঠানের দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীদেরকে চুনাপাথর সাপ্লাই দেয়ার কথা বলে সে অগ্রিম বাবত প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। পাথর -চুনা পাথরের ব্যবসা সে কিছুদিন ছাতকে করেছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ী। এ ব্যবসার প্রথমদিকে সে তার চতুরতা দিয়ে এখানের চুনাপাথর ব্যবসায়ীদের মন জয় করে তাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাজা নিয়েছে। অগ্রাইম টাকা নেয়ার পর সে আর কোন ব্যবসায়ীকে চুনাপাথর সাপ্লাই দেয়নি। ভুক্তভোগী রাসেল মাহমুদ, সামছুল হক ব্যবসায়ীরা জানান, চুনাপাথর দেয়ার কথা বলে ফারুক আহমদ তাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, শহরের ২৫/৩০ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চুনাপাথর দেয়ার নামে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ফারুক আহমদ। কিন্তু সময়মতো কাউকে চুনাপাথর বা টাকা ফেরত নেয়নি। টাকা নেয়ার পর সে ছাতক শহরের বাসা ও ছেড়ে দেয়। সিলেট নগরীতে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। সিলেটের বাসায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা তার সাথে যোগাযোগ করলে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে এবং অনেককে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক ও দিয়েছে সে। এভাবে করতে -করতে এক সময় পালিয়ে যায় সে। টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীর তার সিলেটের বাসায় যোগাযোগ করে বাসাটি তালাবদ্ধ পান, তার ব্যবহৃত মোবাইলফোন বন্ধ। সম্প্রতি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা খোজ নিয়ে জানতে পারেন ফারুক আহমদ বিদেশে পালিয়ে গেছে। ফারুক আহমদের প্রতারণায় এখানে কয়েকজন ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ